সংবাদ | বাংলা নিউজ পোর্টাল - সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন

ধূমপান ছাড়ার জন্য উপযুক্ত সময়


অরূপরতন চৌধুরী
অরূপরতন চৌধুরী
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

ধূমপান ছাড়ার জন্য উপযুক্ত সময়

যারা ধূমপান বা তামাক পাতা, জর্দ্দা গ্রহণ করেন তারা এর ক্ষতিকর দিক চিন্তা করে ছেড়ে দেয়ার কথা সবসময়ই ভাবেন, তবে কোন সময়টা তাদের জন্য উপযুক্ত সময়, সেটা খুঁজে পান না। এদিক দিয়ে বিবেচনা করলে বলা যায়, পবিত্র এই রমজান মাসে ধূমপান বা তামাক পাতা, জর্দ্দা ছেড়ে দেয়ার উপযুক্ত সময়। একটা মানুষ যখন সারা দিন কোনো কিছু না খেয়ে থাকতে পারেন এবং দিনের এই দীর্ঘ প্রায় ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে পারেন এবং সেই সময়ে সিগারেট জর্দ্দা, পান কোনো কিছুই না খেয়ে থাকতে পারেনÑ তারা কেন জীবনের বাকি সময়ের জন্য ধূমপান বা তামাক ছাড়তে পারবেন না? এটাতো সম্পূর্ণভাবে একজন মানুষের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। তাছাড়া রমজান মাসটা হচ্ছে সংযমের মাস, এই সময়ে মানুষ অনেক সংযমী হয় এবং সারাটা দিন একটি নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে ধর্মীয় নিয়মনীতির সঙ্গে চলতে হয়।

তামাক বা ধূমপান কোনো খাদ্যতালিকার মধ্যে পড়ে না। এটি এক ধরনের নেশা। বহুকাল থেকে এদেশে এই তামাকের ব্যবহার দুই ভাবেই মানুষ গ্রহণ করে আসছে, একটি হচ্ছে ধোঁয়াহীন তামাক বা জর্দা আর একটি হচ্ছে ধোঁয়াযুক্ত তামাক বা সিগারেট, চুরুট ইত্যাদি। বিজ্ঞানের গবেষণায় এই দুই ধরনের তামাকই দেহের জন্য ক্ষতিকর। তামাক এবং বিড়ি- সিগারেটের ধোঁয়ায় ৭০০০-এর বেশি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে; যার মধ্যে ৭০টি রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি ক্যানসার সৃষ্টিতে সক্ষম। এর মধ্যে নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড, বেনজোপাইরিন, ফরমালডিহাইড, অ্যামোনিয়া, পোলোনিয়াম ২১০ উল্লেখযোগ্য। সব মৃত্যুর ৬৩ শতাংশ অসংক্রামক রোগ এবং তার মধ্যে একমাত্র দায়ী হচ্ছে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য। বিশ্বব্যাপী তামাক গ্রহণ মৃত্যুর প্রতিরোধমূলক একমাত্র কারণ হিসেবে বিবেচিত এবং প্রতি দশ জনে একজনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে সরাসরি দায়ী।

ধূমপান বা তামাক পাতা যারা ব্যবহার করেন তারা জানেন এর ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে। এক কথায় বলতে গেলে মাথার চুল থেকে পায়ের নখ ও আমাদের দেহের সব অঙ্গ-প্রতঙ্গ তামাকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন- মাথার চুল পড়া, দৃষ্টিশক্তি নষ্ট, মুখের ক্যানসার, গলার ক্যানসার, ফুসফুসের ক্যানসার, হৃদরোগ, পাকস্থলির ক্যানসার, স্তন ক্যানসার, যৌনশক্তি নাশ, গর্ভপাত, মৃতশিশু জন্ম, পায়ের পচনশীল রোগ, গ্যাংগ্রিন রোগে পা কেটে ফেলা ইত্যাদি। এই ধূমপান যে শুধু ধূমপায়ীকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে তা নয়, একজন পাশে থাকা অধূমপায়ীকে সমানভাবে রোগাক্রান্ত করছে।

যারা পানের সঙ্গে জর্দ্দা খান এবং নিয়মিত অনেকবার পান খান তাদের মুখের ঘা বেশি হয় এবং লক্ষ্য করা গেছে অনেকেই তামাক পাতাকে হাতের মধ্যে নিয়ে চুনের সঙ্গে মিশিয়ে গালের মধ্যবর্তী স্থানে রাখেন, তাতে দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ওই স্থানে ঘা হতে পারে। শুধু ঘা নয়, পরবর্তীতে এই ঘা ক্যানসারেও রূপ নিতে পারে। শুধু বাংলাদেশেই নয় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যেখানে তামাক পাতা নেশার মতো ব্যবহৃত হয়, সে সমস্ত অঞ্চলেও মুখের ক্যানসার রোগীর সংখ্যা অন্যান্য এলাকার চাইতে বেশি। বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির তথ্যানুযায়ী এবং ডায়াবেটিস সমিতির বারডেম হাসপাতালে ডেন্টাল বিভাগের দুটি জরিপে দেখা যায় যে, যারা নিয়মিত ধূমপান করেন এবং তামাক পাতা, জর্দ্দা দিয়ে পান খান অথবা তামাক পাতা গালের মধ্যে রেখে ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে মুখের ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ যারা জর্দ্দা খান বা তামাক পাতা খান তাদের রিস্কফ্যাক্টর বা ঝুঁকি হতে পারে ৬০ ভাগ এবং যারা ধূমপান করেন এবং সেই সঙ্গে তামাক পাতা ও পানের সঙ্গে গ্রহণ করেন তাদের ঝুঁকি শতকরা ৮০ ভাগ। সুতরাং যাদের মুখের ঘা রয়েছে এবং এই সমস্ত অভ্যাস ছাড়তে পেরেছেন তাদের মুখের ঘা থেকে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ১০০ ভাগ নিশ্চিতভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মনে রাখবেন, যদি মুখের মধ্যে এই সমস্ত ঘা লক্ষ্য করেন এবং চিকিৎসার পরও দুসপ্তাহ থেকে তিন সপ্তাহ স্থায়ী হয়, তবে অবশ্যই বায়োপসি অথবা মাংসের টিস্যু পরীক্ষা করে দেখতে হবে, কারণ মুখের এই সমস্ত অনেক ঘা বা সাদা ক্ষতগুলোকে বিজ্ঞানীরা বলে থাকেন প্রি-ক্যানসার লিশন বা ক্যানসারের পূর্বাবস্থার ক্ষত। সংক্ষেপে বলতে হয় যাদের ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, রিউমাটিক ডিজিজ ও পরিপাকতন্ত্রের রোগ রয়েছে এবং যারা দীর্ঘদিন নিয়মিতভাবে ওষুধ গ্রহণ করছেন, যারা কৃত্রিম দাঁত ব্যবহার করেন, যারা ধূমপান করেন বা তামাক পাতা বা জর্দ্দা, গুল গ্রহণ করেন তারা অবশ্যই দাঁত ও মুখের যতœ নেবেন এবং এই সমস্ত ঘা দেখা দেয়া মাত্রই চিকিৎসার ব্যবস্থা নেবেন। যারা ধূমপান করেন বা তামাক পাতা, জর্দ্দা খান তাদের যেহেতু মুখের ক্যানসার হওয়া সম্ভাবনা বা ঝুঁকি ৮০ ভাগ, সেহেতু মুখের ঘা বা ক্যানসার প্রতিরোধে ধূমপান ও সেই সঙ্গে তামাক পাতা বা জর্দ্দা গ্রহণ বন্ধ করা প্রয়োজন।

সুতারং, এই রমজান মাসেই যদি সিগারেট বা জর্দ্দা না খেয়ে তারা থাকতে পারেন তবে বছরের বাকিটা সময় থাকতে পারা যাবে না কেন? অতএব এই সময়ে যদি রোজা রাখার আগেই বা রোজা রাখার সময় থেকেই একজন ধূমপায়ী প্রতিজ্ঞা করেন যে, আমি এই পবিত্র এই রমজান মাসে যেহেতু রোজা রাখব, নামাজ পড়ব, সংযমী হবÑ সেহেতু আমি এই সময় থেকেই আমার এই বদঅভ্যাসটিকে বা নেশাকেও পরিত্যাগ করব। এবং এই দৃঢ় সিদ্ধান্ত থেকেই একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি এই ধরনের বদঅভ্যাস বা নেশা থেকে মুক্ত হতে পারেন।

সুতরাং, এই রমজান মাস থেকেই শুরু হোক তামাক বর্জন।

[লেখক: অনারারি সিনিয়র কনসালটেন্ট, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ | বাংলা নিউজ পোর্টাল - সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬


ধূমপান ছাড়ার জন্য উপযুক্ত সময়

প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬

featured Image

যারা ধূমপান বা তামাক পাতা, জর্দ্দা গ্রহণ করেন তারা এর ক্ষতিকর দিক চিন্তা করে ছেড়ে দেয়ার কথা সবসময়ই ভাবেন, তবে কোন সময়টা তাদের জন্য উপযুক্ত সময়, সেটা খুঁজে পান না। এদিক দিয়ে বিবেচনা করলে বলা যায়, পবিত্র এই রমজান মাসে ধূমপান বা তামাক পাতা, জর্দ্দা ছেড়ে দেয়ার উপযুক্ত সময়। একটা মানুষ যখন সারা দিন কোনো কিছু না খেয়ে থাকতে পারেন এবং দিনের এই দীর্ঘ প্রায় ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে পারেন এবং সেই সময়ে সিগারেট জর্দ্দা, পান কোনো কিছুই না খেয়ে থাকতে পারেনÑ তারা কেন জীবনের বাকি সময়ের জন্য ধূমপান বা তামাক ছাড়তে পারবেন না? এটাতো সম্পূর্ণভাবে একজন মানুষের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। তাছাড়া রমজান মাসটা হচ্ছে সংযমের মাস, এই সময়ে মানুষ অনেক সংযমী হয় এবং সারাটা দিন একটি নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে ধর্মীয় নিয়মনীতির সঙ্গে চলতে হয়।

তামাক বা ধূমপান কোনো খাদ্যতালিকার মধ্যে পড়ে না। এটি এক ধরনের নেশা। বহুকাল থেকে এদেশে এই তামাকের ব্যবহার দুই ভাবেই মানুষ গ্রহণ করে আসছে, একটি হচ্ছে ধোঁয়াহীন তামাক বা জর্দা আর একটি হচ্ছে ধোঁয়াযুক্ত তামাক বা সিগারেট, চুরুট ইত্যাদি। বিজ্ঞানের গবেষণায় এই দুই ধরনের তামাকই দেহের জন্য ক্ষতিকর। তামাক এবং বিড়ি- সিগারেটের ধোঁয়ায় ৭০০০-এর বেশি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে; যার মধ্যে ৭০টি রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি ক্যানসার সৃষ্টিতে সক্ষম। এর মধ্যে নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড, বেনজোপাইরিন, ফরমালডিহাইড, অ্যামোনিয়া, পোলোনিয়াম ২১০ উল্লেখযোগ্য। সব মৃত্যুর ৬৩ শতাংশ অসংক্রামক রোগ এবং তার মধ্যে একমাত্র দায়ী হচ্ছে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য। বিশ্বব্যাপী তামাক গ্রহণ মৃত্যুর প্রতিরোধমূলক একমাত্র কারণ হিসেবে বিবেচিত এবং প্রতি দশ জনে একজনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে সরাসরি দায়ী।

ধূমপান বা তামাক পাতা যারা ব্যবহার করেন তারা জানেন এর ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে। এক কথায় বলতে গেলে মাথার চুল থেকে পায়ের নখ ও আমাদের দেহের সব অঙ্গ-প্রতঙ্গ তামাকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন- মাথার চুল পড়া, দৃষ্টিশক্তি নষ্ট, মুখের ক্যানসার, গলার ক্যানসার, ফুসফুসের ক্যানসার, হৃদরোগ, পাকস্থলির ক্যানসার, স্তন ক্যানসার, যৌনশক্তি নাশ, গর্ভপাত, মৃতশিশু জন্ম, পায়ের পচনশীল রোগ, গ্যাংগ্রিন রোগে পা কেটে ফেলা ইত্যাদি। এই ধূমপান যে শুধু ধূমপায়ীকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে তা নয়, একজন পাশে থাকা অধূমপায়ীকে সমানভাবে রোগাক্রান্ত করছে।

যারা পানের সঙ্গে জর্দ্দা খান এবং নিয়মিত অনেকবার পান খান তাদের মুখের ঘা বেশি হয় এবং লক্ষ্য করা গেছে অনেকেই তামাক পাতাকে হাতের মধ্যে নিয়ে চুনের সঙ্গে মিশিয়ে গালের মধ্যবর্তী স্থানে রাখেন, তাতে দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ওই স্থানে ঘা হতে পারে। শুধু ঘা নয়, পরবর্তীতে এই ঘা ক্যানসারেও রূপ নিতে পারে। শুধু বাংলাদেশেই নয় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যেখানে তামাক পাতা নেশার মতো ব্যবহৃত হয়, সে সমস্ত অঞ্চলেও মুখের ক্যানসার রোগীর সংখ্যা অন্যান্য এলাকার চাইতে বেশি। বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির তথ্যানুযায়ী এবং ডায়াবেটিস সমিতির বারডেম হাসপাতালে ডেন্টাল বিভাগের দুটি জরিপে দেখা যায় যে, যারা নিয়মিত ধূমপান করেন এবং তামাক পাতা, জর্দ্দা দিয়ে পান খান অথবা তামাক পাতা গালের মধ্যে রেখে ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে মুখের ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ যারা জর্দ্দা খান বা তামাক পাতা খান তাদের রিস্কফ্যাক্টর বা ঝুঁকি হতে পারে ৬০ ভাগ এবং যারা ধূমপান করেন এবং সেই সঙ্গে তামাক পাতা ও পানের সঙ্গে গ্রহণ করেন তাদের ঝুঁকি শতকরা ৮০ ভাগ। সুতরাং যাদের মুখের ঘা রয়েছে এবং এই সমস্ত অভ্যাস ছাড়তে পেরেছেন তাদের মুখের ঘা থেকে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ১০০ ভাগ নিশ্চিতভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মনে রাখবেন, যদি মুখের মধ্যে এই সমস্ত ঘা লক্ষ্য করেন এবং চিকিৎসার পরও দুসপ্তাহ থেকে তিন সপ্তাহ স্থায়ী হয়, তবে অবশ্যই বায়োপসি অথবা মাংসের টিস্যু পরীক্ষা করে দেখতে হবে, কারণ মুখের এই সমস্ত অনেক ঘা বা সাদা ক্ষতগুলোকে বিজ্ঞানীরা বলে থাকেন প্রি-ক্যানসার লিশন বা ক্যানসারের পূর্বাবস্থার ক্ষত। সংক্ষেপে বলতে হয় যাদের ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, রিউমাটিক ডিজিজ ও পরিপাকতন্ত্রের রোগ রয়েছে এবং যারা দীর্ঘদিন নিয়মিতভাবে ওষুধ গ্রহণ করছেন, যারা কৃত্রিম দাঁত ব্যবহার করেন, যারা ধূমপান করেন বা তামাক পাতা বা জর্দ্দা, গুল গ্রহণ করেন তারা অবশ্যই দাঁত ও মুখের যতœ নেবেন এবং এই সমস্ত ঘা দেখা দেয়া মাত্রই চিকিৎসার ব্যবস্থা নেবেন। যারা ধূমপান করেন বা তামাক পাতা, জর্দ্দা খান তাদের যেহেতু মুখের ক্যানসার হওয়া সম্ভাবনা বা ঝুঁকি ৮০ ভাগ, সেহেতু মুখের ঘা বা ক্যানসার প্রতিরোধে ধূমপান ও সেই সঙ্গে তামাক পাতা বা জর্দ্দা গ্রহণ বন্ধ করা প্রয়োজন।

সুতারং, এই রমজান মাসেই যদি সিগারেট বা জর্দ্দা না খেয়ে তারা থাকতে পারেন তবে বছরের বাকিটা সময় থাকতে পারা যাবে না কেন? অতএব এই সময়ে যদি রোজা রাখার আগেই বা রোজা রাখার সময় থেকেই একজন ধূমপায়ী প্রতিজ্ঞা করেন যে, আমি এই পবিত্র এই রমজান মাসে যেহেতু রোজা রাখব, নামাজ পড়ব, সংযমী হবÑ সেহেতু আমি এই সময় থেকেই আমার এই বদঅভ্যাসটিকে বা নেশাকেও পরিত্যাগ করব। এবং এই দৃঢ় সিদ্ধান্ত থেকেই একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি এই ধরনের বদঅভ্যাস বা নেশা থেকে মুক্ত হতে পারেন।

সুতরাং, এই রমজান মাস থেকেই শুরু হোক তামাক বর্জন।

[লেখক: অনারারি সিনিয়র কনসালটেন্ট, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল]


সংবাদ | বাংলা নিউজ পোর্টাল - সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত