জনগণের সেবায় কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না বলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুশিয়ারি দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেছেন, ‘নির্ধারিত সময়ে কেউ অফিসে না এলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদে সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের ওপর আস্থা রেখে জনগণ বিপুল ম্যান্ডেট দিয়ে আমাদের সংসদে পাঠিয়েছে। সেই ইশতেহার অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে কর্মকর্তাদের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে হবে।’
‘আলোকিত লালমনিরহাট’ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বন্ধ থাকা লালমনিরহাট বিমানবন্দর দ্রুত চালুর বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাকে জেলা পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
সভায় মন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, কৃষক কার্ড, খাল খনন ও কৃষি ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন কর্মসূচির অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এছাড়া জেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অনলাইন জুয়া বন্ধসহ সামাজিক অপরাধ দমনে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে সকালে মন্ত্রী লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেন। এ সময় হাসপাতালের পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ছয় ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
জনগণের সেবায় কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না বলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুশিয়ারি দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেছেন, ‘নির্ধারিত সময়ে কেউ অফিসে না এলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদে সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের ওপর আস্থা রেখে জনগণ বিপুল ম্যান্ডেট দিয়ে আমাদের সংসদে পাঠিয়েছে। সেই ইশতেহার অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে কর্মকর্তাদের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে হবে।’
‘আলোকিত লালমনিরহাট’ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বন্ধ থাকা লালমনিরহাট বিমানবন্দর দ্রুত চালুর বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাকে জেলা পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
সভায় মন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, কৃষক কার্ড, খাল খনন ও কৃষি ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন কর্মসূচির অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এছাড়া জেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অনলাইন জুয়া বন্ধসহ সামাজিক অপরাধ দমনে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে সকালে মন্ত্রী লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেন। এ সময় হাসপাতালের পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ছয় ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন।

আপনার মতামত লিখুন