সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

গল্প / ঈদ সংখ্যা ২০২৬

মনের সাথে রাত বাড়ছিলো!


নাসরীন জাহান
নাসরীন জাহান
প্রকাশ: ৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৩ পিএম

মনের সাথে রাত বাড়ছিলো!
শিল্পী: সঞ্জয় দে রিপন

কঠিন শীতের রাত্রি।

ঘুম আসছে না।

আমার গরমে বেশি গরম লাগে, শীতে বেশি শীত। 

পাশে ঘুমিয়ে আছে স্বামী যেন বা তুষারের মতো আছড়ে পড়ছে কুয়াশা। কম্বলের ওম থেকে বেরোনো মুখ শীতে কাঁপছে।

ঘুমোচ্ছ?

পিরিং করে শব্দ হয়,

হায় হায়! আমি রিঙ্গার অফ করিনি?

ফোনের সুইচ অফ করে বাথরুমের দিকে ছুটে যাই চেয়ারের ওপর থেকে একটানে ওভারকোট নিয়ে। 

কমোডে বসে সুইচ অন করি।

দেখি, তোমার পাঠানো ভিডিও। কীভাবে অফিসে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বেরিয়ে শাবল টাইপের কিছু একটা দিয়ে গাড়ির ওপর স্তূপ হয়ে থাকা বরফ সরানোর চেষ্টা করছ।

উফ! কীভাবে থাকো তোমরা? অথচ এই দেশের শীতে তুমি কেমন কুঁকড়ে যেতে?

অভ্যাস মিলি,

সাথে সাথে যেন আমার ওপর থেকেও শীত সরে যায়। বলি, এসবেরও অভ্যাস হয়?

অভ্যাসের জন্যই মানুষজীবন টিকে আছে, আচ্ছা তোমার ওখানে এখন তো মধ্যরাত। কুকুর চিৎকার করছে না?

আমি বাইরের উদ্দেশ্যে কান বাড়িয়ে বলি,

তুমি মেসেঞ্জারের লেখার মধ্যে দিয়েও ওদের শব্দ শুনতে পাও?  

কাজ থামিয়ে তুমি বিষণ্ন হয়ে যাও, আসলে যখন দেশে থাকতাম, রাস্তার কুকুর বিড়ালের অবস্থা তাও মেনে নিতে পারতাম। দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে যখন দেশে যাই, তখন দেখি আমি একেবারেই নিতে পারি না, মনে হচ্ছিল, ডিপ্রেশনে চলে যাবো।

আমি যখন যেখানেই রাত কাটিয়েছি, এদের চিৎকার শুনেছি।

এই জন্যই বলছ, চিৎকার করছে কিনা? আসলে কি জানো ইকতিয়ার, মনে হচ্ছে, আমি আমার অভিজ্ঞতার কথা তোমাকে জানাই। যেমন একবার প্রচণ্ড শীতে আমি ওদের জন্য পুরোনো কম্বল নিয়ে গেছিলাম, এত কুকুর, তারা ঝগড়া করেই যাচ্ছে, রাস্তাজুড়ে সে কী  তীব্র ছোটাছুটি!

ফলে কম্বল ওদের মধ্যে ছেড়ে দিয়ে চলে আসি।

পরদিন সকালে দেখি, ওরা ঘুমিয়ে আছে। কম্বলটা নেই।

এইসব কষ্টেই দেশ ছেড়ে এসেছি।

তোমার এমন দীর্ঘশ্বাসের মধ্যে নুন ছুঁড়ে দিই, তুমি একটা অনেক ভালো চাকরি ছেড়ে আরও উন্নত অবস্থায় থাকার জন্য দেশ ছেড়েছ। আগরুম-বাগরুম অজুহাত দিয়ো না।

তুমি এই দেশে থাকলে তোমার এই প্রচণ্ড দরদ দিয়ে ওদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করতে। যাতে বৃষ্টিতে, শীতে ওদের কষ্ট না হয়। 

টাইপের মধ্যে ফের দীর্ঘশ্বাসের প্রচ্ছায়া, মিলি, তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গেছিলে।

আমি কী করতাম?

ওহ ইকতিয়ার, তুমি ভালো করে জানো, আমি না ছাড়লে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যেতে, তুমি আমাকে একেবারে টুঁ শব্দটি পর্যন্ত বুঝতে না দিয়ে কানাডায় যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিলে। আমি সেই পুরোনো প্রসঙ্গ নিয়ে আর একটা শব্দও বলতে চাই না।

দুজন চুপ।

আমি তোমাকে কোনোদিন ভুলতে পারিনি।

ফের শীত লাগছে। সাথে রাগে হিসহিস করছে শরীর। লিখি, তুমি দাম্পত্যে সুখী হওনি বলে আমাকে ভুলতে পারো না, অথবা এসব বলে আমার সাথে তোমার কথা চালিয়ে যেতে আনন্দ হয় খুব।

ফোনের সুইচ অফ করে বাথরুম সেরে বেরিয়ে আসি। ফের নিজেকে ঢুকিয়ে দিই ঠাণ্ডা কম্বলের মধ্যে।

নিজের পা একটু করে এগিয়ে দিতে থাকি, পাশের উষ্ণতার দিকে। 

কিন্তু মাথার মধ্যে চক্কর খাচ্ছে অনেক কিছু। মনে হচ্ছে, তাহলে আমি কেন ইকতিয়ারের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করেছি?

ভেতর থেকে একটা হিসহিস বোধ ধাক্কা দেয়, আমি আসলে জানতে চাইছিলাম ও কেমন আছে? আর ও যত নিজের বিপন্নতার কথা বলে, ততো আমার মধ্যে অদ্ভুত এক সুখ হয়।

একসময় এসব ভাবনা ছাপিয়ে আমি কুকুরের মধ্যে এসে আটকে যাই।

আমি এর আগেও এক নাতিশীতোষ্ণ রাতেও কুকুরদের চিৎকার শুনে নিচে গিয়ে গেটের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। যেহেতু রাস্তা ফাঁকা, ওরা পুরো পথটাকে নিজের আয়ত্বে পেয়ে যেন সারাদিনের হিসেব নিকেশ করতে থাকে। এইভাবে একজন আরেকজনকে কখনও আদরও  করে। দুজন দুজনকে হালকা কামড়ে কুণ্ডুলি পাকিয়ে ফের ছেড়ে দেয়।

রাতের পর রাত ইনসমিয়ায় আমি মোটামুটি ওদের ভাষা জানি। 

খুব বেশি শীত পড়লে ওদের শব্দের ভাষা বদলে যায়। হাউকাউ আর শোনা যায় না, মনে হয়, শিশুর মতো কেউ কাঁদছে।

সেটা সহ্য করা কঠিন। 

সেসব সময় তাদের কুণ্ডলী পাকানো শরীরে শীতে কাঁপতে কাঁপতে ঘরে জমিয়ে রাখা পুরোনো গরম কাপড় দিয়ে আসি।

ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি বউয়ের সাথে সেটেল্ড। কেবলমাত্র ইকতিয়ারের সাথে একদা প্রেম ছিলো বলে আমাকে বিয়ে করা মানুষটি আমাকে নিয়ে বছরের পর বছর কী পরিমাণ ছটফট করেছে, অসহায় হয়ে বলেছে, তোমাকে অন্য কেউ ভালোবেসেছে, স্পর্শ করেছে, এরচেয়েও বেশি, তুমি তাকে ভালোবেসে তাকে স্পর্শ করেছ, তার সাথে সংসার করতে চেয়েছ, এই ব্যাপারগুলি যখনই মনে পড়ে মিলি, আমি আর নিজের মধ্যে থাকি না। এইসব বোধ আমাকে যখন পাগল করে তুলতে থাকে, হাজার চাইলেও নিজেকে শান্ত করতে পারি না।

আমি তো কোনোদিন ভালোবাসাহীন একটা সংসার চাইনি।

অথচ, আমি তখনও  ইকতিয়ারকে ভালোবাসতাম। ভেতরের অনিরাপত্তার জন্য দিনরাত আমিও অসহায় অনিদ্রার রাত পার করেছি।

এখন আমার জীবনে ইকতিয়ারকে কেন্দ্র করে তেমন কোনো বোধ কাজ করে না।

আর স্বামী তার মারাত্মক ঈর্ষা দিয়ে আমাকে সারাজীবনের দূরত্ব উপহার দিয়েছে।

রাত বাড়ছে। 

আমার বুক হুহু করছে। মনে হচ্ছে, একটা জীবন শূন্যতার মধ্যে কাটিয়ে দিলাম?

বুক কেঁপে ওঠে। শুনি মানুষের মতো করুণ কণ্ঠে কোনো একটা কুকুর কাঁদছে।

ওদের হট্টগোল শেষ।

এই কান্না আমি চিনি।

প্রচণ্ড শীত নিশ্চিত ছোবল দিচ্ছে। 

বুক হুহু করতে থাকে। 

মনে হচ্ছে, কুকুরটার পাশে শুয়ে গলা ছেড়ে কাঁদি। 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬


মনের সাথে রাত বাড়ছিলো!

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কঠিন শীতের রাত্রি।

ঘুম আসছে না।

আমার গরমে বেশি গরম লাগে, শীতে বেশি শীত। 

পাশে ঘুমিয়ে আছে স্বামী যেন বা তুষারের মতো আছড়ে পড়ছে কুয়াশা। কম্বলের ওম থেকে বেরোনো মুখ শীতে কাঁপছে।

ঘুমোচ্ছ?

পিরিং করে শব্দ হয়,

হায় হায়! আমি রিঙ্গার অফ করিনি?

ফোনের সুইচ অফ করে বাথরুমের দিকে ছুটে যাই চেয়ারের ওপর থেকে একটানে ওভারকোট নিয়ে। 

কমোডে বসে সুইচ অন করি।

দেখি, তোমার পাঠানো ভিডিও। কীভাবে অফিসে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বেরিয়ে শাবল টাইপের কিছু একটা দিয়ে গাড়ির ওপর স্তূপ হয়ে থাকা বরফ সরানোর চেষ্টা করছ।

উফ! কীভাবে থাকো তোমরা? অথচ এই দেশের শীতে তুমি কেমন কুঁকড়ে যেতে?

অভ্যাস মিলি,

সাথে সাথে যেন আমার ওপর থেকেও শীত সরে যায়। বলি, এসবেরও অভ্যাস হয়?

অভ্যাসের জন্যই মানুষজীবন টিকে আছে, আচ্ছা তোমার ওখানে এখন তো মধ্যরাত। কুকুর চিৎকার করছে না?

আমি বাইরের উদ্দেশ্যে কান বাড়িয়ে বলি,

তুমি মেসেঞ্জারের লেখার মধ্যে দিয়েও ওদের শব্দ শুনতে পাও?  

কাজ থামিয়ে তুমি বিষণ্ন হয়ে যাও, আসলে যখন দেশে থাকতাম, রাস্তার কুকুর বিড়ালের অবস্থা তাও মেনে নিতে পারতাম। দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে যখন দেশে যাই, তখন দেখি আমি একেবারেই নিতে পারি না, মনে হচ্ছিল, ডিপ্রেশনে চলে যাবো।

আমি যখন যেখানেই রাত কাটিয়েছি, এদের চিৎকার শুনেছি।

এই জন্যই বলছ, চিৎকার করছে কিনা? আসলে কি জানো ইকতিয়ার, মনে হচ্ছে, আমি আমার অভিজ্ঞতার কথা তোমাকে জানাই। যেমন একবার প্রচণ্ড শীতে আমি ওদের জন্য পুরোনো কম্বল নিয়ে গেছিলাম, এত কুকুর, তারা ঝগড়া করেই যাচ্ছে, রাস্তাজুড়ে সে কী  তীব্র ছোটাছুটি!

ফলে কম্বল ওদের মধ্যে ছেড়ে দিয়ে চলে আসি।

পরদিন সকালে দেখি, ওরা ঘুমিয়ে আছে। কম্বলটা নেই।

এইসব কষ্টেই দেশ ছেড়ে এসেছি।

তোমার এমন দীর্ঘশ্বাসের মধ্যে নুন ছুঁড়ে দিই, তুমি একটা অনেক ভালো চাকরি ছেড়ে আরও উন্নত অবস্থায় থাকার জন্য দেশ ছেড়েছ। আগরুম-বাগরুম অজুহাত দিয়ো না।

তুমি এই দেশে থাকলে তোমার এই প্রচণ্ড দরদ দিয়ে ওদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করতে। যাতে বৃষ্টিতে, শীতে ওদের কষ্ট না হয়। 

টাইপের মধ্যে ফের দীর্ঘশ্বাসের প্রচ্ছায়া, মিলি, তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গেছিলে।

আমি কী করতাম?

ওহ ইকতিয়ার, তুমি ভালো করে জানো, আমি না ছাড়লে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যেতে, তুমি আমাকে একেবারে টুঁ শব্দটি পর্যন্ত বুঝতে না দিয়ে কানাডায় যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিলে। আমি সেই পুরোনো প্রসঙ্গ নিয়ে আর একটা শব্দও বলতে চাই না।

দুজন চুপ।

আমি তোমাকে কোনোদিন ভুলতে পারিনি।

ফের শীত লাগছে। সাথে রাগে হিসহিস করছে শরীর। লিখি, তুমি দাম্পত্যে সুখী হওনি বলে আমাকে ভুলতে পারো না, অথবা এসব বলে আমার সাথে তোমার কথা চালিয়ে যেতে আনন্দ হয় খুব।

ফোনের সুইচ অফ করে বাথরুম সেরে বেরিয়ে আসি। ফের নিজেকে ঢুকিয়ে দিই ঠাণ্ডা কম্বলের মধ্যে।

নিজের পা একটু করে এগিয়ে দিতে থাকি, পাশের উষ্ণতার দিকে। 

কিন্তু মাথার মধ্যে চক্কর খাচ্ছে অনেক কিছু। মনে হচ্ছে, তাহলে আমি কেন ইকতিয়ারের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করেছি?

ভেতর থেকে একটা হিসহিস বোধ ধাক্কা দেয়, আমি আসলে জানতে চাইছিলাম ও কেমন আছে? আর ও যত নিজের বিপন্নতার কথা বলে, ততো আমার মধ্যে অদ্ভুত এক সুখ হয়।

একসময় এসব ভাবনা ছাপিয়ে আমি কুকুরের মধ্যে এসে আটকে যাই।

আমি এর আগেও এক নাতিশীতোষ্ণ রাতেও কুকুরদের চিৎকার শুনে নিচে গিয়ে গেটের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। যেহেতু রাস্তা ফাঁকা, ওরা পুরো পথটাকে নিজের আয়ত্বে পেয়ে যেন সারাদিনের হিসেব নিকেশ করতে থাকে। এইভাবে একজন আরেকজনকে কখনও আদরও  করে। দুজন দুজনকে হালকা কামড়ে কুণ্ডুলি পাকিয়ে ফের ছেড়ে দেয়।

রাতের পর রাত ইনসমিয়ায় আমি মোটামুটি ওদের ভাষা জানি। 

খুব বেশি শীত পড়লে ওদের শব্দের ভাষা বদলে যায়। হাউকাউ আর শোনা যায় না, মনে হয়, শিশুর মতো কেউ কাঁদছে।

সেটা সহ্য করা কঠিন। 

সেসব সময় তাদের কুণ্ডলী পাকানো শরীরে শীতে কাঁপতে কাঁপতে ঘরে জমিয়ে রাখা পুরোনো গরম কাপড় দিয়ে আসি।

ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি বউয়ের সাথে সেটেল্ড। কেবলমাত্র ইকতিয়ারের সাথে একদা প্রেম ছিলো বলে আমাকে বিয়ে করা মানুষটি আমাকে নিয়ে বছরের পর বছর কী পরিমাণ ছটফট করেছে, অসহায় হয়ে বলেছে, তোমাকে অন্য কেউ ভালোবেসেছে, স্পর্শ করেছে, এরচেয়েও বেশি, তুমি তাকে ভালোবেসে তাকে স্পর্শ করেছ, তার সাথে সংসার করতে চেয়েছ, এই ব্যাপারগুলি যখনই মনে পড়ে মিলি, আমি আর নিজের মধ্যে থাকি না। এইসব বোধ আমাকে যখন পাগল করে তুলতে থাকে, হাজার চাইলেও নিজেকে শান্ত করতে পারি না।

আমি তো কোনোদিন ভালোবাসাহীন একটা সংসার চাইনি।

অথচ, আমি তখনও  ইকতিয়ারকে ভালোবাসতাম। ভেতরের অনিরাপত্তার জন্য দিনরাত আমিও অসহায় অনিদ্রার রাত পার করেছি।

এখন আমার জীবনে ইকতিয়ারকে কেন্দ্র করে তেমন কোনো বোধ কাজ করে না।

আর স্বামী তার মারাত্মক ঈর্ষা দিয়ে আমাকে সারাজীবনের দূরত্ব উপহার দিয়েছে।

রাত বাড়ছে। 

আমার বুক হুহু করছে। মনে হচ্ছে, একটা জীবন শূন্যতার মধ্যে কাটিয়ে দিলাম?

বুক কেঁপে ওঠে। শুনি মানুষের মতো করুণ কণ্ঠে কোনো একটা কুকুর কাঁদছে।

ওদের হট্টগোল শেষ।

এই কান্না আমি চিনি।

প্রচণ্ড শীত নিশ্চিত ছোবল দিচ্ছে। 

বুক হুহু করতে থাকে। 

মনে হচ্ছে, কুকুরটার পাশে শুয়ে গলা ছেড়ে কাঁদি। 


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত