অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি
বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির লাগাম
টানতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর এবং এ ক্ষেত্রে
কাউকে ছাড় দেওয়া হবে
না।
মঙ্গলবার
সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন
কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এ সব কথা বলেন।
একই সঙ্গে তিনি নীতি ও
কৌশল এবং সংস্কৃতি বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করছেন।
দুর্নীতি
দমনে জিরো টলারেন্স
সংবাদ
সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করা
হলে উপদেষ্টা বলেন, “নিশ্চয়ই তদন্ত করা হবে। আপনারা
জানেন, দুর্নীতি দমন কমিশন এখনো
পুনর্গঠিত হয়নি। কমিশন পুনর্গঠিত হলে এসব কাজ
তাদের মাধ্যমেই শুরু হবে। দুর্নীতি
মানেই কে করেছে, শুধু
সেই বিষয় নয়; এই
সরকারের সময়েও এ ধরনের কোনো
ঘটনা ঘটছে কি না,
সেটিও দেখা হবে।”
তিনি
আরও যোগ করেন, সরকারের
ভেতরে কোনো ধরনের অনিয়ম
হচ্ছে কি না, সে
বিষয়েও তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে।
অটোরিকশা
ও সড়ক নিরাপত্তা
ব্যাটারিচালিত
অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ
খরচ নিয়ে এক প্রশ্নের
জবাবে জাহেদ উর রহমান জানান,
অটোরিকশা অবশ্যই একটি নিয়মের মধ্যে
আনতে হবে। এটি কেবল
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয় নয়, বরং
এর সাথে জননিরাপত্তা ও
সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
তিনি
বলেন, “অনেক চালক প্রশিক্ষিত
নন এবং অনেক যানবাহন
প্রযুক্তিগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ। আগে এসব যান
মূলত অলিগলিতে চলাচল করলেও সাম্প্রতিক সময়ে প্রধান সড়কেও
চলাচল করছে, যা ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
অনিয়মিত ও অনুপযুক্ত চালক
এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এভাবে চলতে পারে না।”
বিষয়টি
অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে
সরকার কাজ করছে বলে
তিনি আশ্বস্ত করেন।
ব্যাংক
খাতের সংস্কার ও খেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
দেশের
ব্যাংকিং খাতের নাজুক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে
গিয়ে উপদেষ্টা জানান, বিগত সরকারের আমলে
এই খাতটি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছে। তবে
এটি পুনর্গঠনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু
হয়েছে।
দ্রুত
পরিবর্তনের প্রত্যাশা থাকলেও তিনি সতর্ক করে
বলেন, “ব্যাংকিং খাত অত্যন্ত সংবেদনশীল।
হঠাৎ বড় পরিবর্তন আস্থার
সংকট তৈরি করতে পারে,
যা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ধীরে ও
পরিকল্পিতভাবে সংস্কার করা হচ্ছে।”
ইচ্ছাকৃত
ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার
ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন,
যারা শুরু থেকেই ঋণ
পরিশোধের ইচ্ছা রাখে না, তাদের
বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অর্থনীতির
পুনরুজ্জীবন ও রাজস্ব আয়
বাড়াতে এ সব পদক্ষেপ জরুরি
বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি
বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির লাগাম
টানতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর এবং এ ক্ষেত্রে
কাউকে ছাড় দেওয়া হবে
না।
মঙ্গলবার
সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন
কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এ সব কথা বলেন।
একই সঙ্গে তিনি নীতি ও
কৌশল এবং সংস্কৃতি বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করছেন।
দুর্নীতি
দমনে জিরো টলারেন্স
সংবাদ
সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করা
হলে উপদেষ্টা বলেন, “নিশ্চয়ই তদন্ত করা হবে। আপনারা
জানেন, দুর্নীতি দমন কমিশন এখনো
পুনর্গঠিত হয়নি। কমিশন পুনর্গঠিত হলে এসব কাজ
তাদের মাধ্যমেই শুরু হবে। দুর্নীতি
মানেই কে করেছে, শুধু
সেই বিষয় নয়; এই
সরকারের সময়েও এ ধরনের কোনো
ঘটনা ঘটছে কি না,
সেটিও দেখা হবে।”
তিনি
আরও যোগ করেন, সরকারের
ভেতরে কোনো ধরনের অনিয়ম
হচ্ছে কি না, সে
বিষয়েও তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে।
অটোরিকশা
ও সড়ক নিরাপত্তা
ব্যাটারিচালিত
অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ
খরচ নিয়ে এক প্রশ্নের
জবাবে জাহেদ উর রহমান জানান,
অটোরিকশা অবশ্যই একটি নিয়মের মধ্যে
আনতে হবে। এটি কেবল
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয় নয়, বরং
এর সাথে জননিরাপত্তা ও
সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
তিনি
বলেন, “অনেক চালক প্রশিক্ষিত
নন এবং অনেক যানবাহন
প্রযুক্তিগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ। আগে এসব যান
মূলত অলিগলিতে চলাচল করলেও সাম্প্রতিক সময়ে প্রধান সড়কেও
চলাচল করছে, যা ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
অনিয়মিত ও অনুপযুক্ত চালক
এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এভাবে চলতে পারে না।”
বিষয়টি
অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে
সরকার কাজ করছে বলে
তিনি আশ্বস্ত করেন।
ব্যাংক
খাতের সংস্কার ও খেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
দেশের
ব্যাংকিং খাতের নাজুক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে
গিয়ে উপদেষ্টা জানান, বিগত সরকারের আমলে
এই খাতটি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছে। তবে
এটি পুনর্গঠনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু
হয়েছে।
দ্রুত
পরিবর্তনের প্রত্যাশা থাকলেও তিনি সতর্ক করে
বলেন, “ব্যাংকিং খাত অত্যন্ত সংবেদনশীল।
হঠাৎ বড় পরিবর্তন আস্থার
সংকট তৈরি করতে পারে,
যা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ধীরে ও
পরিকল্পিতভাবে সংস্কার করা হচ্ছে।”
ইচ্ছাকৃত
ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার
ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন,
যারা শুরু থেকেই ঋণ
পরিশোধের ইচ্ছা রাখে না, তাদের
বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অর্থনীতির
পুনরুজ্জীবন ও রাজস্ব আয়
বাড়াতে এ সব পদক্ষেপ জরুরি
বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন