সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সাশ্রয়ী নীতিতে হাঁটছে প্রশাসন

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জ্বালানি বরাদ্দ ৩০ শতাংশ কর্তন


প্রকাশ: ৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জ্বালানি বরাদ্দ ৩০ শতাংশ কর্তন

  • ব্যয় সংকোচনে কঠোর সরকার
  • বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার কঠোর নির্দেশনা

সরকারি পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনতে অত্যন্ত সময়োপযোগী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীসহ সকল মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীরা তাদের সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ মাসিক জ্বালানির ৩০ শতাংশ কম গ্রহণ করবেন।

মূলত দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমাতে এবং মিতব্যয়িতার উদাহরণ সৃষ্টি করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা বিস্তারিত জানানো হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বর্তমান মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই জ্বালানি সাশ্রয়ের এই প্রস্তাবনা সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠক শেষে আজ সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানানো হয়, কেবল গাড়ি নয়, বরং সরকারি খাতের জলযান, আকাশযান এমনকি কম্পিউটার ক্রয়ের ক্ষেত্রেও কঠোরতা অবলম্বন করা হবে। আপাতত এ সব খাতে নতুন করে কেনাকাটা শতভাগ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়েছে, সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে যে পরিমাণ জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হতো, তা এখন থেকে সরাসরি ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনা হবে।

একই সাথে সরকারি কার্যালয়গুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ গ্যাসের ব্যবহারও ৩০ শতাংশ হ্রাস করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া আবাসিক অনাবাসিক ভবনের সৌন্দর্যবর্ধন খাতেও বড় ধরনের কাটছাঁট করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আবাসিক ভবনের শোভাবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে এই ব্যয় ৫০ শতাংশ কমানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৈঠকের অন্যান্য সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে জানানো হয়, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভূমি অধিগ্রহণের কাজ আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এবং রাষ্ট্রের অপচয় রোধে এই ধরনের কঠোর কৃচ্ছ্রসাধন নীতি অনুসরণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এই পদক্ষেপের ফলে সরকারি ব্যয়ের একটি বড় অংশ সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬


মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জ্বালানি বরাদ্দ ৩০ শতাংশ কর্তন

প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

  • ব্যয় সংকোচনে কঠোর সরকার
  • বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার কঠোর নির্দেশনা

সরকারি পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনতে অত্যন্ত সময়োপযোগী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীসহ সকল মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীরা তাদের সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ মাসিক জ্বালানির ৩০ শতাংশ কম গ্রহণ করবেন।

মূলত দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমাতে এবং মিতব্যয়িতার উদাহরণ সৃষ্টি করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা বিস্তারিত জানানো হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বর্তমান মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই জ্বালানি সাশ্রয়ের এই প্রস্তাবনা সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠক শেষে আজ সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানানো হয়, কেবল গাড়ি নয়, বরং সরকারি খাতের জলযান, আকাশযান এমনকি কম্পিউটার ক্রয়ের ক্ষেত্রেও কঠোরতা অবলম্বন করা হবে। আপাতত এ সব খাতে নতুন করে কেনাকাটা শতভাগ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়েছে, সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে যে পরিমাণ জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হতো, তা এখন থেকে সরাসরি ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনা হবে।

একই সাথে সরকারি কার্যালয়গুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ গ্যাসের ব্যবহারও ৩০ শতাংশ হ্রাস করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া আবাসিক অনাবাসিক ভবনের সৌন্দর্যবর্ধন খাতেও বড় ধরনের কাটছাঁট করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আবাসিক ভবনের শোভাবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে এই ব্যয় ৫০ শতাংশ কমানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৈঠকের অন্যান্য সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে জানানো হয়, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভূমি অধিগ্রহণের কাজ আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এবং রাষ্ট্রের অপচয় রোধে এই ধরনের কঠোর কৃচ্ছ্রসাধন নীতি অনুসরণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এই পদক্ষেপের ফলে সরকারি ব্যয়ের একটি বড় অংশ সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত