দীর্ঘ যাত্রায় টোল প্লাজার দীর্ঘ লাইন আর যানজট সাধারণ মানুষের জন্য বরাবরই একটি কষ্টের কারণ। তবে এবার সড়ক ভ্রমণের সেই ভোগান্তি কিছুটা হলেও লাঘব হতে চলেছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনস্থ দেশের ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে এবার যুক্ত হয়েছে স্বয়ংক্রিয় টোল পরিশোধের সুবিধা। এর ফলে এখন থেকে টোল বুথে না থেমেই চালকেরা খুব সহজে বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ করে দ্রুত গন্তব্যে এগিয়ে যেতে পারবেন।
এই আধুনিক সুবিধাটি পেতে গ্রাহকদের শুধু একবার বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের গাড়ির নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি শেষ হলে গাড়ির সামনের কাঁচে বা উইন্ডশিল্ডে লাগানো 'আরএফআইডি' (RFID) স্টিকারটি টোল প্লাজায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান হয়ে যাবে। ফলে গাড়িটি টোল প্লাজা অতিক্রম করার মুহূর্তেই বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে নির্ধারিত টোলের অর্থ নিজে থেকেই কেটে নেওয়া হবে।
সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হলো, এই প্রক্রিয়ায় যাত্রীদের মূল্যবান সময় বাঁচবে অনেকটাই। টোল প্লাজায় আর দীর্ঘক্ষণ লাইনে আটকে থাকতে হবে না। এমনকি টোল প্লাজা পার হওয়ার সময় গাড়ির ভেতরে মূল গ্রাহকের উপস্থিতি বা নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ থাকারও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। টোল পরিশোধ হওয়ার সাথে সাথেই গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি নিশ্চিতকরণ বার্তা বা নোটিফিকেশন চলে আসবে।
ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজায় এই সেবা চালু করা হয়েছে। এই সেতুগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নরসিংদীর শহীদ ময়েজ উদ্দিন ব্রিজ, মেঘনা-গোমতী সেতুর দুটি টোল প্লাজা, তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু, ভৈরবের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু, মধুমতি সেতু এবং কর্ণফুলী সেতু। এছাড়াও খান জাহান আলী সেতু, লালন শাহ সেতু, হাটিকামরুল-বনপাড়া সড়ক, হযরত শাহ পরান সেতু, লেবুখালী সেতু এবং ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুতেও যাত্রীরা এই সুবিধা পাচ্ছেন।
সেবাটি চালু করতে গ্রাহকদের বিকাশ অ্যাপের মূল স্ক্রিন বা হোমস্ক্রিন থেকে 'টোল' অপশনে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে 'মোটরযান রেজিস্টার করুন' অংশটি নির্বাচন করে গাড়ির প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করলেই সহজেই নিবন্ধন হয়ে যাবে। পাশাপাশি, কেউ যদি পরবর্তীতে এই সেবাটি আর ব্যবহার করতে না চান, তবে অ্যাপের মাধ্যমেই খুব সহজে তা বাতিল করার সুযোগও রাখা হয়েছে।

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
দীর্ঘ যাত্রায় টোল প্লাজার দীর্ঘ লাইন আর যানজট সাধারণ মানুষের জন্য বরাবরই একটি কষ্টের কারণ। তবে এবার সড়ক ভ্রমণের সেই ভোগান্তি কিছুটা হলেও লাঘব হতে চলেছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনস্থ দেশের ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে এবার যুক্ত হয়েছে স্বয়ংক্রিয় টোল পরিশোধের সুবিধা। এর ফলে এখন থেকে টোল বুথে না থেমেই চালকেরা খুব সহজে বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ করে দ্রুত গন্তব্যে এগিয়ে যেতে পারবেন।
এই আধুনিক সুবিধাটি পেতে গ্রাহকদের শুধু একবার বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের গাড়ির নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি শেষ হলে গাড়ির সামনের কাঁচে বা উইন্ডশিল্ডে লাগানো 'আরএফআইডি' (RFID) স্টিকারটি টোল প্লাজায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান হয়ে যাবে। ফলে গাড়িটি টোল প্লাজা অতিক্রম করার মুহূর্তেই বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে নির্ধারিত টোলের অর্থ নিজে থেকেই কেটে নেওয়া হবে।
সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হলো, এই প্রক্রিয়ায় যাত্রীদের মূল্যবান সময় বাঁচবে অনেকটাই। টোল প্লাজায় আর দীর্ঘক্ষণ লাইনে আটকে থাকতে হবে না। এমনকি টোল প্লাজা পার হওয়ার সময় গাড়ির ভেতরে মূল গ্রাহকের উপস্থিতি বা নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ থাকারও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। টোল পরিশোধ হওয়ার সাথে সাথেই গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি নিশ্চিতকরণ বার্তা বা নোটিফিকেশন চলে আসবে।
ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজায় এই সেবা চালু করা হয়েছে। এই সেতুগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নরসিংদীর শহীদ ময়েজ উদ্দিন ব্রিজ, মেঘনা-গোমতী সেতুর দুটি টোল প্লাজা, তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু, ভৈরবের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু, মধুমতি সেতু এবং কর্ণফুলী সেতু। এছাড়াও খান জাহান আলী সেতু, লালন শাহ সেতু, হাটিকামরুল-বনপাড়া সড়ক, হযরত শাহ পরান সেতু, লেবুখালী সেতু এবং ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুতেও যাত্রীরা এই সুবিধা পাচ্ছেন।
সেবাটি চালু করতে গ্রাহকদের বিকাশ অ্যাপের মূল স্ক্রিন বা হোমস্ক্রিন থেকে 'টোল' অপশনে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে 'মোটরযান রেজিস্টার করুন' অংশটি নির্বাচন করে গাড়ির প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করলেই সহজেই নিবন্ধন হয়ে যাবে। পাশাপাশি, কেউ যদি পরবর্তীতে এই সেবাটি আর ব্যবহার করতে না চান, তবে অ্যাপের মাধ্যমেই খুব সহজে তা বাতিল করার সুযোগও রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন