পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে ঝিনাইগাতী ও এর আশপাশের এলাকার হাটবাজার ও বিপণিবিতানগুলো এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটে নারী, পুরুষ ও শিশুদের পোশাকের দোকানগুলোতে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, শাড়ি, থ্রি-পিস, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, জিন্সের প্যান্ট ও শিশুদের পোশাকের দোকানগুলো ক্রেতায় ঠাসা। টাঙ্গাইলের শাড়ির চাহিদা বেশি থাকায় সেসব পোশাকের দোকানগুলোতে ভিড় আরও বেশি চোখে পড়ার মতো।
শাড়ি ব্যবসায়ী মোতালেব ফরায়েজী জানান, ‘ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিকিকিনি বাড়ছে। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পর্যাপ্ত পোশাক মজুত রেখেছি।’
অপর ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন রাজা বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় ক্রেতা কয়েক গুণ বেড়েছে। বিকেল হলেই যেন বাজারে মানুষের ঢল নামে।’
সরাফত জুয়েলার্সের মালিক সরোয়ারদী (দুদু হাজি) জানান, স্বর্ণের দাম বেশি থাকায় অনেকে রুপার অলংকার কিনছেন, ফলে রুপার গহনার চাহিদা বেড়েছে।
ক্রেতা সাইফুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন জানান, ঈদ উপলক্ষে প্রতিবছরই তারা উপজেলা সদরে কেনাকাটা করতে আসেন। এবার পোশাকের মান ভালো থাকলেও দাম কিছুটা বেশি বলে মনে করছেন তারা। গত বছরের তুলনায় পোশাক ও অন্যান্য জিনিসের দাম বেশি, যা বাজারে প্রভাব ফেলেছে বলে জানান তারা।
ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে দোকানিরা অতিরিক্ত কর্মী রেখেছেন। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখছেন ব্যবসায়ীরা। তবে মার্কেট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারেরও তাগিদ দিয়েছেন তারা।
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমিন বলেন, ‘ঈদকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ক্রেতা-বিক্রেতারা স্বস্তি পাবেন।’
ব্যবসায়ীদের ধারণা, ঈদের আগের কয়েক দিন বিক্রি আরও বাড়বে, আর এবারের ঈদ মৌসুমে মুনাফাও সন্তোষজনক হবে।

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে ঝিনাইগাতী ও এর আশপাশের এলাকার হাটবাজার ও বিপণিবিতানগুলো এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটে নারী, পুরুষ ও শিশুদের পোশাকের দোকানগুলোতে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, শাড়ি, থ্রি-পিস, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, জিন্সের প্যান্ট ও শিশুদের পোশাকের দোকানগুলো ক্রেতায় ঠাসা। টাঙ্গাইলের শাড়ির চাহিদা বেশি থাকায় সেসব পোশাকের দোকানগুলোতে ভিড় আরও বেশি চোখে পড়ার মতো।
শাড়ি ব্যবসায়ী মোতালেব ফরায়েজী জানান, ‘ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিকিকিনি বাড়ছে। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পর্যাপ্ত পোশাক মজুত রেখেছি।’
অপর ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন রাজা বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় ক্রেতা কয়েক গুণ বেড়েছে। বিকেল হলেই যেন বাজারে মানুষের ঢল নামে।’
সরাফত জুয়েলার্সের মালিক সরোয়ারদী (দুদু হাজি) জানান, স্বর্ণের দাম বেশি থাকায় অনেকে রুপার অলংকার কিনছেন, ফলে রুপার গহনার চাহিদা বেড়েছে।
ক্রেতা সাইফুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন জানান, ঈদ উপলক্ষে প্রতিবছরই তারা উপজেলা সদরে কেনাকাটা করতে আসেন। এবার পোশাকের মান ভালো থাকলেও দাম কিছুটা বেশি বলে মনে করছেন তারা। গত বছরের তুলনায় পোশাক ও অন্যান্য জিনিসের দাম বেশি, যা বাজারে প্রভাব ফেলেছে বলে জানান তারা।
ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে দোকানিরা অতিরিক্ত কর্মী রেখেছেন। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখছেন ব্যবসায়ীরা। তবে মার্কেট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারেরও তাগিদ দিয়েছেন তারা।
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমিন বলেন, ‘ঈদকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ক্রেতা-বিক্রেতারা স্বস্তি পাবেন।’
ব্যবসায়ীদের ধারণা, ঈদের আগের কয়েক দিন বিক্রি আরও বাড়বে, আর এবারের ঈদ মৌসুমে মুনাফাও সন্তোষজনক হবে।

আপনার মতামত লিখুন