ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) রাজধানীর সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এলাকায় অবৈধ বাস কাউন্টার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে| গতকাল ৫০টি অনুমোদনহীন কাউন্টার সিলগালা করা হয়েছে| এর আগের দিনও ১৮টি কাউন্টার উচ্ছেদ করা হয়| সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, সায়েদাবাদ এলাকায় মোট ২৪০টি অবৈধ কাউন্টার চিহ্নিত করা হয়েছে|
দীর্ঘদিন ধরে সায়েদাবাদের সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে বাস কাউন্টার চালানো হচ্ছিল| এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হতো, যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়তেন| টার্মিনালের বাইরে কাউন্টার থাকলে সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে| ডিএসসিসির এই উচ্ছেদ অভিযান সময়োপযোগী|
সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে বাস কাউন্টার চালানোর ঘটনা নতুন নয়| কেবল সায়েদাবাদ নয়, রাজধানীর আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন কাউন্টার রয়েছে| দীর্ঘ সময় ধরে তদারকির ঘাটতির কারণে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে| সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিয়মিত নজরদারি থাকলে এত অবৈধ কাউন্টার গড়ে ওঠার সুযোগ পেত না|
একদিনের অভিযানে এই সমস্যার সমাধান হবে না| সায়েদাবাদসহ ঢাকার অন্যান্য টার্মিনাল এলাকায় অবৈধ কাউন্টার পুরোপুরি নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যেতে হবে| একই সঙ্গে নতুন করে যাতে কোনো অবৈধ কাউন্টার গড়ে না উঠে, সেজন্য নিয়মিত তদারকি থাকতে হবে| অতীতে এমন অভিযান হয়েছে| কিন্তু কিছুদিন পর একই সমস্যা আবার ফিরে এসেছে|
পরিবহন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা এখানে গুরুত্বপূর্ণ| বাস মালিক, শ্রমিক সংগঠন এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমš^য় করা হলে সমস্যার টেকসই সমাধান হতে পারে|

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) রাজধানীর সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এলাকায় অবৈধ বাস কাউন্টার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে| গতকাল ৫০টি অনুমোদনহীন কাউন্টার সিলগালা করা হয়েছে| এর আগের দিনও ১৮টি কাউন্টার উচ্ছেদ করা হয়| সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, সায়েদাবাদ এলাকায় মোট ২৪০টি অবৈধ কাউন্টার চিহ্নিত করা হয়েছে|
দীর্ঘদিন ধরে সায়েদাবাদের সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে বাস কাউন্টার চালানো হচ্ছিল| এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হতো, যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়তেন| টার্মিনালের বাইরে কাউন্টার থাকলে সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে| ডিএসসিসির এই উচ্ছেদ অভিযান সময়োপযোগী|
সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে বাস কাউন্টার চালানোর ঘটনা নতুন নয়| কেবল সায়েদাবাদ নয়, রাজধানীর আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন কাউন্টার রয়েছে| দীর্ঘ সময় ধরে তদারকির ঘাটতির কারণে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে| সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিয়মিত নজরদারি থাকলে এত অবৈধ কাউন্টার গড়ে ওঠার সুযোগ পেত না|
একদিনের অভিযানে এই সমস্যার সমাধান হবে না| সায়েদাবাদসহ ঢাকার অন্যান্য টার্মিনাল এলাকায় অবৈধ কাউন্টার পুরোপুরি নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যেতে হবে| একই সঙ্গে নতুন করে যাতে কোনো অবৈধ কাউন্টার গড়ে না উঠে, সেজন্য নিয়মিত তদারকি থাকতে হবে| অতীতে এমন অভিযান হয়েছে| কিন্তু কিছুদিন পর একই সমস্যা আবার ফিরে এসেছে|
পরিবহন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা এখানে গুরুত্বপূর্ণ| বাস মালিক, শ্রমিক সংগঠন এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমš^য় করা হলে সমস্যার টেকসই সমাধান হতে পারে|

আপনার মতামত লিখুন