স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পোষা কুকুরের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন গ্রামের হাটবাজার ও রাস্তাঘাটে প্রচুর বেওয়ারিশ কুকুর রয়েছে। তাদের খাদ্যের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে ক্ষুধার জ্বালায় প্রতিনিয়ত মানুষের হাঁস, মুরগি ও গরু-বাছুরের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে তারা। এতে পোষা প্রাণীগুলো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। অনেকে মনে করছেন, কুকুরের খাদ্য সংকট দূর করা গেলে পোষা প্রাণীর ওপর এ আক্রমণ কমে আসবে।
এলাকার প্রাণী ও পাখিপ্রেমী বাবলু মণ্ডল জানান, এক সময় গ্রামে কুকুরের খাবারের তেমন অভাব ছিল না। মানুষ তাদের উচ্ছিষ্ট খাবার কুকুরকে খেতে দিত। এখন সেসব উচ্ছিষ্ট খাবার মাছের ঘেরে মাছকে খেতে দেওয়া হয়। এছাড়া বাসায় পালিত হাঁস-মুরগিকে সেসব খেতে দেওয়া হয়। পাশাপাশি আশপাশের ভাগাড়ে যেসব নষ্ট খাবার ও বিভিন্ন প্রাণীর মৃতদেহ ফেলা হতো, সেগুলো পরিবেশগত কারণে এখন গর্তে পুঁতে রাখা হয়। ফলে কুকুরের খাদ্য সংকট আরও বেড়ে গেছে।
‘কুকুরও একটি প্রাণী, তাদের বেঁচে থাকার জন্য আমাদের সাহায্যের প্রয়োজন রয়েছে। তাদের নির্দয়ভাবে আঘাত না করে যদি কুকুরকে খেতে দেওয়া যায় তাহলে তারা বাঁচতে পারবে,’ বলেন বাবলু মণ্ডল।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আহমেদ ইকবাল জানান, কুকুরের খাদ্য সংকটের বিষয়টি জাতীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি রাখে। অন্যথায় এর সমাধান সম্ভব নয়। দিন দিন কুকুরের সংখ্যা বাড়লেও তাদের খাদ্যের কোনো যোগান নেই। আগে যত্রতত্র খাবার পেলেও এখন আর তেমন খাবার মেলে না, ফলে মানুষের হাঁস, মুরগি ও ছাগলের ওপর কুকুরের আক্রমণ বেড়ে গেছে।
‘প্রতিদিনই ক্ষুধার্ত কুকুরের কামড়ানো গরু-বাছুর-ছাগল চিকিৎসার জন্য আমাদের ভেটেরিনারি হাসপাতালে নিয়ে আসেন অভিভাবকরা। তবে কেউ যেন অকারণে বিবেকহীনভাবে এদের আঘাত না করেন। বিষয়টি বনবিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবার ভেবে দেখা জরুরি,’ বলেন তিনি।

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পোষা কুকুরের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন গ্রামের হাটবাজার ও রাস্তাঘাটে প্রচুর বেওয়ারিশ কুকুর রয়েছে। তাদের খাদ্যের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে ক্ষুধার জ্বালায় প্রতিনিয়ত মানুষের হাঁস, মুরগি ও গরু-বাছুরের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে তারা। এতে পোষা প্রাণীগুলো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। অনেকে মনে করছেন, কুকুরের খাদ্য সংকট দূর করা গেলে পোষা প্রাণীর ওপর এ আক্রমণ কমে আসবে।
এলাকার প্রাণী ও পাখিপ্রেমী বাবলু মণ্ডল জানান, এক সময় গ্রামে কুকুরের খাবারের তেমন অভাব ছিল না। মানুষ তাদের উচ্ছিষ্ট খাবার কুকুরকে খেতে দিত। এখন সেসব উচ্ছিষ্ট খাবার মাছের ঘেরে মাছকে খেতে দেওয়া হয়। এছাড়া বাসায় পালিত হাঁস-মুরগিকে সেসব খেতে দেওয়া হয়। পাশাপাশি আশপাশের ভাগাড়ে যেসব নষ্ট খাবার ও বিভিন্ন প্রাণীর মৃতদেহ ফেলা হতো, সেগুলো পরিবেশগত কারণে এখন গর্তে পুঁতে রাখা হয়। ফলে কুকুরের খাদ্য সংকট আরও বেড়ে গেছে।
‘কুকুরও একটি প্রাণী, তাদের বেঁচে থাকার জন্য আমাদের সাহায্যের প্রয়োজন রয়েছে। তাদের নির্দয়ভাবে আঘাত না করে যদি কুকুরকে খেতে দেওয়া যায় তাহলে তারা বাঁচতে পারবে,’ বলেন বাবলু মণ্ডল।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আহমেদ ইকবাল জানান, কুকুরের খাদ্য সংকটের বিষয়টি জাতীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি রাখে। অন্যথায় এর সমাধান সম্ভব নয়। দিন দিন কুকুরের সংখ্যা বাড়লেও তাদের খাদ্যের কোনো যোগান নেই। আগে যত্রতত্র খাবার পেলেও এখন আর তেমন খাবার মেলে না, ফলে মানুষের হাঁস, মুরগি ও ছাগলের ওপর কুকুরের আক্রমণ বেড়ে গেছে।
‘প্রতিদিনই ক্ষুধার্ত কুকুরের কামড়ানো গরু-বাছুর-ছাগল চিকিৎসার জন্য আমাদের ভেটেরিনারি হাসপাতালে নিয়ে আসেন অভিভাবকরা। তবে কেউ যেন অকারণে বিবেকহীনভাবে এদের আঘাত না করেন। বিষয়টি বনবিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবার ভেবে দেখা জরুরি,’ বলেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন