ঈদযাত্রায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা অব্যবস্থাপনা পরিলক্ষিত হলে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, আসন্ন ঈদে মাত্র তিন দিনে প্রায় দেড় কোটি
মানুষ ঢাকা ছাড়বে, যা যাতায়াত ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন,
"প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই সার্বক্ষণিক ঈদযাত্রার খোঁজখবর রাখছেন। আমাদের
যতটুকু সক্ষমতা আছে, তা দিয়েই আমরা এই বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা
করছি।"
সায়দাবাদ টার্মিনালের সার্বিক পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ
করে শেখ রবিউল আলম বলেন:
ভোগান্তি রোধে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে
মন্ত্রী জানান, আগে যেখানে ৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করতেন, এখন সেখানে ২৪টি মোবাইল
কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
যাত্রীদের সুবিধার্থে বেশ কিছু বিশেষ পদক্ষেপের কথা তুলে
ধরেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। তিনি জানান, যানজটপ্রবণ এলাকা বা সেতুর কাছে ইফতার সামগ্রী
রাখা হয়েছে যাতে ইফতারের সময় হওয়া যাত্রীরা ভোগান্তিতে না পড়েন, জরুরি প্রয়োজনে মহাসড়ক
সংলগ্ন হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, ঈদের আগে-পরে মোট ১২ দিন পেট্রোল পাম্পগুলো
২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে এবং যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কের নির্মাণাধীন এলাকার সব
মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে আরো বলেন, "পরিবহন মালিক
সমিতির সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা কাজ করছি। যেকোনো ধরনের অসংগতি বা অনিয়ম আপনাদের চোখে
পড়লে তা সংবাদে তুলে ধরুন। আমরা সংবাদ পাওয়া মাত্রই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব।"

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
ঈদযাত্রায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা অব্যবস্থাপনা পরিলক্ষিত হলে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, আসন্ন ঈদে মাত্র তিন দিনে প্রায় দেড় কোটি
মানুষ ঢাকা ছাড়বে, যা যাতায়াত ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন,
"প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই সার্বক্ষণিক ঈদযাত্রার খোঁজখবর রাখছেন। আমাদের
যতটুকু সক্ষমতা আছে, তা দিয়েই আমরা এই বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা
করছি।"
সায়দাবাদ টার্মিনালের সার্বিক পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ
করে শেখ রবিউল আলম বলেন:
ভোগান্তি রোধে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে
মন্ত্রী জানান, আগে যেখানে ৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করতেন, এখন সেখানে ২৪টি মোবাইল
কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
যাত্রীদের সুবিধার্থে বেশ কিছু বিশেষ পদক্ষেপের কথা তুলে
ধরেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। তিনি জানান, যানজটপ্রবণ এলাকা বা সেতুর কাছে ইফতার সামগ্রী
রাখা হয়েছে যাতে ইফতারের সময় হওয়া যাত্রীরা ভোগান্তিতে না পড়েন, জরুরি প্রয়োজনে মহাসড়ক
সংলগ্ন হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, ঈদের আগে-পরে মোট ১২ দিন পেট্রোল পাম্পগুলো
২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে এবং যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কের নির্মাণাধীন এলাকার সব
মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে আরো বলেন, "পরিবহন মালিক
সমিতির সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা কাজ করছি। যেকোনো ধরনের অসংগতি বা অনিয়ম আপনাদের চোখে
পড়লে তা সংবাদে তুলে ধরুন। আমরা সংবাদ পাওয়া মাত্রই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব।"

আপনার মতামত লিখুন