বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকাল ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে নববধূসহ তিন নারী ও তিন শিশু রয়েছে।
নিহতরা হলেন- নববধূ মার্জিয়া আক্তার (মিতু), তার স্বামী সাব্বির, নববধূর বোন লামিয়া ও নববধূর নানি। তাৎক্ষণিকভাবে অন্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মার্জিয়া আক্তারের সঙ্গে বাগেরহাটের মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শেলাবুনিয়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বিরের বিয়ে হয়। বিয়ের পর বরযাত্রীদের নিয়ে মাইক্রোবাসযোগে নবদম্পতি মোংলার উদ্দেশ্যে রওনা দিলে পথে বাগেরহাটের রামপালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নববধূর মামা আবু তাহের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
রামপাল উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল জানান, তাদের হাসপাতালে চারজনের মরদেহ রয়েছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মেহেনাজ মোশাররফ জানান, তাদের হাসপাতালে নববধূসহ ৯ জনের মরদেহ রাখা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকাল ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে নববধূসহ তিন নারী ও তিন শিশু রয়েছে।
নিহতরা হলেন- নববধূ মার্জিয়া আক্তার (মিতু), তার স্বামী সাব্বির, নববধূর বোন লামিয়া ও নববধূর নানি। তাৎক্ষণিকভাবে অন্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মার্জিয়া আক্তারের সঙ্গে বাগেরহাটের মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শেলাবুনিয়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বিরের বিয়ে হয়। বিয়ের পর বরযাত্রীদের নিয়ে মাইক্রোবাসযোগে নবদম্পতি মোংলার উদ্দেশ্যে রওনা দিলে পথে বাগেরহাটের রামপালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নববধূর মামা আবু তাহের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
রামপাল উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল জানান, তাদের হাসপাতালে চারজনের মরদেহ রয়েছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মেহেনাজ মোশাররফ জানান, তাদের হাসপাতালে নববধূসহ ৯ জনের মরদেহ রাখা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন