সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

প্রতিমন্ত্রীর নতুন আশার বাণী

কক্সবাজারের নীল জলরাশিতে অষ্টম জাতীয় সার্ফিং উৎসবের জোয়ার


প্রকাশ: ৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম

কক্সবাজারের নীল জলরাশিতে অষ্টম জাতীয় সার্ফিং উৎসবের জোয়ার

পর্যটন নগরী কক্সবাজারের লাবনী পয়েন্ট আজ রূপ নিয়েছিল এক 'রোমাঞ্চকর' ক্রীড়া প্রান্তরে। সাগরের উত্তাল ঢেউ আর সার্ফারদের অদম্য সাহসের মিতালিতে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে অষ্টম জাতীয় সার্ফিং প্রতিযোগিতা।

দুপুরের দিকে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে সার্ফিংকে দেশের মূলধারার খেলাধুলার সমান্তরালে এগিয়ে নেওয়ার এক নতুন স্বপ্নযাত্রার সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান, বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ কে এম মুজাহিদ উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম এবং স্পন্সর প্রতিষ্ঠান কিউটের কর্ণধার কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল।
​উদ্বোধনী ভাষণে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বৈচিত্র্যময় উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে বলেন, দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে সরকার শুধু ক্রিকেট বা ফুটবলে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সার্ফিংসহ সব ধরনের খেলাধুলার উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি উপস্থিত খেলোয়াড় ও দর্শকদের আশ্বস্ত করে বলেন, আমরা সার্ফিংকে সমান গুরুত্ব দিতে চাই এবং ইতোমধ্যে অনেক খেলোয়াড়কে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।
এ ছাড়া আর্থিকভাবে দুর্বল ফেডারেশনগুলোকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সার্ফারদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সার্ফাররা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারলে ভবিষ্যতে তাদেরও বেতন কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তার এই বক্তব্যে উপস্থিত তরুণ সার্ফারদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়।
​এবারের প্রতিযোগিতায় তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শতাধিক সার্ফার অংশ নিচ্ছেন, যাদের নৈপুণ্য দেখার জন্য সৈকতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে এই আয়োজনের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের বিকাশের কথা তুলে ধরেন।
অন্যদিকে, সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ কে এম মুজাহিদ উদ্দিন এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম সার্ফিংকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্পন্সর প্রতিষ্ঠান কিউটের কর্ণধার কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল ক্রীড়াঙ্গনে বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশন ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬


কক্সবাজারের নীল জলরাশিতে অষ্টম জাতীয় সার্ফিং উৎসবের জোয়ার

প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

পর্যটন নগরী কক্সবাজারের লাবনী পয়েন্ট আজ রূপ নিয়েছিল এক 'রোমাঞ্চকর' ক্রীড়া প্রান্তরে। সাগরের উত্তাল ঢেউ আর সার্ফারদের অদম্য সাহসের মিতালিতে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে অষ্টম জাতীয় সার্ফিং প্রতিযোগিতা।

দুপুরের দিকে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে সার্ফিংকে দেশের মূলধারার খেলাধুলার সমান্তরালে এগিয়ে নেওয়ার এক নতুন স্বপ্নযাত্রার সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান, বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ কে এম মুজাহিদ উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম এবং স্পন্সর প্রতিষ্ঠান কিউটের কর্ণধার কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল।
​উদ্বোধনী ভাষণে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বৈচিত্র্যময় উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে বলেন, দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে সরকার শুধু ক্রিকেট বা ফুটবলে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সার্ফিংসহ সব ধরনের খেলাধুলার উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি উপস্থিত খেলোয়াড় ও দর্শকদের আশ্বস্ত করে বলেন, আমরা সার্ফিংকে সমান গুরুত্ব দিতে চাই এবং ইতোমধ্যে অনেক খেলোয়াড়কে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।
এ ছাড়া আর্থিকভাবে দুর্বল ফেডারেশনগুলোকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সার্ফারদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সার্ফাররা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারলে ভবিষ্যতে তাদেরও বেতন কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তার এই বক্তব্যে উপস্থিত তরুণ সার্ফারদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়।
​এবারের প্রতিযোগিতায় তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শতাধিক সার্ফার অংশ নিচ্ছেন, যাদের নৈপুণ্য দেখার জন্য সৈকতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে এই আয়োজনের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের বিকাশের কথা তুলে ধরেন।
অন্যদিকে, সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ কে এম মুজাহিদ উদ্দিন এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম সার্ফিংকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্পন্সর প্রতিষ্ঠান কিউটের কর্ণধার কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল ক্রীড়াঙ্গনে বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশন ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত