রংপুরের শহীদ আবু সাইদ স্টেডিয়ামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আমন্ত্রণ জানিয়েও সাংবাদিকদের ইফতার ও পানি না দেওয়ায় তারা মাহফিল বয়কট করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্টেডিয়ামে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও সারজিস আলম।
সমাবেশ চলাকালে স্টেডিয়ামে প্রবেশ ও ইফতার প্যাকেট বিতরণকে কেন্দ্র করে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও যুবশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে তা হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কিছু আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
ইফতারের আগ মুহূর্তে ইফতার সামগ্রী ও পানীয় জলের অপ্রতুলতার অভিযোগে আবারো সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত অনেক নেতাকর্মী ইফতার না পেয়েই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
সংঘর্ষের ছবি তোলার সময় এনসিপির রংপুর মহানগর আহ্বায়ক আল মামুন ও নেতা নয়নকে ছবি না তোলার অনুরোধ করতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে অল্পসংখ্যক পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো ভূমিকা রাখেনি। এনসিপি নেতারা এটিকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে দাবি করেন।
এ প্রসঙ্গে দিনাজপুরের এনসিপি নেতা আশরাফ ও লালমনিরহাটের মন্তাজির মাসুমসহ অনেকেই ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রণ জানিয়ে আসন বসানো ও ইফতারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না করার অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাযহারুল মান্নান জানান, স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও ইফতার কিংবা পানি সরবরাহ করা হয়নি। ফলে সব গণমাধ্যমকর্মী একযোগে মাহফিল বয়কট করে স্টেডিয়ামের কাছে পানি এনে ইফতার করেন। তিনি এ ঘটনাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার নজির হোসেন সংঘর্ষের ঘটনাটিকে ‘সামান্য’ উল্লেখ করে বলেন, বিষয়টি তারা নিজেরাই সমাধান করে নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
রংপুরের শহীদ আবু সাইদ স্টেডিয়ামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আমন্ত্রণ জানিয়েও সাংবাদিকদের ইফতার ও পানি না দেওয়ায় তারা মাহফিল বয়কট করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্টেডিয়ামে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও সারজিস আলম।
সমাবেশ চলাকালে স্টেডিয়ামে প্রবেশ ও ইফতার প্যাকেট বিতরণকে কেন্দ্র করে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও যুবশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে তা হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কিছু আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
ইফতারের আগ মুহূর্তে ইফতার সামগ্রী ও পানীয় জলের অপ্রতুলতার অভিযোগে আবারো সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত অনেক নেতাকর্মী ইফতার না পেয়েই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
সংঘর্ষের ছবি তোলার সময় এনসিপির রংপুর মহানগর আহ্বায়ক আল মামুন ও নেতা নয়নকে ছবি না তোলার অনুরোধ করতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে অল্পসংখ্যক পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো ভূমিকা রাখেনি। এনসিপি নেতারা এটিকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে দাবি করেন।
এ প্রসঙ্গে দিনাজপুরের এনসিপি নেতা আশরাফ ও লালমনিরহাটের মন্তাজির মাসুমসহ অনেকেই ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রণ জানিয়ে আসন বসানো ও ইফতারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না করার অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাযহারুল মান্নান জানান, স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও ইফতার কিংবা পানি সরবরাহ করা হয়নি। ফলে সব গণমাধ্যমকর্মী একযোগে মাহফিল বয়কট করে স্টেডিয়ামের কাছে পানি এনে ইফতার করেন। তিনি এ ঘটনাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার নজির হোসেন সংঘর্ষের ঘটনাটিকে ‘সামান্য’ উল্লেখ করে বলেন, বিষয়টি তারা নিজেরাই সমাধান করে নিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন