সংবাদ | বাংলা নিউজ পোর্টাল - সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন

জ্বালানি সংকট হবে না, ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ নেই: সেতুমন্ত্রী



জ্বালানি সংকট হবে না, ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ নেই: সেতুমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে আগামী রোববার থেকে গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। ফলে জ্বালানি সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বা তেলের দাম বৃদ্ধির কথা বলে গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।

শুক্রবার ঈদযাত্রার প্রথম দিনে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ সব কথা জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে এবং তিনি পর্যাপ্ত সরবরাহের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। তাই এবারের ঈদে পরিবহন সংকট হওয়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রেল যোগাযোগকে আরও আধুনিক জনবান্ধব করার কাজ চলছে যাতে সাধারণ মানুষ স্বল্প সময়ে স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। সরকার দেশের সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

ঈদের সময় একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষের ঢাকা ছাড়ার বিষয়টিকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, মাত্র দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ঢাকা থেকে প্রায় সোয়া কোটি মানুষ গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন, যা বিশ্বের খুব কম শহরেই দেখা যায়। এতো বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত কঠিন হলেও সরকার তা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন কোচ, বাস নৌযান যুক্ত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে এবং বাস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতেও কাজ চলছে।

রেলের শিডিউল বিপর্যয় রোধে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, ঈদযাত্রায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে অন্তত ৮৫ থেকে ৮৭টি লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিনের প্রয়োজন হয়। বর্তমানে ৭৮টি ইঞ্জিন সচল রয়েছে এবং আগামী দুই দিনের মধ্যে আরও কয়েকটি ইঞ্জিন বহরে যুক্ত হবে। এর ফলে ট্রেন চলাচলে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

যাত্রীদের নিরাপত্তা শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, রেলওয়ে পুলিশের পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশ, নৌপুলিশ জেলা পুলিশ একযোগে কাজ করছে। এ ছাড়া আনসার সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছে। স্টেশনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ জ্যাকেট পরিহিত স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতি ৪০০ মিটার পরপর অবস্থান করবেন।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে স্টেশনের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন। সময় রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সচিব ফাহিমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ | বাংলা নিউজ পোর্টাল - সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬


জ্বালানি সংকট হবে না, ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ নেই: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬

featured Image

ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে আগামী রোববার থেকে গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। ফলে জ্বালানি সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বা তেলের দাম বৃদ্ধির কথা বলে গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।

শুক্রবার ঈদযাত্রার প্রথম দিনে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ সব কথা জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে এবং তিনি পর্যাপ্ত সরবরাহের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। তাই এবারের ঈদে পরিবহন সংকট হওয়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রেল যোগাযোগকে আরও আধুনিক জনবান্ধব করার কাজ চলছে যাতে সাধারণ মানুষ স্বল্প সময়ে স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। সরকার দেশের সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

ঈদের সময় একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষের ঢাকা ছাড়ার বিষয়টিকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, মাত্র দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ঢাকা থেকে প্রায় সোয়া কোটি মানুষ গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন, যা বিশ্বের খুব কম শহরেই দেখা যায়। এতো বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত কঠিন হলেও সরকার তা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন কোচ, বাস নৌযান যুক্ত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে এবং বাস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতেও কাজ চলছে।

রেলের শিডিউল বিপর্যয় রোধে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, ঈদযাত্রায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে অন্তত ৮৫ থেকে ৮৭টি লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিনের প্রয়োজন হয়। বর্তমানে ৭৮টি ইঞ্জিন সচল রয়েছে এবং আগামী দুই দিনের মধ্যে আরও কয়েকটি ইঞ্জিন বহরে যুক্ত হবে। এর ফলে ট্রেন চলাচলে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

যাত্রীদের নিরাপত্তা শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, রেলওয়ে পুলিশের পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশ, নৌপুলিশ জেলা পুলিশ একযোগে কাজ করছে। এ ছাড়া আনসার সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছে। স্টেশনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ জ্যাকেট পরিহিত স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতি ৪০০ মিটার পরপর অবস্থান করবেন।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে স্টেশনের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন। সময় রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সচিব ফাহিমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ | বাংলা নিউজ পোর্টাল - সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত