সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তই বহাল


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম

সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তই বহাল
সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তই বহাল

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তই বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। শনিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ‘দোকান ও শপিং মল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির’ নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজ উপস্থিত ছিলেন।  

মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সময়সীমা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। ব্যবসায়ীদের জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “ব্যবসায়ীদের স্বার্থ যেন নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সরকার আন্তরিক রয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশেই সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ হয়। এটি অভ্যাসে পরিণত হলে জনগণও সময় অনুযায়ী তাদের কেনাকাটা করবে।”

বৈঠক শেষে ব্যবসায়ী নেতারা জানান, সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন তারা। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরবর্তীতে সময়সীমা পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানান তারা। 

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, “বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে সরকার সবার সহযোগিতা চায়। শুধু দোকানে নয়, সব খাতেই সরকার সাশ্রয় করছে। দোকান বন্ধের এই সিদ্ধান্ত আপাতত তিন মাস চলবে।”

কোরবানি ঈদের আগে প্রয়োজনে আবারও সরকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলেও জানান তিনি। 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ১২টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে মন্ত্রিসভা বৈঠক-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টায় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহ চেইনে অনিশ্চয়তা ও দামের ওঠানামা মোকাবিলায় দেশের সব ধরনের মার্কেট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার পর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে খাবারের দোকান, ওষুধের দোকানসহ প্রয়োজনীয় সেবা এ সিদ্ধান্তের বাইরে থাকবে।

তবে সেই সময় পুনর্বিবেচনা করে রাত আটটা পর্যন্ত ব্যবসার সুযোগ চেয়েছেন দোকানমালিকেরা। প্রয়োজনে তারা সকাল নয়টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকান খুলতে রাজি আছেন। শুক্রবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬


সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তই বহাল

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তই বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। শনিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ‘দোকান ও শপিং মল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির’ নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজ উপস্থিত ছিলেন।  

মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সময়সীমা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। ব্যবসায়ীদের জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “ব্যবসায়ীদের স্বার্থ যেন নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সরকার আন্তরিক রয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশেই সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ হয়। এটি অভ্যাসে পরিণত হলে জনগণও সময় অনুযায়ী তাদের কেনাকাটা করবে।”

বৈঠক শেষে ব্যবসায়ী নেতারা জানান, সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন তারা। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরবর্তীতে সময়সীমা পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানান তারা। 

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, “বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে সরকার সবার সহযোগিতা চায়। শুধু দোকানে নয়, সব খাতেই সরকার সাশ্রয় করছে। দোকান বন্ধের এই সিদ্ধান্ত আপাতত তিন মাস চলবে।”

কোরবানি ঈদের আগে প্রয়োজনে আবারও সরকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলেও জানান তিনি। 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ১২টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে মন্ত্রিসভা বৈঠক-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টায় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহ চেইনে অনিশ্চয়তা ও দামের ওঠানামা মোকাবিলায় দেশের সব ধরনের মার্কেট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার পর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে খাবারের দোকান, ওষুধের দোকানসহ প্রয়োজনীয় সেবা এ সিদ্ধান্তের বাইরে থাকবে।

তবে সেই সময় পুনর্বিবেচনা করে রাত আটটা পর্যন্ত ব্যবসার সুযোগ চেয়েছেন দোকানমালিকেরা। প্রয়োজনে তারা সকাল নয়টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকান খুলতে রাজি আছেন। শুক্রবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। 


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত