চলতি
বছরের পবিত্র হজ পালনের লক্ষ্যে
প্রথম হজ ফ্লাইট আগামী
১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হতে
যাচ্ছে।
মঙ্গলবার
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য নিশ্চিত
করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল
হোসাইন কায়কোবাদ। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সৌদি আরব ও
বাংলাদেশ অংশের যাবতীয় প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলেও সংসদকে জানান
তিনি।
এদিন
সংসদের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ
সদস্য লুৎফুর রহমান বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে হজের
খরচ কমানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে কি না, তা
জানতে চেয়ে একটি লিখিত
প্রশ্ন উত্থাপন করেন। সেই প্রশ্নের জবাবে
মন্ত্রী বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ২০২৬ সালের হজ
প্যাকেজ ঘোষণার মাধ্যমে হজের সব কার্যক্রম
এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে সৌদি আরবে
আবাসন ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন
খাতের খরচ নির্ধারিত সময়ের
মধ্যেই পরিশোধ করা হয়েছে।
সৌদি
আরবের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা বা 'টাইম লাইন'
অনুযায়ী ভিসা ইস্যুসহ আনুষঙ্গিক
সব আইনি ও দাপ্তরিক
প্রক্রিয়াও সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।
মন্ত্রী
স্পষ্ট করে বলেন, "আগামী
১৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট
শুরু হবে।" এর ফলে হজযাত্রীদের
যাত্রাপথে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা
বা বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে তিনি
আশ্বস্ত করেন।
হজের
খরচ কমানোর বিষয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী
বলেন, "হজ ২০২৭ এর
প্যাকেজ প্রণয়ন ও ঘোষণার সময়
হজযাত্রীর সুযোগ-সুবিধা ও চাহিদার ভিত্তিতে
সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে হজ প্যাকেজের
ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।"
সরকার
সাধারণ মানুষের জন্য পবিত্র হজ
পালন আরও সহজ ও
সাশ্রয়ী করতে আন্তরিকভাবে কাজ
করছে বলেও তিনি তার
বক্তব্যে উল্লেখ করেন। মূলত বৈশ্বিক পরিস্থিতি
এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন
সেবার মূল্য হ্রাসের সম্ভাবনা যাচাই করে পরবর্তী বছরগুলোতে
এর সুফল হজযাত্রীদের দেওয়ার
চেষ্টা করা হবে বলে
ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
চলতি
বছরের পবিত্র হজ পালনের লক্ষ্যে
প্রথম হজ ফ্লাইট আগামী
১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হতে
যাচ্ছে।
মঙ্গলবার
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য নিশ্চিত
করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল
হোসাইন কায়কোবাদ। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সৌদি আরব ও
বাংলাদেশ অংশের যাবতীয় প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলেও সংসদকে জানান
তিনি।
এদিন
সংসদের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ
সদস্য লুৎফুর রহমান বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে হজের
খরচ কমানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে কি না, তা
জানতে চেয়ে একটি লিখিত
প্রশ্ন উত্থাপন করেন। সেই প্রশ্নের জবাবে
মন্ত্রী বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ২০২৬ সালের হজ
প্যাকেজ ঘোষণার মাধ্যমে হজের সব কার্যক্রম
এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে সৌদি আরবে
আবাসন ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন
খাতের খরচ নির্ধারিত সময়ের
মধ্যেই পরিশোধ করা হয়েছে।
সৌদি
আরবের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা বা 'টাইম লাইন'
অনুযায়ী ভিসা ইস্যুসহ আনুষঙ্গিক
সব আইনি ও দাপ্তরিক
প্রক্রিয়াও সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।
মন্ত্রী
স্পষ্ট করে বলেন, "আগামী
১৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট
শুরু হবে।" এর ফলে হজযাত্রীদের
যাত্রাপথে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা
বা বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে তিনি
আশ্বস্ত করেন।
হজের
খরচ কমানোর বিষয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী
বলেন, "হজ ২০২৭ এর
প্যাকেজ প্রণয়ন ও ঘোষণার সময়
হজযাত্রীর সুযোগ-সুবিধা ও চাহিদার ভিত্তিতে
সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে হজ প্যাকেজের
ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।"
সরকার
সাধারণ মানুষের জন্য পবিত্র হজ
পালন আরও সহজ ও
সাশ্রয়ী করতে আন্তরিকভাবে কাজ
করছে বলেও তিনি তার
বক্তব্যে উল্লেখ করেন। মূলত বৈশ্বিক পরিস্থিতি
এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন
সেবার মূল্য হ্রাসের সম্ভাবনা যাচাই করে পরবর্তী বছরগুলোতে
এর সুফল হজযাত্রীদের দেওয়ার
চেষ্টা করা হবে বলে
ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন