সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ভোগান্তিতে রোগীরা


প্রতিনিধি, গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ)
প্রতিনিধি, গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ)
প্রকাশ: ৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ভোগান্তিতে রোগীরা
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটক। ছবি : সংবাদ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটি বর্তমানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ তীব্র জনবল-সংকটে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর অভাবে হাসপাতালের স্বাভাবিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাজস্ব খাতভুক্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। এর মধ্যে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পাঁচটি পদের একটিতেও বর্তমানে কেউ কর্মরত নেই। এ ছাড়া দুটি আয়া পদের বিপরীতেও কোনো কর্মী নেই। অফিস সহায়ক পদের চারটির মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র দুজন। একইভাবে কুক-কাম-মশালচি পদের দুটির মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র একজন।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী না থাকায় হাসপাতালের ওয়ার্ড, টয়লেট ও আশপাশের পরিবেশ নোংরা হয়ে পড়েছে। অনেক সময় নিরুপায় হয়ে রোগীর স্বজনদেরই ওয়ার্ড পরিষ্কার করতে দেখা যায়। এতে হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা জাহানারা ও কামরুল ইসলাম বলেন, জনবল-সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় সেবা পেতে দেরি হয়। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতার অভাবে হাসপাতালে টেকা দায় হয়ে পড়েছে।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. শারমিন আহমেদ তিথি বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতার জন্য বর্তমানে এখানে কোনো লোকবল নেই। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শূন্য পদের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬


স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ভোগান্তিতে রোগীরা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটি বর্তমানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ তীব্র জনবল-সংকটে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর অভাবে হাসপাতালের স্বাভাবিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাজস্ব খাতভুক্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। এর মধ্যে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পাঁচটি পদের একটিতেও বর্তমানে কেউ কর্মরত নেই। এ ছাড়া দুটি আয়া পদের বিপরীতেও কোনো কর্মী নেই। অফিস সহায়ক পদের চারটির মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র দুজন। একইভাবে কুক-কাম-মশালচি পদের দুটির মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র একজন।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী না থাকায় হাসপাতালের ওয়ার্ড, টয়লেট ও আশপাশের পরিবেশ নোংরা হয়ে পড়েছে। অনেক সময় নিরুপায় হয়ে রোগীর স্বজনদেরই ওয়ার্ড পরিষ্কার করতে দেখা যায়। এতে হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা জাহানারা ও কামরুল ইসলাম বলেন, জনবল-সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় সেবা পেতে দেরি হয়। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতার অভাবে হাসপাতালে টেকা দায় হয়ে পড়েছে।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. শারমিন আহমেদ তিথি বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতার জন্য বর্তমানে এখানে কোনো লোকবল নেই। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শূন্য পদের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত