আহমেদীয়া ফাইন্যান্স এন্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মনির আহম্মেদ ও তার স্ত্রী সখিনা আহমেদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে আদালত। ১০০০ থেকে ১১০০ নিরীহ গ্রাহককে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ৫৮ কোটি ৩৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তাদের নামে থাকা ৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার
সিআইডি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা
জজ মো. সাব্বির ফয়েজ
এই আদেশ দেন। আদালতের
বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তদন্ত
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সিআইডির পরিদর্শক বিল্লাল হোসেন ব্যাংক হিসাবগুলো জব্দের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গ্রাহকদের
কাছ থেকে সংগৃহীত বিপুল
পরিমাণ অর্থ দিয়ে এই
দম্পতি ফ্ল্যাট ও জমি ক্রয়সহ
মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অঢেল সম্পদ গড়ে
তুলেছেন।
সিআইডি
কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘মনির আহম্মেদ নিরীহ
মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে
ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জন করেছেন এবং মামলার সুষ্ঠু
তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব
অবরুদ্ধ থাকা একান্ত প্রয়োজন।’
তদন্তে
আরও জানা গেছে, আসামিরা
সমিতির আড়ালে সাধারণ মানুষের সঞ্চয় নিয়ে ব্যক্তিগত বিলাসিতায়
ব্যয় করেছেন।
সাবেক
মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ আদালতের
অভিনেতা
ও সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির তদন্তে তার আয়কর নথি
জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমানের
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির
ফয়েজ এই নির্দেশ প্রদান
করেন।
দুদকের
আবেদনে বলা হয়, আসাদুজ্জামান
নূর ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার আয়ের
উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৫
কোটি ৩৭ লাখ ১
হাজার ১৯০ টাকা মূল্যের
সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া ১৯টি ব্যাংক ও
আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নামে ১৫৮
কোটি ৭৮ লাখ ৪৭
হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক
লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
তদন্ত
কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান
আদালতকে জানান, ‘মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসাদুজ্জামান নূরের শুরু থেকে সর্বশেষ
পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী
ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।’
গত ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার
হওয়ার পর থেকে আসাদুজ্জামান
নূর বর্তমানে কারাগারে আছেন। ছাত্র আন্দোলনের সময়কার হত্যা মামলার পাশাপাশি দুদকের দায়ের করা অবৈধ সম্পদ
অর্জন ও মানিলন্ডারিং মামলায়
তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর
আগেই তার চারটি ফ্ল্যাট,
১০ কাঠা জমি এবং
১৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছিলো
আদালত।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
আহমেদীয়া ফাইন্যান্স এন্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মনির আহম্মেদ ও তার স্ত্রী সখিনা আহমেদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে আদালত। ১০০০ থেকে ১১০০ নিরীহ গ্রাহককে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ৫৮ কোটি ৩৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তাদের নামে থাকা ৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার
সিআইডি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা
জজ মো. সাব্বির ফয়েজ
এই আদেশ দেন। আদালতের
বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তদন্ত
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সিআইডির পরিদর্শক বিল্লাল হোসেন ব্যাংক হিসাবগুলো জব্দের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গ্রাহকদের
কাছ থেকে সংগৃহীত বিপুল
পরিমাণ অর্থ দিয়ে এই
দম্পতি ফ্ল্যাট ও জমি ক্রয়সহ
মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অঢেল সম্পদ গড়ে
তুলেছেন।
সিআইডি
কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘মনির আহম্মেদ নিরীহ
মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে
ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জন করেছেন এবং মামলার সুষ্ঠু
তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব
অবরুদ্ধ থাকা একান্ত প্রয়োজন।’
তদন্তে
আরও জানা গেছে, আসামিরা
সমিতির আড়ালে সাধারণ মানুষের সঞ্চয় নিয়ে ব্যক্তিগত বিলাসিতায়
ব্যয় করেছেন।
সাবেক
মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ আদালতের
অভিনেতা
ও সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির তদন্তে তার আয়কর নথি
জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমানের
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির
ফয়েজ এই নির্দেশ প্রদান
করেন।
দুদকের
আবেদনে বলা হয়, আসাদুজ্জামান
নূর ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার আয়ের
উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৫
কোটি ৩৭ লাখ ১
হাজার ১৯০ টাকা মূল্যের
সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া ১৯টি ব্যাংক ও
আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নামে ১৫৮
কোটি ৭৮ লাখ ৪৭
হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক
লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
তদন্ত
কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান
আদালতকে জানান, ‘মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসাদুজ্জামান নূরের শুরু থেকে সর্বশেষ
পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী
ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।’
গত ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার
হওয়ার পর থেকে আসাদুজ্জামান
নূর বর্তমানে কারাগারে আছেন। ছাত্র আন্দোলনের সময়কার হত্যা মামলার পাশাপাশি দুদকের দায়ের করা অবৈধ সম্পদ
অর্জন ও মানিলন্ডারিং মামলায়
তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর
আগেই তার চারটি ফ্ল্যাট,
১০ কাঠা জমি এবং
১৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছিলো
আদালত।

আপনার মতামত লিখুন