জাতীয় সংসদে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত হওয়ার পরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশসমূহ সংসদে পাস হওয়ার পরই নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। বিশেষ করে, দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধানটি সংসদের মাধ্যমে বাতিল করা হবে।
১৪টি জেলা পরিষদে সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে এসে মীর শাহে আলম বলেন:
"যারা ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং জনগণের পাশে থেকে কাজ করেছেন, তাদেরই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনে যাদের মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।"
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, প্রশাসকগণ দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ পেলেও তাদের প্রতিটি কাজের জন্য জবাবদিহির আওতায় থাকতে হবে। জনস্বার্থ রক্ষায় কোনো প্রকার অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সংস্কারমুখী করতেই এই আইনি পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত হওয়ার পরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশসমূহ সংসদে পাস হওয়ার পরই নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। বিশেষ করে, দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধানটি সংসদের মাধ্যমে বাতিল করা হবে।
১৪টি জেলা পরিষদে সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে এসে মীর শাহে আলম বলেন:
"যারা ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং জনগণের পাশে থেকে কাজ করেছেন, তাদেরই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনে যাদের মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।"
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, প্রশাসকগণ দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ পেলেও তাদের প্রতিটি কাজের জন্য জবাবদিহির আওতায় থাকতে হবে। জনস্বার্থ রক্ষায় কোনো প্রকার অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সংস্কারমুখী করতেই এই আইনি পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার।

আপনার মতামত লিখুন