নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দরে বাজারে ভোজ্যতেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে| খোলা সয়াবিন তেল নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত ৩০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে| বোতলজাত তেলও বিক্রি হচ্ছে বেশি দরে| কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে, কার্যকর তদারকির অভাবে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট ˆতরি করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়াচ্ছেন|
ভোজ্যতেলের দাম সমš^য় করা হয়েছিল গত ডিসে¤^রে| বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৯৫ টাকা| খোলা সয়াবিন তেল ১৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়| বাস্তবে বাজারে এই দরে তেল মিলছে না| কোথাও কোথাও প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে| আর খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯৫-২০০ টাকায় বিক্রির খবর পাওয়া যাচ্ছে|
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা না গেলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যায়| ভোজ্যতেলের বাড়তি দর সাধারণ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ ˆতরি করছে| আমরা জানতে চাইব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মতি ছাড়া তেলের দাম বাড়ানো যায় কিনা| নির্ধারিত দরে তেল বিক্রি হচ্ছে কিনা সেটা নিয়মিত মনিটর করা হলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব নাও হতে পারতো|
ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলো বাজারে নিয়মিত তদারকি করার কথা বলছে| ভোজ্যতেল নিয়ে সিন্ডিকেটের কথা শোনা যায়| এই সিন্ডিকেট আসলে কে বা কারা| সেটা চিহ্নিত করা দরকার| আদৌ যদি কোনো সিন্ডিকেট থাকে, কেউ যদি কৃত্রিম সংকট ˆতরি করে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে|
ভোজ্যতেল একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য| এ খাতে সামান্য অস্থিরতাও সাধারণ মানুষের জীবনে বড় প্রভাব ফেলে| তাই ভোজ্যতেলের বাজারে ¯^চ্ছতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি| কার্যকর তদারকি, জবাবদিহি ও সমšি^ত উদ্যোগের মাধ্যমে এ সংকট মোকাবিলা করতে হবে|

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দরে বাজারে ভোজ্যতেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে| খোলা সয়াবিন তেল নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত ৩০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে| বোতলজাত তেলও বিক্রি হচ্ছে বেশি দরে| কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে, কার্যকর তদারকির অভাবে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট ˆতরি করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়াচ্ছেন|
ভোজ্যতেলের দাম সমš^য় করা হয়েছিল গত ডিসে¤^রে| বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৯৫ টাকা| খোলা সয়াবিন তেল ১৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়| বাস্তবে বাজারে এই দরে তেল মিলছে না| কোথাও কোথাও প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে| আর খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯৫-২০০ টাকায় বিক্রির খবর পাওয়া যাচ্ছে|
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা না গেলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যায়| ভোজ্যতেলের বাড়তি দর সাধারণ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ ˆতরি করছে| আমরা জানতে চাইব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মতি ছাড়া তেলের দাম বাড়ানো যায় কিনা| নির্ধারিত দরে তেল বিক্রি হচ্ছে কিনা সেটা নিয়মিত মনিটর করা হলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব নাও হতে পারতো|
ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলো বাজারে নিয়মিত তদারকি করার কথা বলছে| ভোজ্যতেল নিয়ে সিন্ডিকেটের কথা শোনা যায়| এই সিন্ডিকেট আসলে কে বা কারা| সেটা চিহ্নিত করা দরকার| আদৌ যদি কোনো সিন্ডিকেট থাকে, কেউ যদি কৃত্রিম সংকট ˆতরি করে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে|
ভোজ্যতেল একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য| এ খাতে সামান্য অস্থিরতাও সাধারণ মানুষের জীবনে বড় প্রভাব ফেলে| তাই ভোজ্যতেলের বাজারে ¯^চ্ছতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি| কার্যকর তদারকি, জবাবদিহি ও সমšি^ত উদ্যোগের মাধ্যমে এ সংকট মোকাবিলা করতে হবে|

আপনার মতামত লিখুন