বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ নয়, বরং ইনফেকশন ধরা পড়েছে। দেশে প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত সাপোর্ট ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারানোর পর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হলেও তার মস্তিষ্কে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার জানান, মির্জা আব্বাসের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। তবে তার মস্তিষ্কে ইনফেকশন রয়েছে। তাকে এখন বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
তবে অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি নির্ভর করছে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর। শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেই কেবল তাকে দেশের বাইরে নেওয়া সম্ভব হবে।
বিএনপি মিডিয়া সেল সূত্রমতে, মির্জা আব্বাসের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট সন্তোষজনক। তবে বর্তমানে তার যে ধরনের বিশেষায়িত সাপোর্ট ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, দেশে তার পর্যাপ্ত সুবিধা নেই।
এ অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা চালাচ্ছে তার পরিবার ও দল। এরই মধ্যে বিদেশে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যেখানে তিনি অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ নয়, বরং ইনফেকশন ধরা পড়েছে। দেশে প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত সাপোর্ট ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারানোর পর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হলেও তার মস্তিষ্কে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার জানান, মির্জা আব্বাসের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। তবে তার মস্তিষ্কে ইনফেকশন রয়েছে। তাকে এখন বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
তবে অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি নির্ভর করছে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর। শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেই কেবল তাকে দেশের বাইরে নেওয়া সম্ভব হবে।
বিএনপি মিডিয়া সেল সূত্রমতে, মির্জা আব্বাসের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট সন্তোষজনক। তবে বর্তমানে তার যে ধরনের বিশেষায়িত সাপোর্ট ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, দেশে তার পর্যাপ্ত সুবিধা নেই।
এ অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা চালাচ্ছে তার পরিবার ও দল। এরই মধ্যে বিদেশে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যেখানে তিনি অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন