বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের এই সময়ে সাশ্রয়ী নীতি বজায় রাখতে এবার কঠোর অবস্থানে সরকার। এখন থেকে দোকানপাট ও শপিংমলের পাশাপাশি সব ধরনের মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিলবোর্ডের বাতিও রাত ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর
দেওয়া বিশেষ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মাঠ প্রশাসনকে এই
আদেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেশের সব
বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের
কাছে এ সংক্রান্ত একটি
চিঠি পাঠিয়ে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের
সঙ্গে বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সম্প্রতি
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা
অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায়
ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দোকানপাট খোলা রাখার সময়
নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী রাত ৭টা পর্যন্ত
সময়সীমা নির্ধারণ করে দেন। তবে
শুধু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানই নয়, এই নির্দেশনার
আওতায় আনা হয়েছে মেলা
ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোকেও। বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে আসা প্রস্তাবের
ভিত্তিতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই নির্দেশনা চূড়ান্ত
করেছে।
মাঠ
প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ
মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো
চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে,
বিদ্যুৎ বিভাগের অনুরোধ অনুযায়ী দেশের সর্বত্র শপিংমল, বিপণিবিতান ও দোকানপাট রাত
৭টার মধ্যে বন্ধ নিশ্চিত করতে
হবে। একই সঙ্গে বিলবোর্ডের
অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা এবং জনসমাগমপূর্ণ মেলার
বাতিও নির্ধারিত সময়ের পর জ্বালিয়ে রাখা
যাবে না।
প্রধানমন্ত্রী
নির্দেশ দিয়েছেন যেন এই সময়সীমা
দেশের প্রতিটি প্রান্তে যথাযথভাবে পালন করা হয়।
ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের
বলা হয়েছে, তারা যেন স্ব-স্ব এলাকায় এই
নির্দেশনা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় তদারকি
করেন। সরকারি এই সিদ্ধান্তের ফলে
সারা দেশে জ্বালানি ব্যবহারে
শৃঙ্খলা ফিরবে এবং বিদ্যুতের ওপর
চাপ কমবে বলে আশা
করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলকে এই আদেশ অবিলম্বে
কার্যকর করার জন্য বিশেষভাবে
অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের এই সময়ে সাশ্রয়ী নীতি বজায় রাখতে এবার কঠোর অবস্থানে সরকার। এখন থেকে দোকানপাট ও শপিংমলের পাশাপাশি সব ধরনের মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিলবোর্ডের বাতিও রাত ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর
দেওয়া বিশেষ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মাঠ প্রশাসনকে এই
আদেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেশের সব
বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের
কাছে এ সংক্রান্ত একটি
চিঠি পাঠিয়ে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের
সঙ্গে বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সম্প্রতি
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা
অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায়
ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দোকানপাট খোলা রাখার সময়
নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী রাত ৭টা পর্যন্ত
সময়সীমা নির্ধারণ করে দেন। তবে
শুধু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানই নয়, এই নির্দেশনার
আওতায় আনা হয়েছে মেলা
ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোকেও। বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে আসা প্রস্তাবের
ভিত্তিতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই নির্দেশনা চূড়ান্ত
করেছে।
মাঠ
প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ
মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো
চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে,
বিদ্যুৎ বিভাগের অনুরোধ অনুযায়ী দেশের সর্বত্র শপিংমল, বিপণিবিতান ও দোকানপাট রাত
৭টার মধ্যে বন্ধ নিশ্চিত করতে
হবে। একই সঙ্গে বিলবোর্ডের
অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা এবং জনসমাগমপূর্ণ মেলার
বাতিও নির্ধারিত সময়ের পর জ্বালিয়ে রাখা
যাবে না।
প্রধানমন্ত্রী
নির্দেশ দিয়েছেন যেন এই সময়সীমা
দেশের প্রতিটি প্রান্তে যথাযথভাবে পালন করা হয়।
ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের
বলা হয়েছে, তারা যেন স্ব-স্ব এলাকায় এই
নির্দেশনা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় তদারকি
করেন। সরকারি এই সিদ্ধান্তের ফলে
সারা দেশে জ্বালানি ব্যবহারে
শৃঙ্খলা ফিরবে এবং বিদ্যুতের ওপর
চাপ কমবে বলে আশা
করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলকে এই আদেশ অবিলম্বে
কার্যকর করার জন্য বিশেষভাবে
অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন