বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড রোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে সরকার। আগামী পহেলা বৈশাখের সকল উৎসব ও শোভাযাত্রা ঘিরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ নির্দেশনাবলী জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
মন্ত্রণালয়ের এক কার্যপত্রে জানানো
হয়েছে, এবারের শোভাযাত্রায় কোনোভাবেই মুখ ঢেকে মুখোশ
পরা যাবে না। তবে
অংশগ্রহণকারীরা চাইলে হাতে মুখোশ বহন
করতে পারবেন কিংবা প্রদর্শনের জন্য লাঠিতে বেঁধে
তা উঁচিয়ে ধরতে পারবেন, কিন্তু
কোনোভাবেই তা মুখে লাগিয়ে
অংশ নেওয়া যাবে না।
এবারের
উৎসবের সময়সীমা নিয়েও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশে সব ধরনের অনুষ্ঠান
সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সমাপ্ত
করতে হবে। বিশেষ করে
রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা,
হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরে
অনুষ্ঠানে বিকেল ৫টার পর আর
নতুন করে কোনো সাধারণ
মানুষকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে
না। এমনকি চৈত্র সংক্রান্তির অনুষ্ঠানগুলোও রাত ১০টার মধ্যে
শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
শোভাযাত্রার
শৃঙ্খলা রক্ষায় বলা হয়েছে, মঙ্গল
শোভাযাত্রা একবার শুরু হয়ে গেলে
মাঝপথে কেউ এতে প্রবেশ
করতে পারবে না। এছাড়া মিছিলে
কোনো ধরনের ইংরেজি বা ভিন্ন ভাষার
প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করা যাবে না
এবং কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ফেস্টুন প্রদর্শন করা নিষিদ্ধ করা
হয়েছে। বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
নিরাপত্তা
নিশ্চিতে পুলিশ, র্যাব, এসবিসহ গোয়েন্দা সংস্থাকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। বখাটেপনা
ও পকেটমার রোধে সাদা পোশাকে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে থাকবে।
এছাড়া
উৎসবস্থলে ফানুস ওড়ানো, গ্যাস বেলুন ব্যবহার, আতশবাজি এবং উচ্চশব্দের ভুভুজেলা
বাঁশি বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর হেলিকপ্টার ও সিএমএইচ প্রস্তুত
রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিকে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যানজট নিরসনে ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা
৭টার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের
স্টিকারবিহীন কোনো যানবাহন চলাচল
করতে পারবে না। সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে যাতে নববর্ষ নিয়ে
কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচার
না ছড়ানো হয়, সেজন্য সিআইডি
ও র্যাবকে সাইবার নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৩০০ ফিট এলাকায়
মোটরসাইকেল ও কার রেসিং
বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে
প্রশাসন। মূলত একটি উৎসবমুখর
ও নিরাপদ পরিবেশে বাঙালির প্রাণের উৎসব উদযাপনের লক্ষ্যেই
এই বহুমুখী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড রোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে সরকার। আগামী পহেলা বৈশাখের সকল উৎসব ও শোভাযাত্রা ঘিরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ নির্দেশনাবলী জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
মন্ত্রণালয়ের এক কার্যপত্রে জানানো
হয়েছে, এবারের শোভাযাত্রায় কোনোভাবেই মুখ ঢেকে মুখোশ
পরা যাবে না। তবে
অংশগ্রহণকারীরা চাইলে হাতে মুখোশ বহন
করতে পারবেন কিংবা প্রদর্শনের জন্য লাঠিতে বেঁধে
তা উঁচিয়ে ধরতে পারবেন, কিন্তু
কোনোভাবেই তা মুখে লাগিয়ে
অংশ নেওয়া যাবে না।
এবারের
উৎসবের সময়সীমা নিয়েও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশে সব ধরনের অনুষ্ঠান
সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সমাপ্ত
করতে হবে। বিশেষ করে
রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা,
হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরে
অনুষ্ঠানে বিকেল ৫টার পর আর
নতুন করে কোনো সাধারণ
মানুষকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে
না। এমনকি চৈত্র সংক্রান্তির অনুষ্ঠানগুলোও রাত ১০টার মধ্যে
শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
শোভাযাত্রার
শৃঙ্খলা রক্ষায় বলা হয়েছে, মঙ্গল
শোভাযাত্রা একবার শুরু হয়ে গেলে
মাঝপথে কেউ এতে প্রবেশ
করতে পারবে না। এছাড়া মিছিলে
কোনো ধরনের ইংরেজি বা ভিন্ন ভাষার
প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করা যাবে না
এবং কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ফেস্টুন প্রদর্শন করা নিষিদ্ধ করা
হয়েছে। বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
নিরাপত্তা
নিশ্চিতে পুলিশ, র্যাব, এসবিসহ গোয়েন্দা সংস্থাকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। বখাটেপনা
ও পকেটমার রোধে সাদা পোশাকে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে থাকবে।
এছাড়া
উৎসবস্থলে ফানুস ওড়ানো, গ্যাস বেলুন ব্যবহার, আতশবাজি এবং উচ্চশব্দের ভুভুজেলা
বাঁশি বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর হেলিকপ্টার ও সিএমএইচ প্রস্তুত
রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিকে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যানজট নিরসনে ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা
৭টার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের
স্টিকারবিহীন কোনো যানবাহন চলাচল
করতে পারবে না। সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে যাতে নববর্ষ নিয়ে
কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচার
না ছড়ানো হয়, সেজন্য সিআইডি
ও র্যাবকে সাইবার নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৩০০ ফিট এলাকায়
মোটরসাইকেল ও কার রেসিং
বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে
প্রশাসন। মূলত একটি উৎসবমুখর
ও নিরাপদ পরিবেশে বাঙালির প্রাণের উৎসব উদযাপনের লক্ষ্যেই
এই বহুমুখী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন