কিছুদিন বাদেই রোজার ঈদ। উৎসবকে কেন্দ্র করে সবাই মেতে উঠেছে কেনাকাটায়। ঈদের দিনটিতে পছন্দসই জামা-জুতা-বাহারি পণ্যের শেষ নেই। নিজের পাশাপাশি প্রিয়জনদের জন্যও চলছে সমানতালে কেনাকাটা। তবে, এতকিছুর মধ্যেও এক ব্যতিক্রমী কেনাবেচায় মেতে উঠেছে অনেকে। আর তা হচ্ছে টাকা।
রাজধানীর গুলিস্তানে পা রাখলেই চোখে পড়ে নতুন টাকার রমরমা এ বাণিজ্য। ঈদের সালামিতে নতুন নোটের কদর সবসময়। এই উৎসবের আনন্দকে পুঁজি করে রাজধানীর খোলাবাজারে জেঁকে বসেছে নতুন টাকার সিন্ডিকেট। ব্যাংকে নতুন নোটের হাহাকার থাকলেও গুলিস্তানের ফুটপাতে মিলছে সব মানের কড়কড়ে নোট।
সরেজমিনে দেখা যায়, এই কড়কড়া নোট ক্রয় করতে প্রতি হাজাওে বাড়তি ৪০০ টাকা গুণতে হচ্ছে। সে হিসেবে প্রতি হাজারে ৪০ শতাংশ বেশি হারে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্রটি।
এদিকে, বাচ্চাদের ঈদের সালামি দিতে নতুন নোট সংগ্রহ করতে ভিড় করছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। ক্রেতাদের মাঝেও নতুন নোটের প্রতি বাড়তি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
অনেকেই বলছেন, পুরোনো নোট দেখতে দেখতে বিরক্তি চলে এসেছে। নতুন টাকার প্রতি বাচ্চাদের আলাদা আগ্রহ থাকে।
এদিকে, প্রায়ই অভিযান চালিয়ে প্রশাসন উঠিয়ে দেয় এসব চক্রকে। করা হয় জরিমানা। কিন্তু এতেও আসছে না সমাধান। জরিমানা করে ম্যাজিস্টেট চলে যাওয়ার পর আবারও একইভাবে পসরা সাজিয়ে টাকা বিক্রি করতে বসে পরে এই ব্যবসায়ীরা। আর এই টাকা কিনতে হয় টাকা দিয়েই!

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
কিছুদিন বাদেই রোজার ঈদ। উৎসবকে কেন্দ্র করে সবাই মেতে উঠেছে কেনাকাটায়। ঈদের দিনটিতে পছন্দসই জামা-জুতা-বাহারি পণ্যের শেষ নেই। নিজের পাশাপাশি প্রিয়জনদের জন্যও চলছে সমানতালে কেনাকাটা। তবে, এতকিছুর মধ্যেও এক ব্যতিক্রমী কেনাবেচায় মেতে উঠেছে অনেকে। আর তা হচ্ছে টাকা।
রাজধানীর গুলিস্তানে পা রাখলেই চোখে পড়ে নতুন টাকার রমরমা এ বাণিজ্য। ঈদের সালামিতে নতুন নোটের কদর সবসময়। এই উৎসবের আনন্দকে পুঁজি করে রাজধানীর খোলাবাজারে জেঁকে বসেছে নতুন টাকার সিন্ডিকেট। ব্যাংকে নতুন নোটের হাহাকার থাকলেও গুলিস্তানের ফুটপাতে মিলছে সব মানের কড়কড়ে নোট।
সরেজমিনে দেখা যায়, এই কড়কড়া নোট ক্রয় করতে প্রতি হাজাওে বাড়তি ৪০০ টাকা গুণতে হচ্ছে। সে হিসেবে প্রতি হাজারে ৪০ শতাংশ বেশি হারে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্রটি।
এদিকে, বাচ্চাদের ঈদের সালামি দিতে নতুন নোট সংগ্রহ করতে ভিড় করছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। ক্রেতাদের মাঝেও নতুন নোটের প্রতি বাড়তি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
অনেকেই বলছেন, পুরোনো নোট দেখতে দেখতে বিরক্তি চলে এসেছে। নতুন টাকার প্রতি বাচ্চাদের আলাদা আগ্রহ থাকে।
এদিকে, প্রায়ই অভিযান চালিয়ে প্রশাসন উঠিয়ে দেয় এসব চক্রকে। করা হয় জরিমানা। কিন্তু এতেও আসছে না সমাধান। জরিমানা করে ম্যাজিস্টেট চলে যাওয়ার পর আবারও একইভাবে পসরা সাজিয়ে টাকা বিক্রি করতে বসে পরে এই ব্যবসায়ীরা। আর এই টাকা কিনতে হয় টাকা দিয়েই!

আপনার মতামত লিখুন