সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

জ্বালানি তেলের সংকট: বিপাকে রাইড শেয়ারিং চালকরা


আজিজ চৌধুরী
আজিজ চৌধুরী নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৯ এএম

জ্বালানি তেলের সংকট: বিপাকে রাইড শেয়ারিং চালকরা

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানির বাজারে চলছে অস্থিরতা। দেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। যদিও সরকার জ¦ালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে সংকট নিরসণের প্রচেষ্টা করছে। কিন্তু এতে বেশ বিপাকে পড়তে হচ্ছে রাইড শেয়ারিং অথবা পাঠাও-উবার চালকদের।

রাইড শেয়ারিং চালকরা বলছেন, পাম্পে পাম্পে ঘুরেও মিলছে না পর্যাপ্ত তেল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থেকে সময় নষ্ট হওয়ায় আয়ের পথে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

‎রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পগুলোতে সরেজমিনে দেখা যায়, তেলের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করছে উবার-পাঠাও চালকরা। এই অপেক্ষা শুধু তেলের নয়, যেন আয়েরও। রাইড শেয়ারিং করে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের দিনের বড় একটা সময় এখন কাটছে পাম্পের লাইনে। ২ থেকে ৩ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না চাহিদামতো তেল। এতে ব্যাহত হচ্ছে নিয়মিত ট্রিপ, কমেছে দৈনিক ইনকাম।

‎রাইড শেয়ারিং চালক আব্দুল মান্নান বলেন, ‎“এভাবে চললে আমরা বাঁচব কীভাবে? ঠিকমতো ট্রিপ মারতে পারছি না। তেলের জন্য লাইনেই দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ২-৩ ঘণ্টা। ঘরে ঠিকমত বাজার করার মত ট্রিপ মারতে পারব কিনা তা নিয়েই রয়েছে সংশয়।”

চালকরা বলেন, আগের চেয়ে অর্ধেক ট্রিপ মারা সম্ভব হয়। ভাড়াও আগের মতো আছে। সে হিসেবে আগের তুলনায় আয়ের পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে গিয়ে ঠেকেছে।

ভোগান্তি কেবল চালকদের নয়, ছড়িয়েছে যাত্রীদের মাঝেও। অ্যাপে রাইড রিকোয়েস্ট দিয়েও সময় মতো মিলছে না বাইক। ফলে বাধ্য হয়েই যাত্রীরা বিকল্প খুঁজছেন। রাইড শেয়ারিংয়ের চেয়ে গতি কম হলেও, গন্তব্যে পৌঁছাতে এখন বিকল্প যানই ভরসা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এই সংকট আরও তীব্র হতে পারে। 

‎এদিকে, তেলের এই সংকট দ্রুত সমাধান না হলে রাইড শেয়ারিং খাতের ওপর নির্ভরশীল হাজারো মানুষ কর্মসংস্থান হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬


জ্বালানি তেলের সংকট: বিপাকে রাইড শেয়ারিং চালকরা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানির বাজারে চলছে অস্থিরতা। দেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। যদিও সরকার জ¦ালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে সংকট নিরসণের প্রচেষ্টা করছে। কিন্তু এতে বেশ বিপাকে পড়তে হচ্ছে রাইড শেয়ারিং অথবা পাঠাও-উবার চালকদের।

রাইড শেয়ারিং চালকরা বলছেন, পাম্পে পাম্পে ঘুরেও মিলছে না পর্যাপ্ত তেল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থেকে সময় নষ্ট হওয়ায় আয়ের পথে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

‎রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পগুলোতে সরেজমিনে দেখা যায়, তেলের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করছে উবার-পাঠাও চালকরা। এই অপেক্ষা শুধু তেলের নয়, যেন আয়েরও। রাইড শেয়ারিং করে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের দিনের বড় একটা সময় এখন কাটছে পাম্পের লাইনে। ২ থেকে ৩ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না চাহিদামতো তেল। এতে ব্যাহত হচ্ছে নিয়মিত ট্রিপ, কমেছে দৈনিক ইনকাম।

‎রাইড শেয়ারিং চালক আব্দুল মান্নান বলেন, ‎“এভাবে চললে আমরা বাঁচব কীভাবে? ঠিকমতো ট্রিপ মারতে পারছি না। তেলের জন্য লাইনেই দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ২-৩ ঘণ্টা। ঘরে ঠিকমত বাজার করার মত ট্রিপ মারতে পারব কিনা তা নিয়েই রয়েছে সংশয়।”

চালকরা বলেন, আগের চেয়ে অর্ধেক ট্রিপ মারা সম্ভব হয়। ভাড়াও আগের মতো আছে। সে হিসেবে আগের তুলনায় আয়ের পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে গিয়ে ঠেকেছে।

ভোগান্তি কেবল চালকদের নয়, ছড়িয়েছে যাত্রীদের মাঝেও। অ্যাপে রাইড রিকোয়েস্ট দিয়েও সময় মতো মিলছে না বাইক। ফলে বাধ্য হয়েই যাত্রীরা বিকল্প খুঁজছেন। রাইড শেয়ারিংয়ের চেয়ে গতি কম হলেও, গন্তব্যে পৌঁছাতে এখন বিকল্প যানই ভরসা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এই সংকট আরও তীব্র হতে পারে। 

‎এদিকে, তেলের এই সংকট দ্রুত সমাধান না হলে রাইড শেয়ারিং খাতের ওপর নির্ভরশীল হাজারো মানুষ কর্মসংস্থান হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত