দেশের বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নিয়ে নৈরাজ্য কমাতে এবার কঠোর অবস্থানে গিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে সতর্ক করেছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি)।
বুধবার
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটি এই নির্দেশনা প্রদান
করে। মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের
কঠোর নির্দেশের পর এলপিজি খাতের
এই শীর্ষ সংগঠনটি নড়েচড়ে বসেছে। এর আগে অতিরিক্ত
দামে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের
বিশেষ চিঠি পাঠিয়েছিলো মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের
কঠোর বার্তা ও অভিযানের নির্দেশনা
বাণিজ্য
মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে
স্পষ্ট করে বলা হয়েছে,
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি
মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে বলে খবর পাওয়া
যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে একটি
অসাধু চক্র এই সুযোগ
নিচ্ছে। এই জনদুর্ভোগ কমাতে
এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনতিবিলম্বে অভিযান পরিচালনা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে
প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এই কড়া বার্তার
পরই বাজার স্থিতিশীল রাখতে মাঠে নেমেছে এলপিজি
অপারেটররা।
বর্তমান
সংকটকালীন সময়ে এলওএবি তাদের
বিজ্ঞপ্তিতে পরিবেশক ও বিক্রেতাদের দায়বদ্ধতার
কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।
সংগঠনটি বলেছে, "এলপিজি বোতলজাতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সরকার নির্ধারিত
মূল্যেই সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে। এরই
মধ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের
এই অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান ও কঠোর আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের এ মুহূর্তে জনদুর্ভোগ
কমানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাই দেশের সব
এলপিজি পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে
সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রির জন্য অনুরোধ করা
হলো।"
অস্থির
বাজারে নতুন দামের প্রভাব
চলতি
এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ এনার্জি
রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা
করে। বিশ্ববাজারের সাথে সংগতি রেখে
প্রতি কেজিতে দাম ৩২ টাকা
৩০ পয়সা বৃদ্ধি করা
হয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে
জনপ্রিয় ১২ কেজির সিলিন্ডারের
দাম ৩৮৭ টাকা বেড়ে
দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭২৮
টাকায়। এই বর্ধিত দামের
সুযোগ নিয়ে যেন সাধারণ
মানুষকে আর হয়রানি না
করা হয়, সে লক্ষ্যেই
এখন নজরদারি বাড়ানোর জোর প্রস্তুতি চলছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো
হয়েছে, খুচরা পর্যায়ে তদারকি আরও বাড়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নিয়ে নৈরাজ্য কমাতে এবার কঠোর অবস্থানে গিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে সতর্ক করেছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি)।
বুধবার
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটি এই নির্দেশনা প্রদান
করে। মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের
কঠোর নির্দেশের পর এলপিজি খাতের
এই শীর্ষ সংগঠনটি নড়েচড়ে বসেছে। এর আগে অতিরিক্ত
দামে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের
বিশেষ চিঠি পাঠিয়েছিলো মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের
কঠোর বার্তা ও অভিযানের নির্দেশনা
বাণিজ্য
মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে
স্পষ্ট করে বলা হয়েছে,
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি
মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে বলে খবর পাওয়া
যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে একটি
অসাধু চক্র এই সুযোগ
নিচ্ছে। এই জনদুর্ভোগ কমাতে
এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনতিবিলম্বে অভিযান পরিচালনা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে
প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এই কড়া বার্তার
পরই বাজার স্থিতিশীল রাখতে মাঠে নেমেছে এলপিজি
অপারেটররা।
বর্তমান
সংকটকালীন সময়ে এলওএবি তাদের
বিজ্ঞপ্তিতে পরিবেশক ও বিক্রেতাদের দায়বদ্ধতার
কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।
সংগঠনটি বলেছে, "এলপিজি বোতলজাতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সরকার নির্ধারিত
মূল্যেই সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে। এরই
মধ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের
এই অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান ও কঠোর আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের এ মুহূর্তে জনদুর্ভোগ
কমানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাই দেশের সব
এলপিজি পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে
সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রির জন্য অনুরোধ করা
হলো।"
অস্থির
বাজারে নতুন দামের প্রভাব
চলতি
এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ এনার্জি
রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা
করে। বিশ্ববাজারের সাথে সংগতি রেখে
প্রতি কেজিতে দাম ৩২ টাকা
৩০ পয়সা বৃদ্ধি করা
হয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে
জনপ্রিয় ১২ কেজির সিলিন্ডারের
দাম ৩৮৭ টাকা বেড়ে
দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭২৮
টাকায়। এই বর্ধিত দামের
সুযোগ নিয়ে যেন সাধারণ
মানুষকে আর হয়রানি না
করা হয়, সে লক্ষ্যেই
এখন নজরদারি বাড়ানোর জোর প্রস্তুতি চলছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো
হয়েছে, খুচরা পর্যায়ে তদারকি আরও বাড়ানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন