রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সরকারি দল কেন ধন্যবাদ দিলো, সংসদে এ প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দল।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বলেছেন, যে রাষ্ট্রপতি সব অন্যায়ের প্রশ্নে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন, তাকে ধন্যবাদ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন ভাষণ দেন রাষ্ট্রপ্রতি মো. সাহাবুদ্দিন। সেদিন ভাষণ চলাকলে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষে তুমুল হৈচৈ শুরু করেন। বাধ্য হয়ে কিছুক্ষণ ভাষণ থামাতে হয় রাষ্ট্রপতিকে। এক পর্যায়ে বিরোধী দলের সদস্যরা ওয়াকআউট করেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সরকারি ও বিরোধী দলের ১৬ জন সদস্য অংশ নেন। এ আলোচনা পর্বটি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
নেত্রকোনা-২ আসনের সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলাম বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেন, সংসদে (ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুর দিনের ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে) জাতীয় সংগীতের প্রতি বিরোধী দলের অবহেলা কষ্ট দিয়েছে। রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে ভাষণের সময় ওয়াকআউট করা তাদের দ্বিচারিতা।
চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য জামায়াতে ইসলামীর জহিরুল ইসলাম বলেন, “একটি রাষ্ট্রের সম্মানিত রাষ্ট্রপতিকে দৃঢ় মনোবলের অধিকারী হতে হয় এবং সত্যিকারের একটি নীতির অনুসারী হতে হয়। ওনার (রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন) রাজনৈতিক জীবনে আমি সেটি দেখতে পাইনি। তিনি কিছুদিন ফ্যাসিস্টের পক্ষে নেতৃত্ব দেন, কিছুদিন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সহাবস্থানে। বিভিন্ন মতাবলম্বী হওয়ায় ওনাকে ধন্যবাদ দিতে না পারায় আমি দুঃখিত।’
নীলফামারী-২ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য আল ফারুক আবদুল লতিফ বলেন, যে রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদী শাসনের যাবতীয় অন্যায়, গুম-খুনকে মেনে নিয়ে, রাষ্ট্রের প্রধান হয়েও সব অন্যায়ের প্রশ্নে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন, সেই রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সরকারি দল কেন ধন্যবাদ দিলো, সংসদে এ প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দল।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বলেছেন, যে রাষ্ট্রপতি সব অন্যায়ের প্রশ্নে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন, তাকে ধন্যবাদ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন ভাষণ দেন রাষ্ট্রপ্রতি মো. সাহাবুদ্দিন। সেদিন ভাষণ চলাকলে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষে তুমুল হৈচৈ শুরু করেন। বাধ্য হয়ে কিছুক্ষণ ভাষণ থামাতে হয় রাষ্ট্রপতিকে। এক পর্যায়ে বিরোধী দলের সদস্যরা ওয়াকআউট করেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সরকারি ও বিরোধী দলের ১৬ জন সদস্য অংশ নেন। এ আলোচনা পর্বটি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
নেত্রকোনা-২ আসনের সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলাম বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেন, সংসদে (ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুর দিনের ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে) জাতীয় সংগীতের প্রতি বিরোধী দলের অবহেলা কষ্ট দিয়েছে। রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে ভাষণের সময় ওয়াকআউট করা তাদের দ্বিচারিতা।
চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য জামায়াতে ইসলামীর জহিরুল ইসলাম বলেন, “একটি রাষ্ট্রের সম্মানিত রাষ্ট্রপতিকে দৃঢ় মনোবলের অধিকারী হতে হয় এবং সত্যিকারের একটি নীতির অনুসারী হতে হয়। ওনার (রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন) রাজনৈতিক জীবনে আমি সেটি দেখতে পাইনি। তিনি কিছুদিন ফ্যাসিস্টের পক্ষে নেতৃত্ব দেন, কিছুদিন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সহাবস্থানে। বিভিন্ন মতাবলম্বী হওয়ায় ওনাকে ধন্যবাদ দিতে না পারায় আমি দুঃখিত।’
নীলফামারী-২ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য আল ফারুক আবদুল লতিফ বলেন, যে রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদী শাসনের যাবতীয় অন্যায়, গুম-খুনকে মেনে নিয়ে, রাষ্ট্রের প্রধান হয়েও সব অন্যায়ের প্রশ্নে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন, সেই রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

আপনার মতামত লিখুন