বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ঈদের ছুটিতে ক্যাম্পাস ফাঁকা থাকার সুযোগে পরিকল্পিতভাবে শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। পরিবেশের ক্ষতি ও ক্যাম্পাসের সবুজ সৌন্দর্য নষ্ট করার অভিযোগে প্রতিবাদের মুখে শেষ পর্যন্ত গাছ কাটার কাজ স্থগিত ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করা হলে অধিকাংশ শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করলেও ক্যাম্পাস ও হলে এখনও অনেকে অবস্থান করছেন। এ সুযোগে বুধবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের প্রায় দুই শতাধিক গাছ কাটার জন্য শ্রমিক নিয়োগ করেন। দুপুরের মধ্যে ৬০টিরও বেশি গাছ কাটা হলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনা জানাজানি হলে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান। সামাজিক মাধ্যমে ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনও তীব্র নিন্দা জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাকি গাছ কাটার কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার সুযোগে হঠাৎ করেই ক্যাম্পাসের গাছ কাটা শুরু করা হয়। এতে ক্যাম্পাসের প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা বলেন, বেরোবি একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু হঠাৎ এতগুলো গাছ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত তাদের হতবাক করেছে।
পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন ভয়েসের বেরোবি শাখার সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব ইসলাম সাকিব বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। প্রশাসন কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু জবাব আমরা চাই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাঙ্গন পরিচালক ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে যেসব গাছ কাতারের মধ্যে পড়েছে, সেগুলোই কাটা হয়েছে। আপাতত গাছ কাটা স্থগিত রাখা হয়েছে।’
অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোনো প্রকার টেন্ডার বা বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ক্ষমতার অপব্যবহার করে অতি উৎসাহী এক শিক্ষক-কর্মকর্তা এসব গাছ কাটার নির্দেশ দেন। এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেকে।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ঈদের ছুটিতে ক্যাম্পাস ফাঁকা থাকার সুযোগে পরিকল্পিতভাবে শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। পরিবেশের ক্ষতি ও ক্যাম্পাসের সবুজ সৌন্দর্য নষ্ট করার অভিযোগে প্রতিবাদের মুখে শেষ পর্যন্ত গাছ কাটার কাজ স্থগিত ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করা হলে অধিকাংশ শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করলেও ক্যাম্পাস ও হলে এখনও অনেকে অবস্থান করছেন। এ সুযোগে বুধবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের প্রায় দুই শতাধিক গাছ কাটার জন্য শ্রমিক নিয়োগ করেন। দুপুরের মধ্যে ৬০টিরও বেশি গাছ কাটা হলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনা জানাজানি হলে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান। সামাজিক মাধ্যমে ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনও তীব্র নিন্দা জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাকি গাছ কাটার কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার সুযোগে হঠাৎ করেই ক্যাম্পাসের গাছ কাটা শুরু করা হয়। এতে ক্যাম্পাসের প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা বলেন, বেরোবি একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু হঠাৎ এতগুলো গাছ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত তাদের হতবাক করেছে।
পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন ভয়েসের বেরোবি শাখার সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব ইসলাম সাকিব বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। প্রশাসন কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু জবাব আমরা চাই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাঙ্গন পরিচালক ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে যেসব গাছ কাতারের মধ্যে পড়েছে, সেগুলোই কাটা হয়েছে। আপাতত গাছ কাটা স্থগিত রাখা হয়েছে।’
অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোনো প্রকার টেন্ডার বা বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ক্ষমতার অপব্যবহার করে অতি উৎসাহী এক শিক্ষক-কর্মকর্তা এসব গাছ কাটার নির্দেশ দেন। এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন