ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগ করে নিতে নতুন পোশাক ও প্রসাধনী কেনার ব্যস্ততা দেখা গেছে ঝালকাঠির মানুষের মধ্যে। তবে পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের অসামঞ্জস্যের কারণে এবার বড় শপিংমলের চেয়ে ফুটপাতের দোকানগুলোই নির্ভরতার জায়গা হয়ে উঠেছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য।
সরেজমিনে ঝালকাঠি শহরের কামারপট্টি, কুমারপট্টি, কাপড়িয়াপট্টি ও ফারিয়াপট্টি এলাকায় রাস্তার ধারে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
ক্রেতারা জানান, জীবনযাত্রার খরচ বহুগুণ বেড়ে গেলেও সেই তুলনায় আয় বাড়েনি। শহরের বড় বড় বিপণিবিতানগুলোতে পোশাকের দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় তারা ফুটপাতের দোকানেই কেনাকাটা করতে বাধ্য হচ্ছেন। নিম্ন আয়ের মানুষ তো বটেই, এখন অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারকেও সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখে ফুটপাত থেকে কেনাকাটা করতে দেখা যাচ্ছে।
মেয়ের জন্য পোশাক কিনতে আসা শ্রমজীবী আলম মিয়া বলেন, "আমাদের মতো মানুষের ভরসা এই ফুটপাতই। মার্কেটে ঢোকার সাহস পাই না। তাই রাস্তা থেকেই দেখে-শুনে কম দামে ভালো কিছু কেনার চেষ্টা করছি।"
গৃহিণী সাজেদা বেগম জানান, তিনি পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘ফুটপাতেও মাঝেমধ্যে বেশ ভালো মানের পোশাক পাওয়া যায়, তবে তা খুঁজে নিতে হয়।’
অন্যদিকে, ফুটপাতের ব্যবসায়ীরাও ক্রেতাদের ভিড় বাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, বড় মার্কেটের তুলনায় কম লাভে পণ্য বিক্রি করলেও ঈদের বাজার ধরতে না পারলে লোকসানের আশঙ্কা থাকে। তাই ক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম করে সাধ্যের মধ্যেই পণ্য ছেড়ে দিচ্ছেন তারা।
শহরের খান সুপার মার্কেট এলাকাসহ বিভিন্ন মোড়ে অস্থায়ী এসব দোকানে দিন-রাত কেনাবেচা চলছে। বিক্রেতাদের মতে, ঝালকাঠির অন্য সব মার্কেটের চেয়ে এবার ফুটপাতেই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগ করে নিতে নতুন পোশাক ও প্রসাধনী কেনার ব্যস্ততা দেখা গেছে ঝালকাঠির মানুষের মধ্যে। তবে পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের অসামঞ্জস্যের কারণে এবার বড় শপিংমলের চেয়ে ফুটপাতের দোকানগুলোই নির্ভরতার জায়গা হয়ে উঠেছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য।
সরেজমিনে ঝালকাঠি শহরের কামারপট্টি, কুমারপট্টি, কাপড়িয়াপট্টি ও ফারিয়াপট্টি এলাকায় রাস্তার ধারে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
ক্রেতারা জানান, জীবনযাত্রার খরচ বহুগুণ বেড়ে গেলেও সেই তুলনায় আয় বাড়েনি। শহরের বড় বড় বিপণিবিতানগুলোতে পোশাকের দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় তারা ফুটপাতের দোকানেই কেনাকাটা করতে বাধ্য হচ্ছেন। নিম্ন আয়ের মানুষ তো বটেই, এখন অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারকেও সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখে ফুটপাত থেকে কেনাকাটা করতে দেখা যাচ্ছে।
মেয়ের জন্য পোশাক কিনতে আসা শ্রমজীবী আলম মিয়া বলেন, "আমাদের মতো মানুষের ভরসা এই ফুটপাতই। মার্কেটে ঢোকার সাহস পাই না। তাই রাস্তা থেকেই দেখে-শুনে কম দামে ভালো কিছু কেনার চেষ্টা করছি।"
গৃহিণী সাজেদা বেগম জানান, তিনি পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘ফুটপাতেও মাঝেমধ্যে বেশ ভালো মানের পোশাক পাওয়া যায়, তবে তা খুঁজে নিতে হয়।’
অন্যদিকে, ফুটপাতের ব্যবসায়ীরাও ক্রেতাদের ভিড় বাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, বড় মার্কেটের তুলনায় কম লাভে পণ্য বিক্রি করলেও ঈদের বাজার ধরতে না পারলে লোকসানের আশঙ্কা থাকে। তাই ক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম করে সাধ্যের মধ্যেই পণ্য ছেড়ে দিচ্ছেন তারা।
শহরের খান সুপার মার্কেট এলাকাসহ বিভিন্ন মোড়ে অস্থায়ী এসব দোকানে দিন-রাত কেনাবেচা চলছে। বিক্রেতাদের মতে, ঝালকাঠির অন্য সব মার্কেটের চেয়ে এবার ফুটপাতেই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন