রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পেতে প্রবল আগ্রহ দেখিয়েছে যুক্তরাজ্য।
বুধবার
দুপুরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ব্রিটিশ বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি
উইন্টারটন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা
খানম এবং প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান
মিল্লাতের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে
এই প্রস্তাব দেন।
বৈঠকে
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার
ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং
ব্রিটিশ বাণিজ্য দূত বর্তমান সরকারের
নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস
প্রদান করেন। এছাড়া নতুন সমঝোতা স্মারকের
মাধ্যমে বাংলাদেশের বিমান ও পর্যটন খাতে
বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
অন্যদিকে,
থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে
আগে থেকেই জাপানের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। গত শুক্রবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি
দল জাপানিদের সঙ্গে বৈঠক করলেও এখনো
চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
বিশেষ করে এমবার্কেশন ফি,
আপফ্রন্ট পেমেন্ট এবং রেভিনিউ শেয়ারের
মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে দুই পক্ষের
মধ্যে ব্যাপক দরকষাকষি চলছে।
প্রতিমন্ত্রী
রশিদুজ্জামান মিল্লাত জাপানি প্রতিনিধিদের তাদের প্রস্তাবগুলো পুনর্বিবেচনা করে পুনরায় সংশোধিত
আকারে জমা দেওয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই বিষয়ে আরেকটি
সভা অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে।
জাপানিদের
প্রস্তাব প্রসঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা
খানম রিতা সাংবাদিকদের জানান,
আমরা আমাদের রেভিনিউ নিয়ে কাজ করছি।
আলাপ-আলোচনা চলছে এবং এর
সমঝোতা হলে আমরা একটি
চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে চলে আসবো।
মন্ত্রী
আরও বলেন, আপনারা দেখছেন তো আমরা কীভাবে
চেষ্টা করছি। আমরা দায়িত্ব নিয়েছি
মাত্র এক মাস ২০
দিনের মতো হয়েছে। এর
মধ্যেই অনেকবার তাদের সাথে বসেছি কারণ
আমরা এবং প্রধানমন্ত্রী চান
এটি দ্রুত চালু হোক। বারবার
বসার মূল কারণ হলো
একটি টেকসই সমাধানে আসা। অনেক টার্মস
অ্যান্ড কন্ডিশনস আছে যা আমাদের
দেশের স্বার্থে কি না তা
যাচাই করে দেখা হচ্ছে।
আলোচনার
দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের
জবাবে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর ভুঁইয়া স্পষ্ট
করে বলেন, এটি বারবার আলোচনা
নয় বরং একটি চলমান
প্রক্রিয়া। আমরা আমাদের দেশের
জন্য সেরা ডিলটি নিশ্চিত
করতে চাই। এখানে আমাদের
জাতীয় স্বার্থ সবার আগে।
সংশ্লিষ্টরা
মনে করছেন, যুক্তরাজ্য ও জাপানের এই
প্রতিযোগিতার ফলে বাংলাদেশের সামনে
বিমান খাতের উন্নয়নে এক নতুন সম্ভাবনা
উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। এখন
সরকার কোন দেশের প্রস্তাবকে
দেশের স্বার্থের অনুকূলে মনে করে, সেটিই
দেখার বিষয়।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পেতে প্রবল আগ্রহ দেখিয়েছে যুক্তরাজ্য।
বুধবার
দুপুরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ব্রিটিশ বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি
উইন্টারটন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা
খানম এবং প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান
মিল্লাতের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে
এই প্রস্তাব দেন।
বৈঠকে
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার
ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং
ব্রিটিশ বাণিজ্য দূত বর্তমান সরকারের
নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস
প্রদান করেন। এছাড়া নতুন সমঝোতা স্মারকের
মাধ্যমে বাংলাদেশের বিমান ও পর্যটন খাতে
বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
অন্যদিকে,
থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে
আগে থেকেই জাপানের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। গত শুক্রবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি
দল জাপানিদের সঙ্গে বৈঠক করলেও এখনো
চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
বিশেষ করে এমবার্কেশন ফি,
আপফ্রন্ট পেমেন্ট এবং রেভিনিউ শেয়ারের
মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে দুই পক্ষের
মধ্যে ব্যাপক দরকষাকষি চলছে।
প্রতিমন্ত্রী
রশিদুজ্জামান মিল্লাত জাপানি প্রতিনিধিদের তাদের প্রস্তাবগুলো পুনর্বিবেচনা করে পুনরায় সংশোধিত
আকারে জমা দেওয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই বিষয়ে আরেকটি
সভা অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে।
জাপানিদের
প্রস্তাব প্রসঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা
খানম রিতা সাংবাদিকদের জানান,
আমরা আমাদের রেভিনিউ নিয়ে কাজ করছি।
আলাপ-আলোচনা চলছে এবং এর
সমঝোতা হলে আমরা একটি
চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে চলে আসবো।
মন্ত্রী
আরও বলেন, আপনারা দেখছেন তো আমরা কীভাবে
চেষ্টা করছি। আমরা দায়িত্ব নিয়েছি
মাত্র এক মাস ২০
দিনের মতো হয়েছে। এর
মধ্যেই অনেকবার তাদের সাথে বসেছি কারণ
আমরা এবং প্রধানমন্ত্রী চান
এটি দ্রুত চালু হোক। বারবার
বসার মূল কারণ হলো
একটি টেকসই সমাধানে আসা। অনেক টার্মস
অ্যান্ড কন্ডিশনস আছে যা আমাদের
দেশের স্বার্থে কি না তা
যাচাই করে দেখা হচ্ছে।
আলোচনার
দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের
জবাবে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর ভুঁইয়া স্পষ্ট
করে বলেন, এটি বারবার আলোচনা
নয় বরং একটি চলমান
প্রক্রিয়া। আমরা আমাদের দেশের
জন্য সেরা ডিলটি নিশ্চিত
করতে চাই। এখানে আমাদের
জাতীয় স্বার্থ সবার আগে।
সংশ্লিষ্টরা
মনে করছেন, যুক্তরাজ্য ও জাপানের এই
প্রতিযোগিতার ফলে বাংলাদেশের সামনে
বিমান খাতের উন্নয়নে এক নতুন সম্ভাবনা
উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। এখন
সরকার কোন দেশের প্রস্তাবকে
দেশের স্বার্থের অনুকূলে মনে করে, সেটিই
দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন