সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বিদ্যুৎচালিত বাসে মিলবে বড় ছাড়

ফিটনেসবিহীন ‘লক্কড়-ঝক্কড়’ গাড়ি সরানোর ঘোষণা


প্রকাশ: ৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম

ফিটনেসবিহীন ‘লক্কড়-ঝক্কড়’ গাড়ি সরানোর ঘোষণা

  • দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এবার কঠোর অবস্থানে সরকার

রাজধানীসহ সারা দেশের সড়ক থেকে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া নির্গত করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন ক্রমান্বয়ে অপসারণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পরিবেশ রক্ষা জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এই পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

শুক্রবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এক সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল দেশের ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনা। সরকার মনে করছে, সড়কেরলক্কড়-ঝক্কড় ফিটনেসবিহীন’ গাড়িগুলো শুধু যানজটই সৃষ্টি করছে না, বরং পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যায়ক্রমে এ সব গাড়ি রাস্তা থেকে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখার এবং দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

একই বৈঠকে দেশের পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার প্রসারে বড় ধরনের প্রণোদনা দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এখন থেকে নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ইলেকট্রিক বাস বা -বাস আমদানির ক্ষেত্রে কোনো শুল্ক প্রদান করতে হবে না। অর্থাৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় বিদ্যুৎচালিত বাস আনতে পারবে।

ছাড়া বাণিজ্যিক বা অন্যান্য ক্ষেত্রে ইলেকট্রিক বাস আমদানির সুবিধার্থে সর্বসাকুল্যে মাত্র ২০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সরকারের এই সিদ্ধান্তকে পরিবেশবাদীরা স্বাগত জানিয়েছেন। মূলত জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির দিকে দেশকে ধাবিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন অপসারণের ফলে সড়ক নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি বায়ুদূষণ উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রূপরেখা মাঠ পর্যায়ে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬


ফিটনেসবিহীন ‘লক্কড়-ঝক্কড়’ গাড়ি সরানোর ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

  • দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এবার কঠোর অবস্থানে সরকার

রাজধানীসহ সারা দেশের সড়ক থেকে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া নির্গত করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন ক্রমান্বয়ে অপসারণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পরিবেশ রক্ষা জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এই পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

শুক্রবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এক সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল দেশের ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনা। সরকার মনে করছে, সড়কেরলক্কড়-ঝক্কড় ফিটনেসবিহীন’ গাড়িগুলো শুধু যানজটই সৃষ্টি করছে না, বরং পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যায়ক্রমে এ সব গাড়ি রাস্তা থেকে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখার এবং দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

একই বৈঠকে দেশের পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার প্রসারে বড় ধরনের প্রণোদনা দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এখন থেকে নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ইলেকট্রিক বাস বা -বাস আমদানির ক্ষেত্রে কোনো শুল্ক প্রদান করতে হবে না। অর্থাৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় বিদ্যুৎচালিত বাস আনতে পারবে।

ছাড়া বাণিজ্যিক বা অন্যান্য ক্ষেত্রে ইলেকট্রিক বাস আমদানির সুবিধার্থে সর্বসাকুল্যে মাত্র ২০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সরকারের এই সিদ্ধান্তকে পরিবেশবাদীরা স্বাগত জানিয়েছেন। মূলত জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির দিকে দেশকে ধাবিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন অপসারণের ফলে সড়ক নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি বায়ুদূষণ উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রূপরেখা মাঠ পর্যায়ে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত