গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সিনিয়র সাংবাদিককে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি সভার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক কালাম তালুকদারকে রাতে গোপালগঞ্জের ২৫০-শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত কালাম তালুকদার কোটালীপাড়া সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক ভোরের আলো পত্রিকার গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি। তিনি রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের শ্রীফলবাড়ি গ্রামের প্রয়াত জবেদ আলী তালুকদারের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিক কালাম তালুকদার জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি সভার খবর সংগ্রহ করতে তিনি হলরুমে যান। সভা চলাকালে কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় কোটালীপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক লালন শেখ, সদস্য সচিব নিলয় হাওলাদার মোস্তফা এবং ধারাবাশাইল সরকারি আদর্শ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হামিম বিশ্বাসসহ ১০-১২ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান।
হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং টেনে-হিঁচড়ে নিচতলায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
এ সময় হামলাকারীরা সাংবাদিক কালামকে উপজেলায় না যাওয়ার হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তোরা আর সাংবাদিকতা করতে পারবি না। তোদের যেন আর কোথাও না দেখি।’ পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ব্যাপারে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে বারবার ফোন করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় গোপালগঞ্জের জেলা-উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ-জামান বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সিনিয়র সাংবাদিককে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি সভার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক কালাম তালুকদারকে রাতে গোপালগঞ্জের ২৫০-শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত কালাম তালুকদার কোটালীপাড়া সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক ভোরের আলো পত্রিকার গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি। তিনি রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের শ্রীফলবাড়ি গ্রামের প্রয়াত জবেদ আলী তালুকদারের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিক কালাম তালুকদার জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি সভার খবর সংগ্রহ করতে তিনি হলরুমে যান। সভা চলাকালে কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় কোটালীপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক লালন শেখ, সদস্য সচিব নিলয় হাওলাদার মোস্তফা এবং ধারাবাশাইল সরকারি আদর্শ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হামিম বিশ্বাসসহ ১০-১২ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান।
হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং টেনে-হিঁচড়ে নিচতলায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
এ সময় হামলাকারীরা সাংবাদিক কালামকে উপজেলায় না যাওয়ার হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তোরা আর সাংবাদিকতা করতে পারবি না। তোদের যেন আর কোথাও না দেখি।’ পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ব্যাপারে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে বারবার ফোন করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় গোপালগঞ্জের জেলা-উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ-জামান বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন