পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা খাল খনন কর্মসূচি ছিল একটি প্রকৃত বিপ্লব। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই বিপ্লবটি তখন সমাপ্ত হতে পারেনি। যদি জিয়ার চিন্তাভাবনা অনুযায়ী সেই কাজ সম্পন্ন হতো, তবে স্বনির্ভর বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা আজও অব্যাহত থাকতো।
লহ্মীপুরের মাটি ও মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সদর উপজেলার উত্তর হামছদি ইউনিয়নের কাফিলাতলি এলাকায় ‘সি খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এই আবেগঘন ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
মন্ত্রী অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেন, জিয়ার সেই অসমাপ্ত কাজ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদক্ষ নেতৃত্বে এবার চূড়ান্তভাবে সমাপ্ত করা হবে।
বর্তমান সরকারের জনবান্ধব নীতির কথা উল্লেখ করে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, বর্তমান সরকার জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একটি পবিত্র আমানত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে কৃষিকাজে সেচের সুব্যবস্থা করা, পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং স্থায়ী জলাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্যে দেশজুড়ে নদী, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখননের এক মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।
তিনি বিশ্বাস করেন, এই খনন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দেশের কৃষিখাতে এক আমূল পরিবর্তন আসবে।
দখলদারদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যত বাধা-বিপত্তিই আসুক না কেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী খাল খনন ও অবৈধ দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সাথে তিনি চলমান উন্নয়ন কাজগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ দেন।
দেশের মানুষের সেবায় সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ দেশ এক প্রকৃত দেশপ্রেমিক সরকার পেয়েছে। জনগণের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো বাস্তবায়নে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সরকার ইতোমধ্যে পাইলটিং হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে এটি সারাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।
কৃষকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি ঘোষণা দেন, আসন্ন পহেলা বৈশাখে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হবে। জনদাবি ও জনপ্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার পর্যায়ক্রমে সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূইয়ার সভাপতিত্বে এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান এবং পুলিশ সুপার মো. আবু তারেকসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সকলেই নদী ও খাল রক্ষার এই উদ্যোগকে জেলা তথা সারাদেশের কৃষি অর্থনীতি রক্ষার কবচ হিসেবে অভিহিত করেন।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা খাল খনন কর্মসূচি ছিল একটি প্রকৃত বিপ্লব। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই বিপ্লবটি তখন সমাপ্ত হতে পারেনি। যদি জিয়ার চিন্তাভাবনা অনুযায়ী সেই কাজ সম্পন্ন হতো, তবে স্বনির্ভর বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা আজও অব্যাহত থাকতো।
লহ্মীপুরের মাটি ও মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সদর উপজেলার উত্তর হামছদি ইউনিয়নের কাফিলাতলি এলাকায় ‘সি খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এই আবেগঘন ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
মন্ত্রী অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেন, জিয়ার সেই অসমাপ্ত কাজ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদক্ষ নেতৃত্বে এবার চূড়ান্তভাবে সমাপ্ত করা হবে।
বর্তমান সরকারের জনবান্ধব নীতির কথা উল্লেখ করে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, বর্তমান সরকার জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একটি পবিত্র আমানত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে কৃষিকাজে সেচের সুব্যবস্থা করা, পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং স্থায়ী জলাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্যে দেশজুড়ে নদী, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখননের এক মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।
তিনি বিশ্বাস করেন, এই খনন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দেশের কৃষিখাতে এক আমূল পরিবর্তন আসবে।
দখলদারদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যত বাধা-বিপত্তিই আসুক না কেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী খাল খনন ও অবৈধ দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সাথে তিনি চলমান উন্নয়ন কাজগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ দেন।
দেশের মানুষের সেবায় সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ দেশ এক প্রকৃত দেশপ্রেমিক সরকার পেয়েছে। জনগণের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো বাস্তবায়নে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সরকার ইতোমধ্যে পাইলটিং হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে এটি সারাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।
কৃষকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি ঘোষণা দেন, আসন্ন পহেলা বৈশাখে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হবে। জনদাবি ও জনপ্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার পর্যায়ক্রমে সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূইয়ার সভাপতিত্বে এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান এবং পুলিশ সুপার মো. আবু তারেকসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সকলেই নদী ও খাল রক্ষার এই উদ্যোগকে জেলা তথা সারাদেশের কৃষি অর্থনীতি রক্ষার কবচ হিসেবে অভিহিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন