মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টায় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে সেই সময় পুনর্বিবেচনা করে রাত আটটা পর্যন্ত ব্যবসার সুযোগ চেয়েছেন দোকানমালিকেরা। প্রয়োজনে তারা সকাল নয়টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকান খুলতে রাজি আছেন।
শুক্রবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। সংগঠনটির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী ও আড়াই কোটি কর্মচারীর কথা বিবেচনা করে এ অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘অধিকাংশ দোকানে দিনে ও রাতে বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই। তাই সকালে দুই ঘণ্টা দোকান বন্ধ রেখে সেই সময় সন্ধ্যার পর ব্যবহার করতে চাই। এতে অফিস ছুটির পর ক্রেতারাও কেনাকাটার সময় পাবেন।’
তিনি জানান, শুক্রবার থেকে নতুন সময় কার্যকর হলেও অনেক ব্যবসায়ী নিজেরাই রাত আটটা পর্যন্ত দোকান খোলা রেখেছেন। সরকারি সিদ্ধান্ত মানতে তাদের অসুবিধা হচ্ছে।
নাজমুল হাসান আরও বলেন, ‘করোনার পর একের পর এক সংকটে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। পয়লা বৈশাখ মাত্র দুই সপ্তাহ দূরে। অনেকে এ উপলক্ষে বিনিয়োগ করেছেন। সময় না পেলে তাদের বড় লোকসান হবে।’
সরকার যদি সময় না বাড়ায়, তাহলে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে বলেও মন্তব্য করেন এই ব্যবসায়ী নেতা। তিনি বলেন, ‘দোকান বন্ধের পর এক থেকে দেড় ঘণ্টা হিসাব-নিকাশ করতে হয়। সন্ধ্যা ছয়টায় দোকান বন্ধ করতে হলে বিকেলেই প্রস্তুতি নিতে হবে। তাহলে তো ব্যবসাই করা সম্ভব হবে না।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারকে সহযোগিতা করতে দেশের সব দোকানপাট রাত আটটার মধ্যে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। তবে একদিন পরই মন্ত্রিসভার বৈঠকে সন্ধ্যা ছয়টায় সব দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। আর দোকানপাট বন্ধ থাকবে সন্ধ্যা ৬টায়। আজ শুক্রবার থেকেই এসব নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টায় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে সেই সময় পুনর্বিবেচনা করে রাত আটটা পর্যন্ত ব্যবসার সুযোগ চেয়েছেন দোকানমালিকেরা। প্রয়োজনে তারা সকাল নয়টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকান খুলতে রাজি আছেন।
শুক্রবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। সংগঠনটির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী ও আড়াই কোটি কর্মচারীর কথা বিবেচনা করে এ অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘অধিকাংশ দোকানে দিনে ও রাতে বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই। তাই সকালে দুই ঘণ্টা দোকান বন্ধ রেখে সেই সময় সন্ধ্যার পর ব্যবহার করতে চাই। এতে অফিস ছুটির পর ক্রেতারাও কেনাকাটার সময় পাবেন।’
তিনি জানান, শুক্রবার থেকে নতুন সময় কার্যকর হলেও অনেক ব্যবসায়ী নিজেরাই রাত আটটা পর্যন্ত দোকান খোলা রেখেছেন। সরকারি সিদ্ধান্ত মানতে তাদের অসুবিধা হচ্ছে।
নাজমুল হাসান আরও বলেন, ‘করোনার পর একের পর এক সংকটে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। পয়লা বৈশাখ মাত্র দুই সপ্তাহ দূরে। অনেকে এ উপলক্ষে বিনিয়োগ করেছেন। সময় না পেলে তাদের বড় লোকসান হবে।’
সরকার যদি সময় না বাড়ায়, তাহলে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে বলেও মন্তব্য করেন এই ব্যবসায়ী নেতা। তিনি বলেন, ‘দোকান বন্ধের পর এক থেকে দেড় ঘণ্টা হিসাব-নিকাশ করতে হয়। সন্ধ্যা ছয়টায় দোকান বন্ধ করতে হলে বিকেলেই প্রস্তুতি নিতে হবে। তাহলে তো ব্যবসাই করা সম্ভব হবে না।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারকে সহযোগিতা করতে দেশের সব দোকানপাট রাত আটটার মধ্যে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। তবে একদিন পরই মন্ত্রিসভার বৈঠকে সন্ধ্যা ছয়টায় সব দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। আর দোকানপাট বন্ধ থাকবে সন্ধ্যা ৬টায়। আজ শুক্রবার থেকেই এসব নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন