রাজধানীর অদূরে কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোল চত্বর এলাকায় একটি গ্যাস লাইটার তৈরির টিনশেড কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (০৪ এপ্রিল) দুপুরে, ঘড়ির কাঁটায় যখন ১টা ১১ মিনিট, তখনই ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে আগুনের প্রথম সংবাদটি পৌঁছায়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স থেকে জানানো হয়, ১টা ১৬ মিনিটে প্রথম ইউনিটটি দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ ও আগুন নির্বাপণ শুরু করে। কারখানায় গ্যাস লাইটার তৈরির দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো টিনশেড এলাকায়, যার ফলে মুহূর্তেই কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিস্থিতির ভয়াবহতা বর্ণনা করে জানান, এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অগ্নিকাণ্ড কারণ এখানে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস লাইটার ও রাসায়নিক মজুত ছিল। তিনি বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা আমাদের ইউনিটগুলোকে মুভ করাই। বর্তমানে আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় নিয়ে মোট ৭টি ইউনিট একযোগে কাজ করছে। আমাদের প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে আগুন যাতে পাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে।”
কারখানার ভেতরে কোনো শ্রমিক আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি অভিযানও সমান্তরালভাবে চালানো হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর অদূরে কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোল চত্বর এলাকায় একটি গ্যাস লাইটার তৈরির টিনশেড কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (০৪ এপ্রিল) দুপুরে, ঘড়ির কাঁটায় যখন ১টা ১১ মিনিট, তখনই ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে আগুনের প্রথম সংবাদটি পৌঁছায়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স থেকে জানানো হয়, ১টা ১৬ মিনিটে প্রথম ইউনিটটি দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ ও আগুন নির্বাপণ শুরু করে। কারখানায় গ্যাস লাইটার তৈরির দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো টিনশেড এলাকায়, যার ফলে মুহূর্তেই কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিস্থিতির ভয়াবহতা বর্ণনা করে জানান, এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অগ্নিকাণ্ড কারণ এখানে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস লাইটার ও রাসায়নিক মজুত ছিল। তিনি বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা আমাদের ইউনিটগুলোকে মুভ করাই। বর্তমানে আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় নিয়ে মোট ৭টি ইউনিট একযোগে কাজ করছে। আমাদের প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে আগুন যাতে পাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে।”
কারখানার ভেতরে কোনো শ্রমিক আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি অভিযানও সমান্তরালভাবে চালানো হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন