রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে কাটছেই না হামের আতঙ্ক। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তির সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার চেয়ে নতুন আক্রান্তের হার বেশি হওয়ায় হাসপাতালগুলোতে এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। বিশেষ করে শ্যামলী শিশু হাসপাতালসহ বিশেষায়িত কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই দেখা গেছে সিট সংকটে ভোগান্তির তীব্র চিত্র।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় বিপাকে পড়ছেন
অভিভাবকরা। এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে আদরের সন্তানকে নিয়ে হন্যে হয়ে ছুটছেন
তারা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া সকলেই হামে আক্রান্ত না হলেও নিবিড়
পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন পড়ছে অনেকেরই।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের স্বজনরা জানান, শুরুতে সাধারণ
জ্বর, সর্দি কিংবা ডায়রিয়া মনে হলেও চার থেকে পাঁচ দিন পর শরীরে হামের স্পষ্ট লক্ষণ
দেখা দিচ্ছে। সচেতনতার অভাবে অনেকেই আক্রান্তের বিষয়টি বুঝতে দেরি করে ফেলছেন। সবচেয়ে
আশঙ্কার বিষয় হলো, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই স্থানীয় ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাওয়ানোর
ফলে অনেক শিশুর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, হাম মোকাবিলায় দ্রুত শনাক্তকরণই
প্রধান হাতিয়ার। শিশু অসুস্থ হওয়ার এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার
পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। সামান্য অবহেলা বা ভুল চিকিৎসায় শিশুর বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি
তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা।
হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে জোর তৎপরতা চালানো
হচ্ছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি জেলায় শুরু হওয়া টিকাদান কার্যক্রমের প্রথম দিনেই
৯৬ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ বড়
সিটি কর্পোরেশনগুলোতেও বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউনিসেফের মাধ্যমে সংগৃহীত
এই টিকা কার্যক্রম সারা দেশে সফলভাবে পরিচালনা করতে তারা বদ্ধপরিকর।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে কাটছেই না হামের আতঙ্ক। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তির সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার চেয়ে নতুন আক্রান্তের হার বেশি হওয়ায় হাসপাতালগুলোতে এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। বিশেষ করে শ্যামলী শিশু হাসপাতালসহ বিশেষায়িত কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই দেখা গেছে সিট সংকটে ভোগান্তির তীব্র চিত্র।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় বিপাকে পড়ছেন
অভিভাবকরা। এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে আদরের সন্তানকে নিয়ে হন্যে হয়ে ছুটছেন
তারা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া সকলেই হামে আক্রান্ত না হলেও নিবিড়
পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন পড়ছে অনেকেরই।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের স্বজনরা জানান, শুরুতে সাধারণ
জ্বর, সর্দি কিংবা ডায়রিয়া মনে হলেও চার থেকে পাঁচ দিন পর শরীরে হামের স্পষ্ট লক্ষণ
দেখা দিচ্ছে। সচেতনতার অভাবে অনেকেই আক্রান্তের বিষয়টি বুঝতে দেরি করে ফেলছেন। সবচেয়ে
আশঙ্কার বিষয় হলো, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই স্থানীয় ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাওয়ানোর
ফলে অনেক শিশুর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, হাম মোকাবিলায় দ্রুত শনাক্তকরণই
প্রধান হাতিয়ার। শিশু অসুস্থ হওয়ার এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার
পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। সামান্য অবহেলা বা ভুল চিকিৎসায় শিশুর বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি
তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা।
হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে জোর তৎপরতা চালানো
হচ্ছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি জেলায় শুরু হওয়া টিকাদান কার্যক্রমের প্রথম দিনেই
৯৬ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ বড়
সিটি কর্পোরেশনগুলোতেও বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউনিসেফের মাধ্যমে সংগৃহীত
এই টিকা কার্যক্রম সারা দেশে সফলভাবে পরিচালনা করতে তারা বদ্ধপরিকর।

আপনার মতামত লিখুন