জাতীয় পর্যায়ে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদানের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ৯ এপ্রিলের পরিবর্তে এই পুরস্কার আগামী ১৬ এপ্রিল প্রদান করা হবে।
রাষ্ট্রীয়
এই অনুষ্ঠানটির সময়সূচি এক সপ্তাহ পিছিয়ে
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) একটি
জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিতে
জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সবার
অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে
যে, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানটি অনিবার্য কারণবশত ৯ এপ্রিলের পরিবর্তে
আগামী ১৬ এপ্রিল বিকেল
৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে সময়সূচি পরিবর্তনের পাশাপাশি উপস্থিতির বিষয়ে আরও জানানো হয়
যে, অনুষ্ঠানের পুনর্নির্ধারিত তারিখের জন্য নতুন করে
কোনো আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে না। অর্থাৎ,
৯ এপ্রিলের অনুষ্ঠানের জন্য যে আমন্ত্রণপত্র
ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে, তা
দেখিয়েই আমন্ত্রিত অতিথিরা আগামী ১৬ এপ্রিলের অনুষ্ঠানে
অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
এর আগে,
জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের
স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ২০
জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই
সর্বোচ্চ সম্মাননার জন্য মনোনীত করা
হয়েছে।
তালিকায়
রয়েছেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর), বরেণ্য সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ (মরণোত্তর)
এবং জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেতসহ দেশের আরও অনেক কৃতি
সন্তান ও প্রতিষ্ঠান। গত
৫ মার্চ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা
পুরস্কারপ্রাপ্তদের এই তালিকাটি চূড়ান্ত
করা হয়।
সাধারণত
প্রতি বছর ২৬ মার্চ
স্বাধীনতা দিবসে এই পুরস্কার প্রদান
করা হলেও এবার বিশেষ
পরিস্থিতিতে ভিন্ন তারিখে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হতে যাচ্ছে। এখন
পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী ১৬
এপ্রিল বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিজয়ীদের হাতে এই সম্মাননা
তুলে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় পর্যায়ে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদানের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ৯ এপ্রিলের পরিবর্তে এই পুরস্কার আগামী ১৬ এপ্রিল প্রদান করা হবে।
রাষ্ট্রীয়
এই অনুষ্ঠানটির সময়সূচি এক সপ্তাহ পিছিয়ে
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) একটি
জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিতে
জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সবার
অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে
যে, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানটি অনিবার্য কারণবশত ৯ এপ্রিলের পরিবর্তে
আগামী ১৬ এপ্রিল বিকেল
৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে সময়সূচি পরিবর্তনের পাশাপাশি উপস্থিতির বিষয়ে আরও জানানো হয়
যে, অনুষ্ঠানের পুনর্নির্ধারিত তারিখের জন্য নতুন করে
কোনো আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে না। অর্থাৎ,
৯ এপ্রিলের অনুষ্ঠানের জন্য যে আমন্ত্রণপত্র
ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে, তা
দেখিয়েই আমন্ত্রিত অতিথিরা আগামী ১৬ এপ্রিলের অনুষ্ঠানে
অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
এর আগে,
জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের
স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ২০
জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই
সর্বোচ্চ সম্মাননার জন্য মনোনীত করা
হয়েছে।
তালিকায়
রয়েছেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর), বরেণ্য সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ (মরণোত্তর)
এবং জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেতসহ দেশের আরও অনেক কৃতি
সন্তান ও প্রতিষ্ঠান। গত
৫ মার্চ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা
পুরস্কারপ্রাপ্তদের এই তালিকাটি চূড়ান্ত
করা হয়।
সাধারণত
প্রতি বছর ২৬ মার্চ
স্বাধীনতা দিবসে এই পুরস্কার প্রদান
করা হলেও এবার বিশেষ
পরিস্থিতিতে ভিন্ন তারিখে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হতে যাচ্ছে। এখন
পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী ১৬
এপ্রিল বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিজয়ীদের হাতে এই সম্মাননা
তুলে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন