জুলাই অভ্যুত্থানে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার মামলায় পুলিশের দুই সাবেক সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বলেন, ‘আমি এই রায় মানি না, মানবো না।’
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামি হলেন- সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। এ মামলার মোট ২৮ জন আসামির মধ্যে তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্যদের বিভিন্ন মেয়েদ সাজা দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালের এজলাস থেকে বের করার সময় আমির হোসেন (৩৫) গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলেন, ‘আমি নির্দোষ, এই রায় মানি না, মানবো না। আমি সরকারি চাকরি করেছি। আমি শুধু সরকারের হুকুম পালন করেছি। আমি সরকারের হুকুমের গোলাম। জয় বাংলা।’
আমির হোসেন আরও বলেন, ‘আমাকে যেভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আমি তাই করেছি। আর এখন কেন আমাকেই ফাঁসানো হয়েছে?’
অন্যদিকে, আসামি পক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দোলন বলেন, ‘শুধুমাত্র ডিগ্রি অব প্যানিশমেন্ট শুনতে পেয়েছি। পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর বিচার বিশ্লেষণ করে আপিল করবো। আমরা এই রায়ে প্রত্যাশার নিরিখে সংক্ষুব্ধ। আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করে আপিল বিভাগ থেকে খালাস পাওয়ার আশা করছি।’
প্রসঙ্গত, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। তার মৃত্যু দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। সেই ঘটনার বিচারে বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করা হলো।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই অভ্যুত্থানে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার মামলায় পুলিশের দুই সাবেক সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বলেন, ‘আমি এই রায় মানি না, মানবো না।’
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামি হলেন- সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। এ মামলার মোট ২৮ জন আসামির মধ্যে তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্যদের বিভিন্ন মেয়েদ সাজা দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালের এজলাস থেকে বের করার সময় আমির হোসেন (৩৫) গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলেন, ‘আমি নির্দোষ, এই রায় মানি না, মানবো না। আমি সরকারি চাকরি করেছি। আমি শুধু সরকারের হুকুম পালন করেছি। আমি সরকারের হুকুমের গোলাম। জয় বাংলা।’
আমির হোসেন আরও বলেন, ‘আমাকে যেভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আমি তাই করেছি। আর এখন কেন আমাকেই ফাঁসানো হয়েছে?’
অন্যদিকে, আসামি পক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দোলন বলেন, ‘শুধুমাত্র ডিগ্রি অব প্যানিশমেন্ট শুনতে পেয়েছি। পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর বিচার বিশ্লেষণ করে আপিল করবো। আমরা এই রায়ে প্রত্যাশার নিরিখে সংক্ষুব্ধ। আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করে আপিল বিভাগ থেকে খালাস পাওয়ার আশা করছি।’
প্রসঙ্গত, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। তার মৃত্যু দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। সেই ঘটনার বিচারে বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করা হলো।

আপনার মতামত লিখুন