দলীয় রাজনীতি ও সরকারের মধ্যকার দূরত্ব বজায় রাখতে এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে নিজের দলীয় পদ ছেড়েছে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি তার এই সিদ্ধান্তের পেছনের মূল কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল ও সরকারকে সব সময় আলাদা রাখা জরুরি। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতেই আমি দলীয় প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়েছি।”
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক আলোচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ও রূপরেখা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “জুলাই সনদ কীভাবে বাস্তবায়ন হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনও নানামুখী সুস্থ বিতর্ক চলমান রয়েছে। তবে যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই এর চূড়ান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ মতামতই সবসময় প্রাধান্য পাবে।”
এর আগে, গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত গণসংহতি আন্দোলনের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে পুনরায় দলটির প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হয়েছিলেন।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
দলীয় রাজনীতি ও সরকারের মধ্যকার দূরত্ব বজায় রাখতে এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে নিজের দলীয় পদ ছেড়েছে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি তার এই সিদ্ধান্তের পেছনের মূল কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল ও সরকারকে সব সময় আলাদা রাখা জরুরি। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতেই আমি দলীয় প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়েছি।”
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক আলোচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ও রূপরেখা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “জুলাই সনদ কীভাবে বাস্তবায়ন হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনও নানামুখী সুস্থ বিতর্ক চলমান রয়েছে। তবে যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই এর চূড়ান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ মতামতই সবসময় প্রাধান্য পাবে।”
এর আগে, গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত গণসংহতি আন্দোলনের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে পুনরায় দলটির প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন