সুপ্রিম
কোর্টের জন্য একটি পৃথক
ও স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত
নিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস
কাজল বুধবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের
সঙ্গে আলাপকালে এই সিদ্ধান্তের কথা
নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হাইকোর্টের
রায়ে সাংবিধানিক ব্যাখ্যার বিষয় জড়িত থাকায়
এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
অ্যাটর্নি
জেনারেল বলেন, “হাইকোর্ট যখন কোনো মামলা
নিষ্পত্তি করেন এবং সে
নিষ্পত্তির পরও যদি সাংবিধানিক
প্রশ্ন জড়িত থাকে সেক্ষেত্রে
হাইকোর্ট সার্টিফিকেট দেন। এই রায়ের
মধ্যে হাইকোর্ট নিজেই বলেছেন সাংবিধানিক প্রশ্ন ও ব্যাখ্যা জড়িত।
যেহেতু হাইকোর্ট রায়ে এই সার্টিফিকেট
দিয়েছেন তাই আমরা এটা
সরাসরি আপিল করবো। যত
দ্রুত সম্ভব আমরা সুপ্রিম কোর্টের
আপিল বিভাগে হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে
আপিল করবো।”
সচিবালয়
প্রতিষ্ঠার রায়টি এখনই কার্যকর হচ্ছে
কি না এমন প্রশ্নের
জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল স্পষ্ট করেন, সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত বিবেচনার পরেই এই রায়ের
কার্যকারিতা নির্ধারিত হবে। তিনি উল্লেখ
করেন, “এখানে আরেকটা বিষয় জরুরি সেটা
হচ্ছে, যেহেতু হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের চূড়ান্ত
নিষ্পত্তি হবে সুপ্রিম কোর্টের
আপিল বিভাগে। সেহেতু আমাদের অভিমত হচ্ছে হাইকোর্টের এই রায়ের কার্যকারিতাটা
এখন থেকেই আসছে না। এরই
মধ্যেই সরকারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা
এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ থাকবেন
বলে আমরা জানতে পেরেছি।”
উল্লেখ্য,
সুপ্রিম কোর্টের সাতজন আইনজীবীর দায়ের করা একটি রিট
আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের
২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ
এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন।
রায়ে বর্তমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের
সঙ্গে সাংঘর্ষিক আখ্যা দিয়ে বাতিল করা
হয় এবং ১৯৭২ সালের
মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের
আদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে
তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য আলাদা সচিবালয়
গঠনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। ১৮৫
পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি গত ৭ এপ্রিল
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হওয়ার পর রাষ্ট্রপক্ষ তাদের
পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের কথা
জানালো।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
সুপ্রিম
কোর্টের জন্য একটি পৃথক
ও স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত
নিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস
কাজল বুধবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের
সঙ্গে আলাপকালে এই সিদ্ধান্তের কথা
নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হাইকোর্টের
রায়ে সাংবিধানিক ব্যাখ্যার বিষয় জড়িত থাকায়
এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
অ্যাটর্নি
জেনারেল বলেন, “হাইকোর্ট যখন কোনো মামলা
নিষ্পত্তি করেন এবং সে
নিষ্পত্তির পরও যদি সাংবিধানিক
প্রশ্ন জড়িত থাকে সেক্ষেত্রে
হাইকোর্ট সার্টিফিকেট দেন। এই রায়ের
মধ্যে হাইকোর্ট নিজেই বলেছেন সাংবিধানিক প্রশ্ন ও ব্যাখ্যা জড়িত।
যেহেতু হাইকোর্ট রায়ে এই সার্টিফিকেট
দিয়েছেন তাই আমরা এটা
সরাসরি আপিল করবো। যত
দ্রুত সম্ভব আমরা সুপ্রিম কোর্টের
আপিল বিভাগে হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে
আপিল করবো।”
সচিবালয়
প্রতিষ্ঠার রায়টি এখনই কার্যকর হচ্ছে
কি না এমন প্রশ্নের
জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল স্পষ্ট করেন, সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত বিবেচনার পরেই এই রায়ের
কার্যকারিতা নির্ধারিত হবে। তিনি উল্লেখ
করেন, “এখানে আরেকটা বিষয় জরুরি সেটা
হচ্ছে, যেহেতু হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের চূড়ান্ত
নিষ্পত্তি হবে সুপ্রিম কোর্টের
আপিল বিভাগে। সেহেতু আমাদের অভিমত হচ্ছে হাইকোর্টের এই রায়ের কার্যকারিতাটা
এখন থেকেই আসছে না। এরই
মধ্যেই সরকারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা
এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ থাকবেন
বলে আমরা জানতে পেরেছি।”
উল্লেখ্য,
সুপ্রিম কোর্টের সাতজন আইনজীবীর দায়ের করা একটি রিট
আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের
২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ
এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন।
রায়ে বর্তমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের
সঙ্গে সাংঘর্ষিক আখ্যা দিয়ে বাতিল করা
হয় এবং ১৯৭২ সালের
মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের
আদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে
তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য আলাদা সচিবালয়
গঠনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। ১৮৫
পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি গত ৭ এপ্রিল
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হওয়ার পর রাষ্ট্রপক্ষ তাদের
পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের কথা
জানালো।

আপনার মতামত লিখুন