ব্যালটের গোপনীয়তা নিয়ে অভিযোগ ওঠায় ভোট গণনার মাঝপথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি-২০২৬-এর নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মালেক এ ঘোষণা দেন। ওই সময় প্রায় ২০০টি ব্যালট গণনা শেষ হয়েছিল।
আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। সমিতির মোট ৬৮৯ জন ভোটারের মধ্যে ৬৫৪ জনই ভোট দেন। পরে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত প্রায় ২০০টি ভোট গণনা করা হয়।
এ সময় সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সুধীর চন্দ্র ঘোষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ভোটারদের ব্যালট পেপার ও খামে (মুড়ি) একই ক্রমিক নম্বর দেওয়া হয়েছে, যা ভোটারের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের সুযোগ তৈরি করে। এ কারণে তিনি নির্বাচন ও ভোট গণনা স্থগিতের আবেদন জানান।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্যানেল থেকে সভাপতি প্রার্থী আব্দুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আনিসুর রহমানও মৌখিকভাবে একই আবেদন জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন ও ভোট গণনা স্থগিত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. মফিজুর রহমান বলেন, ‘কোনো সমস্যা ছিল না। ভোট গণনা চলাকালে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে, যা বিধি-বিধানের বাইরে।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মালেক বলেন, ‘সারাদিন ভোটগ্রহণ হয়েছে এবং প্রায় ২০০ ভোট গণনা করা হয়েছে। একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচন বন্ধ করা হয়েছে। ব্যালটে ত্রুটি ছিল কি না, সে বিষয়ে ভিন্ন মত আছে। তবে ভোট গণনার মতো পরিবেশ তখন ছিল না।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রতিপ চন্দ্র দাস বলেন, ‘উত্তপ্ত পরিস্থিতির খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং নির্বাচন ও ভোট গণনা স্থগিত রয়েছে।’
এ নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ব্যালটের গোপনীয়তা নিয়ে অভিযোগ ওঠায় ভোট গণনার মাঝপথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি-২০২৬-এর নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মালেক এ ঘোষণা দেন। ওই সময় প্রায় ২০০টি ব্যালট গণনা শেষ হয়েছিল।
আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। সমিতির মোট ৬৮৯ জন ভোটারের মধ্যে ৬৫৪ জনই ভোট দেন। পরে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত প্রায় ২০০টি ভোট গণনা করা হয়।
এ সময় সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সুধীর চন্দ্র ঘোষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ভোটারদের ব্যালট পেপার ও খামে (মুড়ি) একই ক্রমিক নম্বর দেওয়া হয়েছে, যা ভোটারের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের সুযোগ তৈরি করে। এ কারণে তিনি নির্বাচন ও ভোট গণনা স্থগিতের আবেদন জানান।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্যানেল থেকে সভাপতি প্রার্থী আব্দুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আনিসুর রহমানও মৌখিকভাবে একই আবেদন জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন ও ভোট গণনা স্থগিত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. মফিজুর রহমান বলেন, ‘কোনো সমস্যা ছিল না। ভোট গণনা চলাকালে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে, যা বিধি-বিধানের বাইরে।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মালেক বলেন, ‘সারাদিন ভোটগ্রহণ হয়েছে এবং প্রায় ২০০ ভোট গণনা করা হয়েছে। একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচন বন্ধ করা হয়েছে। ব্যালটে ত্রুটি ছিল কি না, সে বিষয়ে ভিন্ন মত আছে। তবে ভোট গণনার মতো পরিবেশ তখন ছিল না।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রতিপ চন্দ্র দাস বলেন, ‘উত্তপ্ত পরিস্থিতির খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং নির্বাচন ও ভোট গণনা স্থগিত রয়েছে।’
এ নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

আপনার মতামত লিখুন