কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সুভারকুটি গ্রামে বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াই উদ্বোধন করতে এসে তিস্তা নদী শাসনের ব্যাপারে সরকারের গৃহীত উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
তিনি বলেন, ‘তিস্তা এখন বিধ্বংসী রূপ ধারণ করলেও মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে তা আবারও মায়ের মতো স্নেহময়ী হয়ে উঠবে। দুই কোটি মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনে অল্প সময়ের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে।’
মন্ত্রী আরও জানান, ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও এ ব্যাপারে কথা বলেছেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াইটি দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করে বলেন, ‘দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ সত্যিই মহৎ। এ কাজের উদ্বোধন করতে পেরে আমি আনন্দিত।’
এক লাখ মানুষের ইফতারের জন্য নির্মিত এই কড়াইটি তৈরি করেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। কড়াইটির ব্যাস ৩১ ফুট ৩ ইঞ্চি, উচ্চতা সাড়ে ৪ ফুট এবং ওজন ৪ হাজার কেজি। এর নিচে রয়েছে ২২টি বার্নার। বর্তমানে এটিই বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াই বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির কমিউনিকেশন অফিসার মিজানুর রহমান। তিনি জানান, ইতিমধ্যে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আবেদন করা হয়েছে।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব ডিরেক্টর জামাল উদ্দিন বলেন, ‘কুড়িগ্রামের দুর্যোগ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য একসঙ্গে খাবার রান্নার উদ্দেশ্যেই এই কড়াই নির্মাণ। আজ আমরা ২০ হাজার মানুষের ইফতারের আয়োজন করেছি, যা একশটি মসজিদের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি লালমনিরহাটের বড়বাড়িতেও মন্ত্রী মহোদয়ের উপস্থিতিতে পাঁচ হাজার মানুষ একসঙ্গে ইফতারে অংশ নেবেন।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ প্রমুখ।

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সুভারকুটি গ্রামে বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াই উদ্বোধন করতে এসে তিস্তা নদী শাসনের ব্যাপারে সরকারের গৃহীত উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
তিনি বলেন, ‘তিস্তা এখন বিধ্বংসী রূপ ধারণ করলেও মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে তা আবারও মায়ের মতো স্নেহময়ী হয়ে উঠবে। দুই কোটি মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনে অল্প সময়ের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে।’
মন্ত্রী আরও জানান, ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও এ ব্যাপারে কথা বলেছেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াইটি দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করে বলেন, ‘দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ সত্যিই মহৎ। এ কাজের উদ্বোধন করতে পেরে আমি আনন্দিত।’
এক লাখ মানুষের ইফতারের জন্য নির্মিত এই কড়াইটি তৈরি করেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। কড়াইটির ব্যাস ৩১ ফুট ৩ ইঞ্চি, উচ্চতা সাড়ে ৪ ফুট এবং ওজন ৪ হাজার কেজি। এর নিচে রয়েছে ২২টি বার্নার। বর্তমানে এটিই বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াই বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির কমিউনিকেশন অফিসার মিজানুর রহমান। তিনি জানান, ইতিমধ্যে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আবেদন করা হয়েছে।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব ডিরেক্টর জামাল উদ্দিন বলেন, ‘কুড়িগ্রামের দুর্যোগ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য একসঙ্গে খাবার রান্নার উদ্দেশ্যেই এই কড়াই নির্মাণ। আজ আমরা ২০ হাজার মানুষের ইফতারের আয়োজন করেছি, যা একশটি মসজিদের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি লালমনিরহাটের বড়বাড়িতেও মন্ত্রী মহোদয়ের উপস্থিতিতে পাঁচ হাজার মানুষ একসঙ্গে ইফতারে অংশ নেবেন।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন