গ্রাফিকস ডিজাইন শেখার পর নিজেই জাল নোট তৈরি শুরু করেন এক যুবক। পরে সেই জাল নোট দিয়ে বাজারে কেনাকাটা করতে গেলে এক দোকানদার তা শনাক্ত করে ফেলেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে ফেনী সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের রানিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেনী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশাত তাবাসসুম।
আটক যুবকের নাম মো. ফারুক আহম্মেদ ভূঁইয়া (৩৭)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার মো. আলী আহাম্মদ ভূঁইয়ার ছেলে। তার কাছ থেকে জাল টাকাসহ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ও জাল নোট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে রানিরহাট এলাকায় এক যুবক জাল টাকা দিয়ে কেনাকাটা করছেন—এমন অভিযোগে স্থানীরা ফারুককে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় তার কাছ থেকে এক হাজার, পাঁচ শ, দুই শ, এক শ ও ২০ টাকার নোটসহ মোট ৫ হাজার ৬২০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
পরে ফারুকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে আরও ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৬০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া জাল নোট তৈরির কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
ফারুক দাগনভূঞা উপজেলার মুন্সীরহাট বাজারের 'পিক অ্যান্ড পে' নামের একটি দোকানে বসে জাল নোট তৈরি করতেন বলে পুলিশ জানায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশাত তাবাসসুম জানান, ফারুক ঢাকার একটি কলেজ থেকে মার্কেটিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে চাকরি না পেয়ে গ্রাফিকস ডিজাইনের বিভিন্ন কোর্স করেন এবং প্রিন্টিংয়ের দোকানে কাজ শুরু করেন। কাজের ফাঁকে ইউটিউব ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে জাল নোট তৈরির পদ্ধতি শিখে স্বল্প সময়ে লাভের আশায় তিনি এই কাজে জড়িয়ে পড়েন।
তিনি আরও জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতর সামনে রেখে জাল নোট বাজারে ছাড়ার উদ্দেশে ফারুক এগুলো তৈরি করে মজুত রেখেছিলেন। ঈদের বাজারে জাল টাকার বিস্তার রোধে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজীম বলেন, ফারুকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
গ্রাফিকস ডিজাইন শেখার পর নিজেই জাল নোট তৈরি শুরু করেন এক যুবক। পরে সেই জাল নোট দিয়ে বাজারে কেনাকাটা করতে গেলে এক দোকানদার তা শনাক্ত করে ফেলেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে ফেনী সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের রানিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেনী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশাত তাবাসসুম।
আটক যুবকের নাম মো. ফারুক আহম্মেদ ভূঁইয়া (৩৭)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার মো. আলী আহাম্মদ ভূঁইয়ার ছেলে। তার কাছ থেকে জাল টাকাসহ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ও জাল নোট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে রানিরহাট এলাকায় এক যুবক জাল টাকা দিয়ে কেনাকাটা করছেন—এমন অভিযোগে স্থানীরা ফারুককে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় তার কাছ থেকে এক হাজার, পাঁচ শ, দুই শ, এক শ ও ২০ টাকার নোটসহ মোট ৫ হাজার ৬২০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
পরে ফারুকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে আরও ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৬০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া জাল নোট তৈরির কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
ফারুক দাগনভূঞা উপজেলার মুন্সীরহাট বাজারের 'পিক অ্যান্ড পে' নামের একটি দোকানে বসে জাল নোট তৈরি করতেন বলে পুলিশ জানায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশাত তাবাসসুম জানান, ফারুক ঢাকার একটি কলেজ থেকে মার্কেটিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে চাকরি না পেয়ে গ্রাফিকস ডিজাইনের বিভিন্ন কোর্স করেন এবং প্রিন্টিংয়ের দোকানে কাজ শুরু করেন। কাজের ফাঁকে ইউটিউব ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে জাল নোট তৈরির পদ্ধতি শিখে স্বল্প সময়ে লাভের আশায় তিনি এই কাজে জড়িয়ে পড়েন।
তিনি আরও জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতর সামনে রেখে জাল নোট বাজারে ছাড়ার উদ্দেশে ফারুক এগুলো তৈরি করে মজুত রেখেছিলেন। ঈদের বাজারে জাল টাকার বিস্তার রোধে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজীম বলেন, ফারুকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন