সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলাপ, তারপর দীর্ঘ ৫ বছরের প্রেম। সেই প্রেমের টানেই বয়সের ব্যবধান ভুলে ৫৮ বছর বয়সী কাজী নাজিম উদ্দীন খাদেমকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন ২৭ বছর বয়সী ফিজিওথেরাপিস্ট মোজায়না আক্তার চাঁদনী। কিন্তু বিয়ের মাত্র ছয় মাসের মাথায় সেই সাজানো সংসার এখন বিষাদময় রণক্ষেত্র। ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে শুরু হওয়া দাম্পত্য জীবনে এখন ২০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবি আর অমানুষিক নির্যাতনই চাঁদনীর নিত্যসঙ্গী।
২০২০ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের পর থেকেই নাজিম
উদ্দিনের সঙ্গে চাঁদনীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তারা বিবাহবন্ধনে
আবদ্ধ হন। তবে অভিযোগ রয়েছে, নাজিম উদ্দিন তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের তথ্য গোপন রেখে
চাঁদনীকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই খসে পড়তে থাকে নাজিম উদ্দিনের ছদ্মবেশ।
চাঁদনীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তার ওপর ২০ লাখ টাকা যৌতুকের
জন্য চাপ দিতে থাকেন নাজিম উদ্দিন। যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় গত ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে
তাকে অমানুষিক মারধর করা হয়। নির্যাতনের এক পর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক বিষ পান করিয়ে হত্যার
চেষ্টা চালানো হয়। চাঁদনীর আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এখানেই শেষ নয়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি পুনরায় লোহার রড দিয়ে চাঁদনীর
মাথায়, পিঠে ও কোমরের নিচে আঘাত করে জখম করা হয় বলে তিনি আদালতকে জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী এই নারী জানান, নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি চকবাজার
থানায় মামলা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহণ না করায় বাধ্য হয়ে
তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতের স্মরণাপন্ন হয়েছেন। বর্তমানে মামলা করায়
তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
একজন পেশাদার ফিজিওথেরাপিস্ট হয়েও আজ নিজের জীবনের নিরাপত্তা
নিয়ে শঙ্কিত চাঁদনী। তিনি বলেন: "আমি সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাই। ভবিষ্যতে আর
কোনো নারী যেন এমন প্রতারণা ও নির্যাতনের শিকার না হন, সেজন্য আমি নাজিম উদ্দিনের দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাই।"
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কাজী নাজিম উদ্দিন খাদেমের সাথে মুঠোফোনে
যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলাপ, তারপর দীর্ঘ ৫ বছরের প্রেম। সেই প্রেমের টানেই বয়সের ব্যবধান ভুলে ৫৮ বছর বয়সী কাজী নাজিম উদ্দীন খাদেমকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন ২৭ বছর বয়সী ফিজিওথেরাপিস্ট মোজায়না আক্তার চাঁদনী। কিন্তু বিয়ের মাত্র ছয় মাসের মাথায় সেই সাজানো সংসার এখন বিষাদময় রণক্ষেত্র। ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে শুরু হওয়া দাম্পত্য জীবনে এখন ২০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবি আর অমানুষিক নির্যাতনই চাঁদনীর নিত্যসঙ্গী।
২০২০ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের পর থেকেই নাজিম
উদ্দিনের সঙ্গে চাঁদনীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তারা বিবাহবন্ধনে
আবদ্ধ হন। তবে অভিযোগ রয়েছে, নাজিম উদ্দিন তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের তথ্য গোপন রেখে
চাঁদনীকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই খসে পড়তে থাকে নাজিম উদ্দিনের ছদ্মবেশ।
চাঁদনীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তার ওপর ২০ লাখ টাকা যৌতুকের
জন্য চাপ দিতে থাকেন নাজিম উদ্দিন। যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় গত ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে
তাকে অমানুষিক মারধর করা হয়। নির্যাতনের এক পর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক বিষ পান করিয়ে হত্যার
চেষ্টা চালানো হয়। চাঁদনীর আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এখানেই শেষ নয়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি পুনরায় লোহার রড দিয়ে চাঁদনীর
মাথায়, পিঠে ও কোমরের নিচে আঘাত করে জখম করা হয় বলে তিনি আদালতকে জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী এই নারী জানান, নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি চকবাজার
থানায় মামলা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহণ না করায় বাধ্য হয়ে
তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতের স্মরণাপন্ন হয়েছেন। বর্তমানে মামলা করায়
তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
একজন পেশাদার ফিজিওথেরাপিস্ট হয়েও আজ নিজের জীবনের নিরাপত্তা
নিয়ে শঙ্কিত চাঁদনী। তিনি বলেন: "আমি সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাই। ভবিষ্যতে আর
কোনো নারী যেন এমন প্রতারণা ও নির্যাতনের শিকার না হন, সেজন্য আমি নাজিম উদ্দিনের দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাই।"
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কাজী নাজিম উদ্দিন খাদেমের সাথে মুঠোফোনে
যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন