বাগেরহাটের শরণখোলায় এক ব্যবসায়ীর দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১১ মার্চ) রাতে উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের ছানাকাটা জোমাদ্দার বাড়ি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন ওই দোকানে কে বা কারা আগুন দেয় বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।
ধানসাগর ইউনিয়ন তাঁতী লীগের সভাপতি রুমি মল্লিক জানান, প্রতিদিনের মতো রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে তিনি পাশের বাড়িতে যান। রাত আনুমানিক ১টার দিকে হঠাৎ তার দোকানে আগুন দেখে চিৎকার শুরু করেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ সময় এলাকাবাসী ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
শরণখোলা উপজেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই দোকানঘর ও ভেতরে থাকা সমস্ত মালামাল পুড়ে যায়। এ ঘটনায় নগদ টাকা, টেলিভিশন, ফ্রিজ ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে তার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন রুমি মল্লিক।
রুমি মল্লিক অভিযোগ করে জানান, তারই প্রতিবেশী এক ব্যবসায়ীর সাথে তার দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা চলছে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ওই ব্যক্তি ও তার পুত্র তামিমকে বেদম মারধর করে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ওই ব্যবসায়ী বিএনপি সমর্থক হওয়ায় তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধামকি দেওয়া হতো বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম খান বলেন, আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে এলাকার লোকজন কাছে যেতে পারেনি। মুহূর্তের মধ্যেই দোকানটি পুড়ে যায়। ঈদের আগে দোকানে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে যাওয়ায় পরিবারটি অনেকটাই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।
শরণখোলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ আফতাব ই আলম জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনও কিছু নিশ্চিত করা যায়নি।
শরণখোলা থানা পুলিশের একটি দল রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
বাগেরহাটের শরণখোলায় এক ব্যবসায়ীর দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১১ মার্চ) রাতে উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের ছানাকাটা জোমাদ্দার বাড়ি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন ওই দোকানে কে বা কারা আগুন দেয় বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।
ধানসাগর ইউনিয়ন তাঁতী লীগের সভাপতি রুমি মল্লিক জানান, প্রতিদিনের মতো রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে তিনি পাশের বাড়িতে যান। রাত আনুমানিক ১টার দিকে হঠাৎ তার দোকানে আগুন দেখে চিৎকার শুরু করেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ সময় এলাকাবাসী ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
শরণখোলা উপজেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই দোকানঘর ও ভেতরে থাকা সমস্ত মালামাল পুড়ে যায়। এ ঘটনায় নগদ টাকা, টেলিভিশন, ফ্রিজ ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে তার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন রুমি মল্লিক।
রুমি মল্লিক অভিযোগ করে জানান, তারই প্রতিবেশী এক ব্যবসায়ীর সাথে তার দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা চলছে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ওই ব্যক্তি ও তার পুত্র তামিমকে বেদম মারধর করে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ওই ব্যবসায়ী বিএনপি সমর্থক হওয়ায় তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধামকি দেওয়া হতো বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম খান বলেন, আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে এলাকার লোকজন কাছে যেতে পারেনি। মুহূর্তের মধ্যেই দোকানটি পুড়ে যায়। ঈদের আগে দোকানে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে যাওয়ায় পরিবারটি অনেকটাই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।
শরণখোলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ আফতাব ই আলম জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনও কিছু নিশ্চিত করা যায়নি।
শরণখোলা থানা পুলিশের একটি দল রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন