আসন্ন রমজানের ঈদকে সামনে রেখে আগামী ১৫ মার্চ রোববার থেকে (২৫ রমজান) সারাদেশের মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ ঈদ নিরাপত্তা দেয়া পুরোদমে শুরু করবে। ঈদের পরও বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে।
এইবার প্রথম ঈদ
নিরাপত্তায় এআই প্রযুক্তি, ড্রোন দিয়ে পর্যবেক্ষণ, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন
পয়েণ্টে এক হাজার ৪০০ সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পুলিশের কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যরা মোটর
সাইকেলে মহাসড়ক টহল দিবেন।
এই লক্ষ্যে হাইওয়ে
পুলিশের নিয়ন্ত্রণে থাকা ৪ হাজার কিলোমিটারের বেশী রাস্তায় পোশাকে সাদা পোশাকে বাড়তি
পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এই লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের সদর
দপ্তর থেকে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাইওয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা
জানায়, ঈদে ঘরমুখো মানুষ যাতে নিরাপদে,স্বত্ত্বিতে বাড়ি ফিরতে পারে তার জন্য মহাসড়কে
বাড়তি ফোর্স ইতোমধ্যে নিরাপত্তা দেয় দিচ্ছেন। যার কারনে এখনো মহাসড়কে ছিনতাই, ডাকাতি
ও চাঁদাবাজির কোন খবর পাওয়া যায়নি।
এই অবস্থান ধরে
রাখতে আগামী ২৫ রমজান (১৫ মার্চ) রোববার থেকে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক,
ঢাকা-গাজীপুর, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ ৪ হাজারের ও বেশী কিলোমিটার
রাস্তায় নিরাপত্তায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
মহাসড়কের নিরাপত্তায়
৮টি রিজিয়ন এলাকায় কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। আর পর্যবেক্ষণের জন্য এইবার ড্রোন
ব্যবহার করা হবে। প্রথমবারের মত এ আই নির্ভর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
ঢাকা চট্রগ্রাম
মহাসড়কে ১৪০০ সিসি ক্যামেরা ও এআই প্রযুক্তি থাকছে। এই সড়কে প্রতিটি ইঞ্চি রাস্তায়
সিসি ক্যামরার আওতায় আনা হয়েছে। পুরো সিসি
ক্যামেরার মাধ্যমে হাইওয়ে পুলিশের ঢাকাস্থ সদর দপ্তর থেকে কন্ট্রোল রুমে মনিটরিং করে তাক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
ঢাকা চট্রগ্রাম
মহাসড়কে সড়কে আগে প্রায় রাতে ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও
পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানের মালামাল লুট করা হতো। এইবার আগ থেকে হাইওয়ে পুলিশ
তৎপর রয়েছে। যার কারনে এখনো বড় অপরাধের খবর
পাওয়া যায়নি। তবে ঈদকে সামরে রেখে আগামী রোববার থেকে বাড়তি ফোর্স কাজ করবে।
পুলিশ সদর দপ্তর
থেকে ঈদ উপলক্ষ্যে মহাসড়কের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ফোর্স হাইওয়ে পুলিশে সংযুক্ত হয়ে নিরাপত্তার
দায়িত্ব পালন করবে। যার কারনে এই বছর ঈদ নিরাপত্তার কোন সমস্যা হবে না বলে পুলিশ কর্মকর্তারা
আশাবাদী।
মহাসড়কের গাজীপুর
অংশের চন্দ্রাসহ যানজট হতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে সেখানে বাড়তি
ফোর্স মোতায়েনের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
মহাসড়কের ঝুকিপূর্ণ
বিভিন্ন জায়গা রয়েছে। ওই সব স্থানে যাতে কোন দূর্ঘটনা না ঘটে তার জন্য সতর্কতা দেয়া
হয়েছে। অতিরিক্ত গতির যানবাহন নজরদারি করা হবে। টার্গেট ঈদে যাতে কোন সমস্যা না হয়।
তার জন্য হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে সকল ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে উর্ধ্বতন পুলিশ
কর্মকর্তারা দাবি করছেন।
একজন বিভাগীয় ডিআইজি
সংবাদকে বলেন, রজমানে মহাসড়কসহ জেলা ও বিভাগীয় সড়কে আইন শৃঙ্গখলা নিয়ন্ত্রণে রাতে পুলিশ
টহল ইতোমধ্যে বাড়ানো হয়েছে। আর এখন ঈদে ঘরমুখো মানুষ বাড়ি যাবে। তাই রাতের যাত্রীবাহী
বাসসহ অন্যান্য যানবাহনে পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে গন্তব্যে পৌছে দিচ্ছে।
ডাকাতিও চাঁদাবাজি
হচ্ছে এমন এলাকা গুলোতে পুলিশ পোশাকে ও সাদা পোশাকে কাজ করছেন। অবশ্য আগে ঈদের সময়
বিভিন্ন পয়েণ্টে উচু টাওয়ার স্থাপন করে পুলিশ নিরাপত্তা দিত। এইবার এখন্ উচু টাওয়ার
স্থাপন করা হয়নি।
জেলা এসপিরা হাইওয়ে
পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন পয়েণ্টে অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন বলে
বিভাগীয় পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এ দিকে পুলিশ সদর
দপ্তর থেকে জানিয়েছে, সড়ক ও মহাসড়কে ঈদ নিরাপত্তার জন্য পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া
হয়েছে। আজ কালের মধ্যে নিরাপত্তা নির্দেশিকা দেওয়া হবে। নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী
পুলিশ প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছেন। নিরাপত্তার
পাশাপাশি সড়কে যাতে যানজট না হয় তার জন্য পুলিশ কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
আসন্ন রমজানের ঈদকে সামনে রেখে আগামী ১৫ মার্চ রোববার থেকে (২৫ রমজান) সারাদেশের মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ ঈদ নিরাপত্তা দেয়া পুরোদমে শুরু করবে। ঈদের পরও বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে।
এইবার প্রথম ঈদ
নিরাপত্তায় এআই প্রযুক্তি, ড্রোন দিয়ে পর্যবেক্ষণ, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন
পয়েণ্টে এক হাজার ৪০০ সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পুলিশের কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যরা মোটর
সাইকেলে মহাসড়ক টহল দিবেন।
এই লক্ষ্যে হাইওয়ে
পুলিশের নিয়ন্ত্রণে থাকা ৪ হাজার কিলোমিটারের বেশী রাস্তায় পোশাকে সাদা পোশাকে বাড়তি
পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এই লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের সদর
দপ্তর থেকে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাইওয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা
জানায়, ঈদে ঘরমুখো মানুষ যাতে নিরাপদে,স্বত্ত্বিতে বাড়ি ফিরতে পারে তার জন্য মহাসড়কে
বাড়তি ফোর্স ইতোমধ্যে নিরাপত্তা দেয় দিচ্ছেন। যার কারনে এখনো মহাসড়কে ছিনতাই, ডাকাতি
ও চাঁদাবাজির কোন খবর পাওয়া যায়নি।
এই অবস্থান ধরে
রাখতে আগামী ২৫ রমজান (১৫ মার্চ) রোববার থেকে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক,
ঢাকা-গাজীপুর, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ ৪ হাজারের ও বেশী কিলোমিটার
রাস্তায় নিরাপত্তায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
মহাসড়কের নিরাপত্তায়
৮টি রিজিয়ন এলাকায় কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। আর পর্যবেক্ষণের জন্য এইবার ড্রোন
ব্যবহার করা হবে। প্রথমবারের মত এ আই নির্ভর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
ঢাকা চট্রগ্রাম
মহাসড়কে ১৪০০ সিসি ক্যামেরা ও এআই প্রযুক্তি থাকছে। এই সড়কে প্রতিটি ইঞ্চি রাস্তায়
সিসি ক্যামরার আওতায় আনা হয়েছে। পুরো সিসি
ক্যামেরার মাধ্যমে হাইওয়ে পুলিশের ঢাকাস্থ সদর দপ্তর থেকে কন্ট্রোল রুমে মনিটরিং করে তাক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
ঢাকা চট্রগ্রাম
মহাসড়কে সড়কে আগে প্রায় রাতে ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও
পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানের মালামাল লুট করা হতো। এইবার আগ থেকে হাইওয়ে পুলিশ
তৎপর রয়েছে। যার কারনে এখনো বড় অপরাধের খবর
পাওয়া যায়নি। তবে ঈদকে সামরে রেখে আগামী রোববার থেকে বাড়তি ফোর্স কাজ করবে।
পুলিশ সদর দপ্তর
থেকে ঈদ উপলক্ষ্যে মহাসড়কের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ফোর্স হাইওয়ে পুলিশে সংযুক্ত হয়ে নিরাপত্তার
দায়িত্ব পালন করবে। যার কারনে এই বছর ঈদ নিরাপত্তার কোন সমস্যা হবে না বলে পুলিশ কর্মকর্তারা
আশাবাদী।
মহাসড়কের গাজীপুর
অংশের চন্দ্রাসহ যানজট হতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে সেখানে বাড়তি
ফোর্স মোতায়েনের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
মহাসড়কের ঝুকিপূর্ণ
বিভিন্ন জায়গা রয়েছে। ওই সব স্থানে যাতে কোন দূর্ঘটনা না ঘটে তার জন্য সতর্কতা দেয়া
হয়েছে। অতিরিক্ত গতির যানবাহন নজরদারি করা হবে। টার্গেট ঈদে যাতে কোন সমস্যা না হয়।
তার জন্য হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে সকল ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে উর্ধ্বতন পুলিশ
কর্মকর্তারা দাবি করছেন।
একজন বিভাগীয় ডিআইজি
সংবাদকে বলেন, রজমানে মহাসড়কসহ জেলা ও বিভাগীয় সড়কে আইন শৃঙ্গখলা নিয়ন্ত্রণে রাতে পুলিশ
টহল ইতোমধ্যে বাড়ানো হয়েছে। আর এখন ঈদে ঘরমুখো মানুষ বাড়ি যাবে। তাই রাতের যাত্রীবাহী
বাসসহ অন্যান্য যানবাহনে পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে গন্তব্যে পৌছে দিচ্ছে।
ডাকাতিও চাঁদাবাজি
হচ্ছে এমন এলাকা গুলোতে পুলিশ পোশাকে ও সাদা পোশাকে কাজ করছেন। অবশ্য আগে ঈদের সময়
বিভিন্ন পয়েণ্টে উচু টাওয়ার স্থাপন করে পুলিশ নিরাপত্তা দিত। এইবার এখন্ উচু টাওয়ার
স্থাপন করা হয়নি।
জেলা এসপিরা হাইওয়ে
পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন পয়েণ্টে অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন বলে
বিভাগীয় পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এ দিকে পুলিশ সদর
দপ্তর থেকে জানিয়েছে, সড়ক ও মহাসড়কে ঈদ নিরাপত্তার জন্য পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া
হয়েছে। আজ কালের মধ্যে নিরাপত্তা নির্দেশিকা দেওয়া হবে। নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী
পুলিশ প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছেন। নিরাপত্তার
পাশাপাশি সড়কে যাতে যানজট না হয় তার জন্য পুলিশ কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন