উপজেলার চরভাগা এলাকায় নির্মাণাধীন বাঁধ প্রকল্পে গত ৬ ও ৭ মার্চ এ লুটের ঘটনা ঘটে।
পাউবো সূত্রে জানা যায়, দুই দিনে মোট ১৩ হাজার ৫৪৬টি জিও ব্যাগ লুট হয়। খবর পেয়ে পাউবো এলাকায় মাইকিং করে সতর্ক করলেও ব্যাগ লুট ঠেকানো যায়নি। এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভেদরগঞ্জের সখিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।
পাউবো জানায়, ভেদরগঞ্জের চরভাগা, উত্তর তারাবনিয়া, দক্ষিণ তারাবনিয়া, কাচিকাটা ও চরসেনসান ইউনিয়নের পাশ দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা নদীর ভাঙন রোধে ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ২০২৩ সালে শুরু হওয়া ৫৭০ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় ৩০টি প্যাকেজে কাজ চলছে।
চরভাগা ইউনিয়নের মনাই হাওলাদারকান্দি এলাকায় ২২ নম্বর প্যাকেজের (২২০ মিটার অংশ) কাজ করছে নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ। তারা সাবঠিকাদার হিসেবে ঈগল রিচ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন বিডি লিমিটেডকে নিয়োগ দিয়েছে। ওই অংশে ব্যবহারের জন্য ৭৮ হাজার ৯৫৩টি বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও ১ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৯টি সিসি ব্লক নির্ধারণ করা ছিল।
সাবঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, প্রকল্প এলাকা থেকে কিছু মানুষ বালু ফেলে রেখে জিও ব্যাগ নিয়ে গেছে। কেন তারা এ কাজ করেছে, বোঝা যাচ্ছে না। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
পাউবোর শরীয়তপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, ‘চাকরিজীবনে আমি এমন নজিরবিহীন ঘটনা দেখিনি। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
উপজেলার চরভাগা এলাকায় নির্মাণাধীন বাঁধ প্রকল্পে গত ৬ ও ৭ মার্চ এ লুটের ঘটনা ঘটে।
পাউবো সূত্রে জানা যায়, দুই দিনে মোট ১৩ হাজার ৫৪৬টি জিও ব্যাগ লুট হয়। খবর পেয়ে পাউবো এলাকায় মাইকিং করে সতর্ক করলেও ব্যাগ লুট ঠেকানো যায়নি। এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভেদরগঞ্জের সখিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।
পাউবো জানায়, ভেদরগঞ্জের চরভাগা, উত্তর তারাবনিয়া, দক্ষিণ তারাবনিয়া, কাচিকাটা ও চরসেনসান ইউনিয়নের পাশ দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা নদীর ভাঙন রোধে ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ২০২৩ সালে শুরু হওয়া ৫৭০ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় ৩০টি প্যাকেজে কাজ চলছে।
চরভাগা ইউনিয়নের মনাই হাওলাদারকান্দি এলাকায় ২২ নম্বর প্যাকেজের (২২০ মিটার অংশ) কাজ করছে নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ। তারা সাবঠিকাদার হিসেবে ঈগল রিচ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন বিডি লিমিটেডকে নিয়োগ দিয়েছে। ওই অংশে ব্যবহারের জন্য ৭৮ হাজার ৯৫৩টি বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও ১ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৯টি সিসি ব্লক নির্ধারণ করা ছিল।
সাবঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, প্রকল্প এলাকা থেকে কিছু মানুষ বালু ফেলে রেখে জিও ব্যাগ নিয়ে গেছে। কেন তারা এ কাজ করেছে, বোঝা যাচ্ছে না। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
পাউবোর শরীয়তপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, ‘চাকরিজীবনে আমি এমন নজিরবিহীন ঘটনা দেখিনি। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন