যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে একটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান। ওই সম্মেলনে শিশুদের উন্নয়নে বক্তব্য রাখা জুবাইদা ‘ইরানে শিশু হত্যার প্রতিবাদ না করায়’ সমালোচনা করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভায় ফরিদা আখতার
বলেন, “ইরানে শিশু হত্যার প্রতিবাদ করতে পারতেন জুবাইদা রহমান।”
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আয়োজনে গত ২৫ মার্চ ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার
টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া। দুই দিনের ওই সম্মেলনে বিশ্বের ৪৫টির বেশি দেশের
ফার্স্ট লেডি ও রাষ্ট্র নেতাদের সহধর্মিণীরা অংশগ্রহণ করেন।
ওয়াশিংটনে জুবাইদা
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ওয়ার্কিং সেশনে জুবাইদা রহমান তার বক্তব্যে শিশুদের
উন্নয়ন বিষয়ে বৈশ্বিক অঙ্গীকারে বিশ্বনেতা ও অংশীদারদের একত্র করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের
ফার্স্ট লেডিকে ধন্যবাদ জানান। ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের প্রধান কূটনৈতিক মিশন থেকে
পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জুবাইদা রহমান তার বক্তব্যে মনে করিয়ে দেন,
প্রতিটি জাতির ভবিষ্যৎ তাদের শিশুদের যত্ন, শিক্ষা ও মূল্যবোধের ওপর নির্ভরশীল।
বক্তব্যে জুবাইদা তার স্বামী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ফার্মার্স
কার্ড’ চালু করার ঘটনা, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে নারীর ক্ষমতায়ন, প্রয়াত
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন
বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সমালোচনায় ফরিদা
ওয়াশিংটন ডিসির ওই সম্মেলনের কথা তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, “আপনারা হয়তো পত্র-পত্রিকায়
দেখেছেন, আমার কাছে খুব প্রহসন মনে হয়েছে যে ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প তিনি
বিশ্বের শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য একটা মিটিং ডেকেছেন এবং সেখানে বিশ্বের ফার্স্ট লেডিদেরকে
তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। দুঃখজনকভাবে আমাদের ফার্স্ট লেডি সেখানে গেছেন। কিন্তু ইরান
যুদ্ধের প্রথম দিনে ১৭০ জনের মত শিশু, বিশেষ করে মেয়ে শিশুদেরকে মেরে তারা এ রকম কথা
বলে। এই দৃষ্টতার জন্য আমরা প্রতিবাদ জানাই।
আমাদের ফার্স্ট লেডিও সেটার প্রতিবাদ করতে পারতেন।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথা তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন,
“আমেরিকার হামলার পর ইরানের মানুষ এতো কষ্টের মধ্যে, তাও তারা কেউ মাথা নত করেনি। এটা
সবচেয়ে বিস্ময়ের বিষয়। বরং তারা আরও প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন যে এ যুদ্ধ বিজয় না আসা পর্যন্ত
তারা মাথা নত করবেন না।”
আমেরিকার মোড়লগিরি
বেসরকারি সংস্থা উবিনীগের (উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা) নির্বাহী পরিচালক
ফরিদা আখতার বলেন, “আমেরিকা সারা পৃথিবীতে মোড়লগিরি করে। সেখানে পৃথিবীতে একটা দেশ
আমরা পেলাম যে তার সে মোড়লগিরিকে চ্যালেঞ্জ করেছে।”
ইরানের যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, “ইরানের নারীরা নাকি খুব খারাপ
অবস্থায় আছে। কিন্তু আমি দেখি যে স্টুডেন্ট হিসেবে ইউনিভার্সিটিতে ৫০ শতাংশ নারী আছেন,
টেকনোলজিতে আছেন তারা, সবকিছুতে আছেন। হ্যাঁ, এটা সত্য যে, তাদেরকে বিশেষ কিছু ধর্মীয়
অনুশাসন মেনে চলতে হয় বলে কিছু দোষ থাকতে পারে। কিন্তু তারা কখনোই বলেনি যে, ‘বাইরের
কেউ এসে আমাদেরকে মুক্ত করে দিক। যা করার আমরাই করব। তাও আমাদের কোন বাইরের সাহায্য
দরকার নেই।”
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ইরানের হামলার বিষয়ে ফরিদা আখতার বলেন, “ইরান মধ্যপ্রাচ্যে
আমেরিকার ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে মারছে। সেখানে তারা মানুষ মারছে না। তারা চায়, আমেরিকার
মোড়লগিরি না থাকুক।”
ইরানের প্রতিনিধি
পাঠকচক্র ও চিন্তাশীল আলোচনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত সংগঠন ‘ভাব বৈঠকী’ এই
আলোচনা সভার আয়োজন করে। ‘সামাজ্রবাদী-জায়ানবাদী আগ্রাসন এবং ইরানের প্রতিরোধের রণকৌশল’
শীর্ষক এই সভায় আমন্ত্রণ পেয়ে ইরানের কয়েকজন প্রতিনিধিও এসেছিলেন।
তাদের উদ্দেশ্য করে ফরিদা আখতার বলেন, “এখানে যারা ইরানের প্রতিনিধি হিসেবে এসেছেন,
তাদের মাধ্যমে আমরা জানাতে চাই, আমরা ইরানের পাশে থাকবো। ইরানে যতদিন যুদ্ধ চলবে, আমরা
তার পাশে আছি।”
অনুষ্ঠানে ইরানের আল মুস্তাফা (সা.) আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধি
ড. শাহাবুদ্দিন মাশায়েখি বলেন, “ইরানে আমেরিকার হামলার পর আমাদের সবচেয়ে বড় বিজয়, আমরা
মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছি। ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আপনারা দেখেছেন, আমেরিকায়
১০ মিলিয়ন লোক রাস্তায় নেমে গিয়েছে। যেটা সামনে আরও বাড়তে থাকবে ক্রমাগতভাবে।”
তিনি বলেন, “আমরা জানি, এ যুদ্ধে পৃথিবীর বহু দেশে সাময়িক কষ্ট শুরু হয়েছে। তবে
কষ্ট পুরো পৃথিবীকে অচিরেই স্বাধীনতা এনে দিবে। আপনারা বলেন, আমরা যদি আমেরিকার সাথে
টেবিলে বসতাম, এটা কী সম্ভব হতো? আজকে আমেরিকা আমাদের কাছে নত হয়েছে। তারা আমাদের সাথে
বসতে চায় গত দুইমাস ধরে। আমরা তাদেরকে নাকোচ করে দিয়েছি।”
ড. শাহাবুদ্দিন মাশায়েখি বলেন, “আমেরিকাকে দুর্বল করতে হলে তার অর্থনীতিকে দুর্বল
করতে হবে। সেজন্য হরমুজ প্রণালি দখলে রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর, হরমুজ প্রণালি
আমাদের অধিকার। আমরা আমেরিকা বাদে বাকি মুসলিম দেশগুলোকে সহায়তা করার চেষ্টা করছি।
হরমুজ প্রণালিতে পাকিস্তানের কয়েকটি জাহাজ আটকে ছিল। সেগুলোকে আমি কথা বলে ছাড়িয়ে দিয়েছি।
বাংলাদেশের ৬টা জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বের হওয়ার অনুমতি দিয়েছি।”
মোহাম্মদ রোমেলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায়অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম
আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ঢাকায় ইরানের দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর সৈয়দ রেজা মীর মোহাম্মদী।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে একটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান। ওই সম্মেলনে শিশুদের উন্নয়নে বক্তব্য রাখা জুবাইদা ‘ইরানে শিশু হত্যার প্রতিবাদ না করায়’ সমালোচনা করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভায় ফরিদা আখতার
বলেন, “ইরানে শিশু হত্যার প্রতিবাদ করতে পারতেন জুবাইদা রহমান।”
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আয়োজনে গত ২৫ মার্চ ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার
টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া। দুই দিনের ওই সম্মেলনে বিশ্বের ৪৫টির বেশি দেশের
ফার্স্ট লেডি ও রাষ্ট্র নেতাদের সহধর্মিণীরা অংশগ্রহণ করেন।
ওয়াশিংটনে জুবাইদা
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ওয়ার্কিং সেশনে জুবাইদা রহমান তার বক্তব্যে শিশুদের
উন্নয়ন বিষয়ে বৈশ্বিক অঙ্গীকারে বিশ্বনেতা ও অংশীদারদের একত্র করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের
ফার্স্ট লেডিকে ধন্যবাদ জানান। ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের প্রধান কূটনৈতিক মিশন থেকে
পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জুবাইদা রহমান তার বক্তব্যে মনে করিয়ে দেন,
প্রতিটি জাতির ভবিষ্যৎ তাদের শিশুদের যত্ন, শিক্ষা ও মূল্যবোধের ওপর নির্ভরশীল।
বক্তব্যে জুবাইদা তার স্বামী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ফার্মার্স
কার্ড’ চালু করার ঘটনা, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে নারীর ক্ষমতায়ন, প্রয়াত
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন
বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সমালোচনায় ফরিদা
ওয়াশিংটন ডিসির ওই সম্মেলনের কথা তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, “আপনারা হয়তো পত্র-পত্রিকায়
দেখেছেন, আমার কাছে খুব প্রহসন মনে হয়েছে যে ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প তিনি
বিশ্বের শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য একটা মিটিং ডেকেছেন এবং সেখানে বিশ্বের ফার্স্ট লেডিদেরকে
তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। দুঃখজনকভাবে আমাদের ফার্স্ট লেডি সেখানে গেছেন। কিন্তু ইরান
যুদ্ধের প্রথম দিনে ১৭০ জনের মত শিশু, বিশেষ করে মেয়ে শিশুদেরকে মেরে তারা এ রকম কথা
বলে। এই দৃষ্টতার জন্য আমরা প্রতিবাদ জানাই।
আমাদের ফার্স্ট লেডিও সেটার প্রতিবাদ করতে পারতেন।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথা তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন,
“আমেরিকার হামলার পর ইরানের মানুষ এতো কষ্টের মধ্যে, তাও তারা কেউ মাথা নত করেনি। এটা
সবচেয়ে বিস্ময়ের বিষয়। বরং তারা আরও প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন যে এ যুদ্ধ বিজয় না আসা পর্যন্ত
তারা মাথা নত করবেন না।”
আমেরিকার মোড়লগিরি
বেসরকারি সংস্থা উবিনীগের (উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা) নির্বাহী পরিচালক
ফরিদা আখতার বলেন, “আমেরিকা সারা পৃথিবীতে মোড়লগিরি করে। সেখানে পৃথিবীতে একটা দেশ
আমরা পেলাম যে তার সে মোড়লগিরিকে চ্যালেঞ্জ করেছে।”
ইরানের যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, “ইরানের নারীরা নাকি খুব খারাপ
অবস্থায় আছে। কিন্তু আমি দেখি যে স্টুডেন্ট হিসেবে ইউনিভার্সিটিতে ৫০ শতাংশ নারী আছেন,
টেকনোলজিতে আছেন তারা, সবকিছুতে আছেন। হ্যাঁ, এটা সত্য যে, তাদেরকে বিশেষ কিছু ধর্মীয়
অনুশাসন মেনে চলতে হয় বলে কিছু দোষ থাকতে পারে। কিন্তু তারা কখনোই বলেনি যে, ‘বাইরের
কেউ এসে আমাদেরকে মুক্ত করে দিক। যা করার আমরাই করব। তাও আমাদের কোন বাইরের সাহায্য
দরকার নেই।”
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ইরানের হামলার বিষয়ে ফরিদা আখতার বলেন, “ইরান মধ্যপ্রাচ্যে
আমেরিকার ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে মারছে। সেখানে তারা মানুষ মারছে না। তারা চায়, আমেরিকার
মোড়লগিরি না থাকুক।”
ইরানের প্রতিনিধি
পাঠকচক্র ও চিন্তাশীল আলোচনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত সংগঠন ‘ভাব বৈঠকী’ এই
আলোচনা সভার আয়োজন করে। ‘সামাজ্রবাদী-জায়ানবাদী আগ্রাসন এবং ইরানের প্রতিরোধের রণকৌশল’
শীর্ষক এই সভায় আমন্ত্রণ পেয়ে ইরানের কয়েকজন প্রতিনিধিও এসেছিলেন।
তাদের উদ্দেশ্য করে ফরিদা আখতার বলেন, “এখানে যারা ইরানের প্রতিনিধি হিসেবে এসেছেন,
তাদের মাধ্যমে আমরা জানাতে চাই, আমরা ইরানের পাশে থাকবো। ইরানে যতদিন যুদ্ধ চলবে, আমরা
তার পাশে আছি।”
অনুষ্ঠানে ইরানের আল মুস্তাফা (সা.) আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধি
ড. শাহাবুদ্দিন মাশায়েখি বলেন, “ইরানে আমেরিকার হামলার পর আমাদের সবচেয়ে বড় বিজয়, আমরা
মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছি। ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আপনারা দেখেছেন, আমেরিকায়
১০ মিলিয়ন লোক রাস্তায় নেমে গিয়েছে। যেটা সামনে আরও বাড়তে থাকবে ক্রমাগতভাবে।”
তিনি বলেন, “আমরা জানি, এ যুদ্ধে পৃথিবীর বহু দেশে সাময়িক কষ্ট শুরু হয়েছে। তবে
কষ্ট পুরো পৃথিবীকে অচিরেই স্বাধীনতা এনে দিবে। আপনারা বলেন, আমরা যদি আমেরিকার সাথে
টেবিলে বসতাম, এটা কী সম্ভব হতো? আজকে আমেরিকা আমাদের কাছে নত হয়েছে। তারা আমাদের সাথে
বসতে চায় গত দুইমাস ধরে। আমরা তাদেরকে নাকোচ করে দিয়েছি।”
ড. শাহাবুদ্দিন মাশায়েখি বলেন, “আমেরিকাকে দুর্বল করতে হলে তার অর্থনীতিকে দুর্বল
করতে হবে। সেজন্য হরমুজ প্রণালি দখলে রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর, হরমুজ প্রণালি
আমাদের অধিকার। আমরা আমেরিকা বাদে বাকি মুসলিম দেশগুলোকে সহায়তা করার চেষ্টা করছি।
হরমুজ প্রণালিতে পাকিস্তানের কয়েকটি জাহাজ আটকে ছিল। সেগুলোকে আমি কথা বলে ছাড়িয়ে দিয়েছি।
বাংলাদেশের ৬টা জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বের হওয়ার অনুমতি দিয়েছি।”
মোহাম্মদ রোমেলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায়অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম
আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ঢাকায় ইরানের দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর সৈয়দ রেজা মীর মোহাম্মদী।

আপনার মতামত লিখুন