জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র চার বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ১৯৮০ সালে নির্মিত এই কেন্দ্রটি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার গুরুত্বপূর্ণ উৎস ছিল। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ভবন জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে, দেয়ালে ফাটল দেখা দেয়। ভবনটি অনেক আগেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে কর্তৃপক্ষ এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। এরপর থেকে সেবা স্থানান্তরিত হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে। সেখানে শুধু একজন ফার্মাসিস্টের মাধ্যমে সীমিত সেবা দেয়া হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পরিত্যক্ত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম অসুবিধার মুখোমুখি হচ্ছেন। আগে চিকিৎসক, নারী পরিদর্শিকাসহ পূর্ণাঙ্গ স্টাফের উপস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা, পরামর্শ ও জরুরি সেবা পাওয়া যেত। এখন সেটা থেকে স্থানীয়রা বঞ্ছিত হচ্ছেন। অনেককে স্বাস্থ্যসেবা নিতে দূরের উপজেলা হাসপাতালে যেতে হয়। গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য এ অবস্থা বিশেষ করে কষ্টদায়ক। স্বাস্থ্যসেবার অভাবে প্রাথমিক চিকিৎসায় বিলম্ব ঘটছে, যা সংশ্লিষ্ট মানুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে।
উক্ত কেন্দ্রে পরিত্যক্ত অবস্থা দেখে ধারণা করা যায় যে, গ্রামীণ স্বাস্থ্য অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণে যথাযথ মনোযোগের অভাব রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি অবহেলায় ছোটখাটো সমস্যা বড় আকার ধারণ করে। ফলে স্বাস্থ্যসেবায় রাষ্ট্রের বিনিয়োগের সুফল থেকে জনগণ বঞ্চিত হয়। স্থানীয়রা স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দ্রæত পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। আমরা আশা করব, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দ্রæত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। কেবল আশ^াস দিয়ে দায়িত্ব সারলে চলবে না, আশ্বাস যেন দ্রæত বাস্তবে রূপ নেয় সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা মনে করি, মোহাম্মদপুরের এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্যান্য এলাকায়ও একই ধরনের সমস্যা এড়ানো সম্ভব। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে নিয়মিত পরিদর্শন করা প্রয়োজন। এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র সময়মতো সংস্কার করা দরকার।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র চার বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ১৯৮০ সালে নির্মিত এই কেন্দ্রটি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার গুরুত্বপূর্ণ উৎস ছিল। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ভবন জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে, দেয়ালে ফাটল দেখা দেয়। ভবনটি অনেক আগেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে কর্তৃপক্ষ এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। এরপর থেকে সেবা স্থানান্তরিত হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে। সেখানে শুধু একজন ফার্মাসিস্টের মাধ্যমে সীমিত সেবা দেয়া হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পরিত্যক্ত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম অসুবিধার মুখোমুখি হচ্ছেন। আগে চিকিৎসক, নারী পরিদর্শিকাসহ পূর্ণাঙ্গ স্টাফের উপস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা, পরামর্শ ও জরুরি সেবা পাওয়া যেত। এখন সেটা থেকে স্থানীয়রা বঞ্ছিত হচ্ছেন। অনেককে স্বাস্থ্যসেবা নিতে দূরের উপজেলা হাসপাতালে যেতে হয়। গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য এ অবস্থা বিশেষ করে কষ্টদায়ক। স্বাস্থ্যসেবার অভাবে প্রাথমিক চিকিৎসায় বিলম্ব ঘটছে, যা সংশ্লিষ্ট মানুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে।
উক্ত কেন্দ্রে পরিত্যক্ত অবস্থা দেখে ধারণা করা যায় যে, গ্রামীণ স্বাস্থ্য অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণে যথাযথ মনোযোগের অভাব রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি অবহেলায় ছোটখাটো সমস্যা বড় আকার ধারণ করে। ফলে স্বাস্থ্যসেবায় রাষ্ট্রের বিনিয়োগের সুফল থেকে জনগণ বঞ্চিত হয়। স্থানীয়রা স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দ্রæত পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। আমরা আশা করব, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দ্রæত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। কেবল আশ^াস দিয়ে দায়িত্ব সারলে চলবে না, আশ্বাস যেন দ্রæত বাস্তবে রূপ নেয় সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা মনে করি, মোহাম্মদপুরের এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্যান্য এলাকায়ও একই ধরনের সমস্যা এড়ানো সম্ভব। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে নিয়মিত পরিদর্শন করা প্রয়োজন। এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র সময়মতো সংস্কার করা দরকার।

আপনার মতামত লিখুন