অথচ শহরের এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানটির সুরক্ষায় বরগুনা পৌরসভার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ বা নজরদারি চোখে পড়ছে না।
জানা যায়, এক সময় শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে নাথপট্টি লেককে নান্দনিকভাবে সাজানো হয়েছিল। দর্শনার্থীদের জন্য হাঁটার পথ (ওয়াকওয়ে), বসার স্থান এবং মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত করায় প্রতিদিন সকাল-বিকেল শত শত মানুষ এখানে স্বাস্থ্যচর্চা ও বিনোদনের জন্য আসতেন।
তবে, বর্তমানে লেকের পানিতে প্লাস্টিক, পচা খাবারের উচ্ছিষ্টসহ নানা ধরনের বর্জ্য ভাসতে দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে লেকের ভেতরে থাকা দৃষ্টিনন্দন পানির ফোয়ারাগুলোও অকেজো হয়ে পড়ে আছে। যথাযথ তদারকির অভাবে লেকটি এখন তার শ্রী হারাতে বসেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, লেকের পশ্চিম পাড়ের কিছু অংশ ভরাট করেও ফেলা হয়েছে। দুর্গন্ধে হাঁটাচলাও দায় হয়ে উঠেছে বলে জানান স্থানীরা।
ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা খালেদা ইয়াসমিন পাপড়ি বলেন, ‘প্রতিদিন আমরা এখানে হাঁটতে আসি। কিন্তু এখন লেকের পানিতে এত ময়লা যে পাশে দাঁড়ানোও দায়। অনেক সময় মৃত মাছ ভেসে থাকতে দেখা যায়। দ্রুত এটি পরিষ্কার না করলে পুরো পরিবেশটাই নষ্ট হয়ে যাবে।’
একই সুরে বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মনির হোসেন কামাল বলেন, ‘এটি শহরের একমাত্র বিনোদনমূলক স্পটগুলোর একটি। পৌরসভাকে দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লেকটি পরিষ্কার করা এবং স্থায়ী ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা জরুরি। শুধু লোকদেখানো পরিচ্ছন্নতা নয়, স্থায়ী সমাধান চাই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনা পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, লেকের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তারা অবগত আছেন। খুব শিগগিরই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং নিয়মিত তদারকির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
অথচ শহরের এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানটির সুরক্ষায় বরগুনা পৌরসভার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ বা নজরদারি চোখে পড়ছে না।
জানা যায়, এক সময় শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে নাথপট্টি লেককে নান্দনিকভাবে সাজানো হয়েছিল। দর্শনার্থীদের জন্য হাঁটার পথ (ওয়াকওয়ে), বসার স্থান এবং মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত করায় প্রতিদিন সকাল-বিকেল শত শত মানুষ এখানে স্বাস্থ্যচর্চা ও বিনোদনের জন্য আসতেন।
তবে, বর্তমানে লেকের পানিতে প্লাস্টিক, পচা খাবারের উচ্ছিষ্টসহ নানা ধরনের বর্জ্য ভাসতে দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে লেকের ভেতরে থাকা দৃষ্টিনন্দন পানির ফোয়ারাগুলোও অকেজো হয়ে পড়ে আছে। যথাযথ তদারকির অভাবে লেকটি এখন তার শ্রী হারাতে বসেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, লেকের পশ্চিম পাড়ের কিছু অংশ ভরাট করেও ফেলা হয়েছে। দুর্গন্ধে হাঁটাচলাও দায় হয়ে উঠেছে বলে জানান স্থানীরা।
ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা খালেদা ইয়াসমিন পাপড়ি বলেন, ‘প্রতিদিন আমরা এখানে হাঁটতে আসি। কিন্তু এখন লেকের পানিতে এত ময়লা যে পাশে দাঁড়ানোও দায়। অনেক সময় মৃত মাছ ভেসে থাকতে দেখা যায়। দ্রুত এটি পরিষ্কার না করলে পুরো পরিবেশটাই নষ্ট হয়ে যাবে।’
একই সুরে বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মনির হোসেন কামাল বলেন, ‘এটি শহরের একমাত্র বিনোদনমূলক স্পটগুলোর একটি। পৌরসভাকে দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লেকটি পরিষ্কার করা এবং স্থায়ী ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা জরুরি। শুধু লোকদেখানো পরিচ্ছন্নতা নয়, স্থায়ী সমাধান চাই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনা পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, লেকের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তারা অবগত আছেন। খুব শিগগিরই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং নিয়মিত তদারকির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

আপনার মতামত লিখুন